{"baseurl":"https://banglarbhumi.gov.in/BanglarBhumi/Home.action","blogsstatus":0,"blogsurl":"https://wbinfo.in/wp-json/wp/v2/posts?per_page=100","calendar_image":[null,"https://firebasestorage.googleapis.com/v0/b/banglarbhumiporichay.appspot.com/o/calndar_image_2023%2F1.jpg?alt=media&token=88336ad4-697e-425a-b3c6-bf9945b19f18","https://firebasestorage.googleapis.com/v0/b/banglarbhumiporichay.appspot.com/o/calndar_image_2023%2F2.jpg?alt=media&token=cc9fd104-cf12-4657-a3d2-15f0034ca970","https://firebasestorage.googleapis.com/v0/b/banglarbhumiporichay.appspot.com/o/calndar_image_2023%2F3.jpg?alt=media&token=8eef851f-564a-4c4a-8c5c-4e5eb5c87c73","https://firebasestorage.googleapis.com/v0/b/banglarbhumiporichay.appspot.com/o/calndar_image_2023%2F4.jpg?alt=media&token=4fa2dee1-bf9e-4db0-9559-c0f3ba9e2724","https://firebasestorage.googleapis.com/v0/b/banglarbhumiporichay.appspot.com/o/calndar_image_2023%2F5.jpg?alt=media&token=da4c90eb-8839-45db-9df8-30c88a0d9146","https://firebasestorage.googleapis.com/v0/b/banglarbhumiporichay.appspot.com/o/calndar_image_2023%2F6.jpg?alt=media&token=cb7699ab-8cf8-47cd-9870-247718b55c03","https://firebasestorage.googleapis.com/v0/b/banglarbhumiporichay.appspot.com/o/calndar_image_2023%2F7.jpg?alt=media&token=64ce6342-6143-4550-872b-f6dead2831fc","https://firebasestorage.googleapis.com/v0/b/banglarbhumiporichay.appspot.com/o/calndar_image_2023%2F8.jpg?alt=media&token=64fe57dc-d93c-4e70-8f92-db8f0456f79d","https://firebasestorage.googleapis.com/v0/b/banglarbhumiporichay.appspot.com/o/calndar_image_2023%2F9.jpg?alt=media&token=a97a2392-139f-41e2-af44-b7723f264284","https://firebasestorage.googleapis.com/v0/b/banglarbhumiporichay.appspot.com/o/calndar_image_2023%2F10.jpg?alt=media&token=99e43694-c1fa-475a-9ff2-a94b15c73b10","https://firebasestorage.googleapis.com/v0/b/banglarbhumiporichay.appspot.com/o/calndar_image_2023%2F11.jpg?alt=media&token=bf6a80cb-3054-453e-a043-06e43de7159f","https://firebasestorage.googleapis.com/v0/b/banglarbhumiporichay.appspot.com/o/calndar_image_2023%2F12.jpg?alt=media&token=9d805777-f870-4900-b245-67c1bfa9446c"],"guest_search":{"visibility":0},"increase_data_change_v":9,"index":"https://firebasestorage.googleapis.com/v0/b/banglarbhumiporichay.appspot.com/o/indexmap.html?alt=media&token=a9a2137b-1702-4359-a533-bdd3f8ab7967","land_articles":"https://wbinfo.in/wp-json/wp/v2/posts? categories=71&&per_page=100","land_post":{"98":{"description":"<!-- wp:paragraph -->\n<p>অনেকেই অবৈধ দখল সরানোর আইনী উপায় না জানার ফলে নিজে জমির অবৈধ দখলদারকে সরাতে পারছে না। তাই আমাদের সবারই অবৈধ দখল কিভাবে সরাতে হয় তার আইনী উপায় জেনে নিতে হবে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>যদি কেউ সম্পত্তি জোর করে রাখে </h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>কিছু কিছু সময় অন্যের সম্পত্তি সম্পুর্ন অবৈধভাবে জোর পূর্বক দখলে রাখে। এই দখলের পিছনে শক্তি প্রয়োগ ব্যতীত আর কোন আইনী ভিত্তি থাকে না। তখন স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে এই অবৈধ দখলদারকে তুলে দেয়া যায়।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>আপনার সকল কাগজপত্র সঠিক থাকলে এবং আপনি ঐ সম্পত্তির বৈধ মালিকানা প্রমান করতে পারলে আপনাকে স্থানীয় প্রশাসন সহায়তা করবে। এতে করে আপনি সহজেই আইনীভাবেই অবৈধ দখলদারকে তুলে দিতে পারবেন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>যদি ভাড়াটিয়া সম্পত্তি জোর করে রাখে </h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>অনেক সময় দেখা যায়, ভাড়াটিয়া&nbsp;বাড়ি&nbsp;দখল করে রাখে। ভাড়াটিয়াকে অবৈধ দখল থেকে সরানো কষ্টকর হয়ে পড়ে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>ভারতীয় আইন অনুসারে, কোন বাড়ির ভাড়াটিয়া যদি ১২ বছর সময়কাল বিনা ভাড়ায়, বিনা চুক্তিতে বসবাস করলে ভাড়াটিয়া ১২ বছর পর ঐ সম্পত্তির মালিকানা দাবি করতে পারে। এই ভাড়াটিয়ার দখল মূলত বাড়ির মালিকের তত্বাবধানের অভাবে হয়ে থাকে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>বাড়ি ভাড়া দেয়ার সময় বাড়ি ভাড়ার চুক্তি করতে হবে। চুক্তিতে নির্দিষ্ট সময় এবং ভাড়ার কথা উল্লেখ থাকতে হবে। নিয়মিতভাবে ভাড়াটিয়ার সাথে চুক্তিপত্র নবায়ন করতে হবে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ করুন </h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>কোন বাড়ির মালিক তার সম্পত্তি হতে অবৈধ দখলদারকে সরানোর জন্য লিখিতভাবে পুলিশের কাছে দরখাস্ত করতে পারে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>পুলিশ সকল কাগজপত্র বুঝে নিয়ে ঐ সম্পত্তি হতে দখলদারকে সরিয়ে দিতে পারে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>আদালতের সরনাপন্ন হয়ে</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>আপনি যদি কোন ভাবেই আপনার সম্পত্তির অবৈধ দখলমুক্ত করতে না পারেন, তাহলে আপনি আদালতের সরনাপন্ন হতে পারেন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>আপনি আইনজীবীর মাধ্যমে আপনার সকল কাগজপত্র আদালতে জমে দেবেন, আদালত সকল সাক্ষী প্রমান দেখে সম্পত্তির দখল কার নিকট থাকবে তার রায় দেবেন। এভাবে আপনি আদালতের মাধ্যমে অবৈধ সম্পত্তি দখলমুক্ত করতে পারেন। আজ আপনাদের সাথে অবৈধ সম্পত্তি দখলমুক্ত করার নানা উপায় নিয়ে আলোচনা করলাম। এই সকল উপায়ের মাধ্যমে আপনি কখনো আপনার সম্পত্তি অবৈধ দখল হলে তা আইনীভাবে দখলমুক্ত করতে পারবেন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>বিঃ দ্রঃ - এটি কোন আইনি উপদেশ না, এটি শুধু মাত্র সাধারণ জ্ঞানের জন্য। এখানের কিছু লেখা অন্য জায়গা থেকে নেওয়া হয়ে থাকতে পারে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->","img":"https://wbinfo.in/public/images/blogs/1699042969.jpg","title":"অবৈধ দখল সরানোর সকল আইনী উপায়"},"100":{"description":"<!-- wp:paragraph -->\n<p> বর্তমানে শহরে অনেকদিন ধরেই অ্যাাপার্টমেন্টের চাহিদা বেড়েছে। মানুষ এখন আর জমি কিনে&nbsp;বাড়ি&nbsp;করার ঝামেলায় যেতে চায় না। মানুষ পছন্দের অ্যাাপার্টমেন্ট কিনে কয়েকদিনের মাঝেই বাড়িতে উঠার সুযোগ কাজে লাগাচ্ছে ।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>তাই নতুন যারা অ্যাপার্টমেন্ট কেনার কথা ভাবছেন, তাদের অ্যাপার্টমেন্ট কেনার আগেই অনেক কিছু বিবেচনা করে কেনার আছে। বুঝে শুনে না কিনলে অনেক কষ্টের টাকায় কেনা অ্যাপার্টমেন্টে ভালো ভাবে থাকা যায় না।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>এখানে আজ কিছু গুরুত্বপূর্ন বিষয় নিয়ে আলোচন করার চেষ্টা করা হবে। আসুন দেখি কোন কোন বিষয় গুলি মনে রাখলে অ্যাপার্টমেন্ট কিনে ঝামেলামুক্ত থাকা যায়।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>১. অ্যাপার্টমেন্টের অবস্থান</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>আপনার পছন্দের অ্যাপার্টমেন্ট বর্তমান কোন পজিশনে আছে এবং ভবিষ্যতে এই অবস্থান কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে তা এখনই ভেবে নিতে হবে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>২. সমস্ত কাগজপত্র যাচাই করা</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>অ্যাপার্টমেন্ট কেনার আগেই সকল গুরুত্বপূর্ন কাগজপত্র যাচাই করতে হবে। বিশেষ করে জমির দলিল,&nbsp;ট্যাক্স&nbsp;জমা দেয়ার রশিদ, কর্তৃপক্ষের অনুমতিপত্র ইত্যাদি যাবতীয় সকল কাগজপত্র দেখে নিতে হবে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>সকল কাগজপত্র ভালো করে দেখে কোন সমস্যা মনে হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে তারপর ঐ অ্যাপার্টমেন্ট কেনার সিদ্বান্ত নিতে হবে। অন্যথায় আপনি অ্যাপার্টমেন্ট কেনার পরও মালিকানা সংক্রান্ত জটিলতায় পড়তে পারেন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>৩. প্রজেক্টের সময়সীমা</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>আপনি যে প্রজেক্টের অ্যাপার্টমেন্ট কিনবেন, তা তার টাইম লাইন মিলিয়ে নেবেন। যদি দেখেন টাইমলাইন থেকে ঐ প্রজেক্ট অনেকটা পিছিয়ে আছে, তাহলে বুঝে নেবেন, এখানে কোন ঝামেলা আছে। তাই অ্যাপার্টমেন্ট কিনলেও বুঝেশূনে কিনবেন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>৪. অ্যাপার্টমেন্টের কার্পেট এরিয়া</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>আপনার অ্যাপার্টমেন্টের কার্পেট এরিয়া কতটুকু তা জেনে নেয়া খুব গুরুত্বপূর্ন। অনেক সময় অ্যাপার্টমেন্ট সাইজে অনেক বড় হলেও কার্পেট এরিয়া ছোট হওয়ায় তা সঠিকভাবে ব্যবহার করা যায় না।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>অনেক সময় সিড়ি, লিফট ও অন্যান্য আনুসঙ্গিক বিষয়ে অ্যাপার্টমেন্টের এরিয়া কমে যায় তখন অ্যাপার্টমেন্টের মালিক ক্ষতিগ্রস্থ হয়।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>৫. এলাকায় শব্দের মাত্রা</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>আপনি কোন মিল কারখানার পাশেই অ্যাপার্টমেন্ট কিনলে সেখানকার শব্দে আপনি ঘুমাতে পারবেন না। তাই অ্যাপার্টমেন্ট কেনার আগেই দেখে নিতে হবে যে এখানকার আশেপাশে শব্দের মাত্রা কতটুকু।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>৬. ব্যাংকের সাথে ভালোভাবে বোঝাপড়া করুন</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>অ্যাপার্মেন্ট কেনার সময় আমরা অনেক সময়&nbsp;ব্যাংক&nbsp;লোন করে থাকি। এই ব্যাংক লোন নেয়ার সময় সকল শর্ত ভালো ভাবে দেখে নিতে হবে। আপনি দেখে নিতে হবে যে ঋনের কোন শর্ত আপনার বিপক্ষে যায় কিনা।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>ঋনের সুদের হার কত? ঋন পরিশোধের সময় কত মাস ? ঋন পরিশোধের গ্রেস পিরিয়ড আছে কিনা? ইত্যাদি সকল শর্ত ভালোভাবে দেখে আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে আপনি ব্যাংক লোন নেবেন কিনা।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>৭. অ্যাপার্টমেন্ট হস্তান্তর তারিখ পিছিয়ে গেলে তার জন্য শর্ত কি?</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>রিয়েল স্টেট কোম্পানীগুলি অ্যাপনাকে অ্যাপার্টমেন্ট হস্তান্তরের সম্ভব্য তারিখ দেবে। ঐ তারিখে অ্যাপার্টমেন্ট হস্তান্তর করা সম্ভব না হলে কি জরিমানা হবে তা চুক্তির শর্তে উল্লেখ থাকতে হবে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>তা নাহলে, আপনার ব্যাংকের কিস্তি পরিশোধ শুরু হয়ে গেলে আপনি ঝামেলায় পড়ে যাবেন। তাই অ্যাপার্টমেন্ট হস্তান্তরের তারিখ ও এই তারিখে সম্ভব না হলে কি করা যাবে তা শর্তে উল্লেখ থাকতে হবে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>৮. টাকা পরিশোধের শর্ত</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>আপনি যদি সঠিক সময়ে&nbsp;টাকা&nbsp;পরিশোধ করতে না পারেন, তাহলে কি জরিমানা হবে তা চুক্তিতে উল্লেখ থাকতে হবে। তা নাহলে অনেক সময় সঠিক সময়ে টাকা জমা না হলে নানা ঝামেলা হতে পারে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>৯. স্কুল, হাসপাতাল, মার্কেটের অবস্থান</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>অ্যাপার্টমেন্ট কেনার আগে দেখে নিতে হবে, এই এলাকা থেকে স্কুল,&nbsp;হাসপাতাল&nbsp;এসব কত দূরে অবস্থিত। আপনি যখন বসবাস করবেন তখন এসব বিষয় অনেক গুরুত্বপূর্ন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>১০. প্রজেক্ট শেষ হওয়ার সময়সীমা</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>আপনি অ্যাপার্টমেন্ট কেনার সময় ওই প্রজেক্ট সম্পন্ন হবার তারিখ দেখে চিন্তা ভাবনা করে কিনবেন। যদি কোন প্রজেক্ট আরো ৫-৭ বছর পরে সম্পন্ন হয়, তাহলে ওই প্রজেক্টে বিনিয়োগ করতে চিন্তাভাবনা করে বিনিয়োগ করতে হবে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>বিঃ দ্রঃ - এটি কোন আইনি উপদেশ না, এটি শুধু মাত্র সাধারণ জ্ঞানের জন্য। এখানের কিছু লেখা অন্য জায়গা থেকে নেওয়া হয়ে থাকতে পারে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->","img":"https://wbinfo.in/public/images/blogs/1699042981.jpg","title":"অ্যাপার্টমেন্ট কেনার আগে যেসব বিষয়গুলি মনে রাখবেন"},"101":{"description":"<!-- wp:paragraph -->\n<p>কোন ব্যক্তি মারা গেলে তার সম্পত্তির বন্টন তার মৃত্যুর আগে রেখে যাওয়া উইল অনুযায়ী হয়ে থাকে। কিন্তু কোন কারনে মৃত্যুর আগে উইল করে না গেলে, তার সম্পত্তি&nbsp;ভারতীয়&nbsp;উত্তরাধিকার আইন&nbsp;অনুযায়ী বন্টন করা হবে। এই উত্তরাধিকার আইন বিভিন্ন ধর্মের জন্য আলাদা আলাদা আলাদা আলাদা হয়ে থাকে।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>হিন্দু, জৈন, বৌদ্ধ এবং শিখ ধর্মাবলম্বীদের জন্য&nbsp;হিন্দু উত্তরাধিকার আইন, মুসলিমদের উত্তরাধিকার আইনের জন্য মুসলিম আইন, খৃষ্টানদের জন্য&nbsp;ভারতীয় উত্তরাধিকারী আইন&nbsp;অনুসরন করা হয়। আমরা যদি এই উত্তরাধিকার আইন সম্পর্কে না জানি, তাহলে আমাদের যে কোন সময় এমন&nbsp;সম্পত্তি ভাগাভাগি&nbsp;নিয়ে ঝামেলায় পড়তে হবে।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>আসুন দেখে নিই, হিন্দু আইনে কিভাবে সম্পত্তির উত্তরাধিকারদের মাঝে সম্পত্তি ভাগ করা হয়।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>মৃতব্যক্তি পুরুষ হলে উত্তরাধিকার আইন</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>কোন কারনে উইল না করে কোন পুরুষ মারা গেলে তার সম্পত্তি হিন্দু উত্তরাধিকার আইন অনুসারে বন্টন করা হবে এবং তার সম্পত্তি বৈধ উত্তরাধিকারদের মালিকানায় হস্তান্তর হবে। এই বৈধ উত্তরাধিকারী আবার ২ প্রকার হয়ে থাকে। এরা হলো, শ্রেণী ১ এবং শ্রেণী ২। আসুন দেখে নিই, শ্রেণী ১ এবং শ্রেণী ২ অনুযায়ী বৈধ উত্তরাধিকারী কারা।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading {\"level\":3} -->\n<h3>শ্রেণী ১ উত্তরাধিকারী&nbsp;</h3>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>শ্রেণী ১ উত্তরাধিকারী হিসেবে মৃত পুরুষের সরাসরি পারিবারিক সম্পর্কিত লোকজন বৈধ উত্তরাধিকার হিসেবে গন্য হয়। এরা হচ্ছে স্ত্রী, পুত্র, কন্যা, মাতা। মৃত পুরুষের মৃত্যু হলে তার স্ত্রী, সন্তানরা ও মা তার সম্পত্তির মালিকানা লাভ করবে।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>&nbsp;</strong><strong>শ্রেণি</strong><strong> ২ </strong><strong>উত্তরাধিকারী</strong><strong>&nbsp;</strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>কোন কারণে মৃতব্যক্তির শ্রেণী ১ এর কোন উত্তরাধিকারী না থাকলে তার সকল সম্পত্তি শ্রেনী ২ এর অন্তর্গত উত্তরাধিকারীগন মালিকানা লাভ করবেন। এই শ্রেণী ২ এ মৃতব্যক্তির পুত্র কন্যা ব্যতিত অন্যান্য আত্মীয়রা অন্তর্ভুক্ত থাকে।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>এই শ্রেণী ২ এর কয়েকটি ধাপ থাকে। কোন কারনে প্রথম ধাপের লোকজন না থাকলে পরের ধাপের লোকজন উত্তরাধিকার হিসেবে গন্য হবে। এভাবে ঐ ধাপের লোকজন না থাকলে পরের ধাপের মানুষ ঐ সম্পত্তির উত্তরাধিকার লাভ করবে।&nbsp;&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>মৃতব্যক্তি নারী হলে উত্তরাধিকার আইন</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>ভারতীয় উত্তরাধিকার সংশোধন আইন ২০০৫ এর ফলে ভারতীয় হিন্দু নারী সম্পত্তির উত্তরাধিকার প্রশ্নে পুরুষের সমান অধিকার লাভ করে থাকে। ভারতীয় আইন অনুযায়ী, মৃত ব্যক্তি নারী হলে তার মৃত্যুর পর তার স্বামী, সন্তান সকল সম্পত্তির উত্তরাধিকার লাভ করবে। যদি তার কোন সন্তান জীবিত না থাকে, তাহলে তার নাতি নাতনি ও সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হবে।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>কোন ব্যক্তি ধর্মান্তরিত হলে</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>কোন ব্যক্তি ধর্মান্তরিত হলে, তার সে তার উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পত্তি পেতে অযোগ্য হবে। যদি এই ব্যক্তি আবার তার পূর্বের ধর্মে ফিরে আসে, তবে পুনরায় সে তার উত্তরাধিকার অধিকার ফিরে পাবে।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>সম্পত্তিতে গর্ভের শিশুর অধিকার</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>কোন ব্যক্তি মারা যাওয়ার সময় তার স্ত্রীর গর্ভে সন্তান থাকলে, ঐ সন্তানও আইন অনুযায়ী তার সকল সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হিসেবে গন্য হবে।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><br><strong>কোন</strong><strong> </strong><strong>খুনির</strong><strong> </strong><strong>সম্পত্তিতে</strong><strong> </strong><strong>অধিকার</strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>কোন ব্যক্তি খুন করে আদালত কতৃক প্রমানিত হলে, সে তার উত্তরাধিকার সম্পত্তির অধিকার হতে অযোগ্য বলে গন্য করা হবে।&nbsp;&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>কোন ব্যাক্তির বৈধ উত্তরাধিকারী না থাকলে</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>কোন ব্যাক্তির কোন উত্তরাধিকারী না থাকলে, তার সকল সম্পত্তি ভারতীয় উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী সরকারের সম্পত্তি হিসেবে গন্য হবে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>বিধবা স্ত্রী পুনরায় বিবাহ করলে</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>কোন ব্যক্তির বিধবা স্ত্রী পুনরায় বিবাহ করলে, সে তার পূর্বের স্বামীর সম্পত্তির উত্তরাধিকার হতে অযোগ্য হবে না। তবে, মৃত ব্যক্তির পুত্রের বা ভাইয়ের বিধবা স্ত্রী পুনরায় বিবাহ করলে, সে সম্পত্তির উত্তরাধিকার হতে বঞ্চিত হবে। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>বিঃ দ্রঃ - এটি কোন আইনি উপদেশ না, এটি শুধু মাত্র সাধারণ জ্ঞানের জন্য। এখানের কিছু লেখা অন্য জায়গা থেকে নেওয়া হয়ে থাকতে পারে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->","img":"https://wbinfo.in/public/images/blogs/1699042985.jpg","title":"উত্তরাধিকার উইল ছাড়া সম্পত্তি কীভাবে ভাগ করা যায়?"},"103":{"description":"<!-- wp:paragraph -->\n<p>কথাটি শুনতে অন্যরকম শোনালেও এই ব্যাপারটি আমাদের সমাজে খুব একটা বিরল নয়। প্রায়ই জমি কেনার পর শুনা যায়, এই জমি আগেই বিক্রি হয়েছে। তাই দুই পক্ষই&nbsp;টাকা&nbsp;খরচ করে জমি কিনে বিপাকে পড়ে যায়।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>২ পক্ষ হয়ে যায় একে অন্যের শত্রু। অথচ দুই জনই ক্রেতা হিসেবে সঠিক। এতে করে শুরু হয় দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব। বছরের পর বছর এই জমি নিয়ে ঝামেলা লেগেই থাকে। অন্যদিকে সুবিধা পেয়ে যায় প্রতারক বিক্রেতা।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>প্রতারক একই জমি ২ জনের কাছে বিক্রি করে ডাবল টাকা হাতিয়ে নিয়ে যায়। আর ২ ক্রেরা পড়ে থাকে অশেষ হয়রানীতে। তাই আমাদের সবারই একই জমি ২ বার বিক্রি হয় কিনা তা জেনে জমি কেনা উচিত ।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>নইলে কোন প্রতারক আপনার নিকট পূর্বে বিক্রি করা জমি আবার বিক্রি করে টাকা নিয়ে যাবে। এতে করে আপনার আর্থিক,&nbsp;সামাজিক&nbsp;ও মানষিক সব প্রকার ক্ষতির মুখে পড়বেন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>আজ আমরা আপনাদের সাথে কেউ একই জমি ২ বার বিক্রি করলে কি করা উচিত, কিভাবে সাবধান হতে পারি, তা নিয়ে আলোচনা করবো। এতে করে আপনারা জমি ২ বার বিক্রির প্রতারনার হাত থেকে রক্ষা পাবেন। আসুন দেখে নিই, কিভাবে আপনার একই জমি ২ বার বিক্রি হওয়া থেকে রক্ষা পেতে পারি।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>দলিল করার সাথে সাথে জমি নিজের নামে রেজিস্ট্রেশন করে ফেলুন</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>আপনি জমি কেনার দলিল সম্পন্ন হবার পরপরই জমি রেজিস্ট্রেশনের জন্য আবেদন করতে হবে। জমি রেজিস্ট্রেশন হয়ে গেলে আপনার কেনা জমি অন্য কারো কাছে বিক্রি করতে পারবেনা।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>আর কারো কাছে প্রতারনার মাধ্যমে বিক্রি করলেও আপনার নামে রেজিস্ট্রেশন থাকার সুবাধে জমিতে আপনারই অধিকার থাকবে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>নিয়মিত জমির খাজনা দিন </h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>জমি রেজিস্ট্রেশন করা ও জমি নিজের নামে মিউটেশন করার পর জমির জন্য সরকার কতৃক নির্ধারিত ফি দিয়ে নিয়মিত খাজনা প্রদান করতে হবে। নিয়মিত খাজনা প্রদান না করলে, একটা সময় এই জমি বেহাত হবার সম্ভাবনা থাকে। তাই নিয়মিত খাজনা দিয়ে সেই খাজনার রশিদ নিজের কাছে রেখে দেয়া জমি মালিকানার গুরুত্বপূর্ন কাগজ হিসেবে কাজ করে থাকে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>দলিল করার পরই রেজিস্ট্রেশন করতে না পারলে সেক্ষেত্রে কি করনীয়?</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>জমির দলিল করার সাথে সাথে দলিল সাব রেজিস্টার অফিসে রেজিস্ট্রেশন করতে না পারলে, আপনাকে দলিল সম্পন্ন হবার ৪ মাসের মাঝে দলিল রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। আপনি ৪ মাসের মাঝে দলিল রেজিস্ট্রেশন করতে না পারলে, পরবর্তী সময়ে সরকার নির্ধারিত বিলম্ব ফি দিয়ে দলিল রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>প্রথম ক্রেতাই হবেন জমির প্রকৃত মালিক </h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>একই জমি ২ বার বা ৩বার যাই বিক্রি হোক না কেন, সেই জমি যে ব্যক্তি প্রথমবার ক্রয় করেছেন, তিনিই সেই জমির প্রকৃত মালিক হিসেবে বিবেচিত হবেন, পরবর্তীতে ওই জমি যতবারই বিক্রি হোক না কেন, শুধুমাত্র প্রথম ক্রেতাই এই জমি বৈধ মালিকানা লাভ করবেন। তাই, জমি কেনার সময় আগে কেউ এই জমি ক্রয় করেছে কিনা তা ভালোভাবে যাচাই করা জরুরী।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>দলিল রেজিস্ট্রেশনের পরেই জমি মিউটেশন করে ফেলুন</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>জমি মিউটেশনের মাধ্যমে জমি আপনার নামে রেকর্ড করা হয়। তাই আপনি জমির রেজিস্ট্রেশনের পরপরই জমি আপনার নামে মিউটেশন করে নিতে হবে। এতে করে সরকারীভাবে রেকর্ড বইয়ে জমিটি আপনার নামে রেকর্ড হবে। তাই জমি কেনার পরপরই মিউটেশন করা দরকারী। তাহলে আপনার কেনা জমি অন্য কেউ পুনরায় বিক্রি করতে পারবেনা।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>বিঃ দ্রঃ - এটি কোন আইনি উপদেশ না, এটি শুধু মাত্র সাধারণ জ্ঞানের জন্য। এখানের কিছু লেখা অন্য জায়গা থেকে নেওয়া হয়ে থাকতে পারে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->","img":"https://wbinfo.in/public/images/blogs/1699042990.jpg","title":"একি জমি দুবার বিক্রি করার প্রতারনা থেকে কিভাবে বাঁচবেন?"},"104":{"description":"<!-- wp:paragraph -->\n<p>মানুষ অনেক কষ্টের সঞ্চয় থেকে নিশ্চিন্ত বিনিয়োগ হিসেবে জমি কিনে থাকে। যাতে করে জমি থেকে কিছু আয় করা যায় আর সেই সাথে ভবিষ্যতের জন্য দাম বাড়লে একটা বড় সম্পদ হয়।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><br>এজন্যই আমাদের মাঝে অনেকেই জমি কিনে বিনিয়োগ করে থাকে। কিন্তু এমন অনেকেই আছেন যারা জমি কেনার পরেও নানা আইনের মাঝে পড়ে জমির সঠিক ব্যবহার করতে পারছেন না। অথবা অনেক হয়রানির স্বীকার হতে হয়। মূলত এসব সমস্যার সৃষ্টি হয় জমি কেনার সময় সব আইন না জানা এবং কিছু আইনের মারপ্যাঁচে পড়ে যাওয়া। আমরা জমি কেনার সময় সকল আইন জেনে জমি কেনা বেচা করলে আর এসব সমস্যায় পড়তে হতো না।<br>তাই আমাদের সবার জমি কেনা বেচার আইন নিয়ে জানা উচিত। জানা উচিত, জমি কেনা বাচার জন্য কি কি আইন আছে। তাহলে আর জমি কেনার পর ঝামেলা পোহাতে হবে না। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><br>আসুন দেখে নিই কি কি আইন রয়েছে। জানা থাকলে আমরা নিজে ও অন্যদের এমন জমি সংক্রান্ত আইনি জটিলতা থেকে বাচতে পারবো। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>ভারতের</strong><strong> </strong><strong>জমি</strong><strong> </strong><strong>কেনা</strong><strong> </strong><strong>বেচায়</strong><strong> </strong><strong>কি</strong><strong> </strong><strong>কি</strong><strong> </strong><strong>আইন</strong><strong> </strong><strong>আছে</strong><strong>?</strong><strong>&nbsp;</strong><strong></strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>আমাদের দেশে জমি কেনা বেচায় অনেক আইন অনুসরন করা হয়ে থাকে। বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে বিশেষ বিশেষ আইন প্রয়োজন হয়ে থাকে। তাই আপনাদের জন্য নিচে ভারতের বিভিন্ন আইন নিয়ে আলোচনা করছি।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>১) সম্পত্তি আইন স্থানান্তর আইন।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>২) চুক্তি আইন।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>৩) নিবন্ধন আইন।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>৪) জমির সংস্কার আইন।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>৫) উপকুলীয় অঞ্চল আইন।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>৬) মহাসড়ক আইন।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>৭) ভূমি খন্ডন আইন।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>৮) বস্তি পূনর্বাসন আইন।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>৯) মেগা টাউনশিপ আইন।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>১০) সরকারি ও বেসরকারী বনাঞ্চল।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>১১) MTRP আইন।&nbsp;&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>১২) জমি এবং অনুমোদিত ব্যবহারের অঞ্চল আইন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>১৩) গুন্থেয়ারী রেগুলেশন আইন।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>১৪) লবনাক্ত এলাকা আইন।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>১৫) ওয়াফক সম্পত্তি আইন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>১৬) উপজাতী ও অন্যান্য সংরক্ষিত সম্প্রদায়ের সম্পত্তি রক্ষা আইন।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>এসব আইনের সকল আইন হয়তো আপনার জমিতে প্রযোজ্য হবে না। কিন্তু বিশেষ বিশেষ এলাকায় বিশেষ বিশেষ আইন প্রযোজ্য হবে। যেমন, ওয়াফক সম্পত্তি হলে ওয়াফক সম্পত্তি আইন প্রযোজ্য হবে নইলে নয়।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><br>তেমনি উপকুলীয় এলাকা আইন শুধুমাত্র উপকুলবর্তী এলাকায় প্রযোজ্য হবে। এভাবেই মহাসড়ক আইন, লবনাক্ত এলাকা আইন, বস্তি পূনর্বাসন আইন সহ বিভিন্ন আইন জমির অবস্থা ও এলাকার উপর নির্ভর করে থাকে।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>সেই সাথে কিছু কিছু আইন সকল জমির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। যেমন, সম্পত্তি স্থানান্তর আইন, চুক্তি আইন, নিবন্ধন আইন সহ কিছু আইন সকল জমি কেনা বেচায় প্রযোজ্য।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>তাই আমরা জমি কেনার সময় এসকল আইন জেনে নিতে হবে। জেনে নিতে হবে আপনার জমিতে কি কি আইন প্রযোজ্য। আপনার জমিতে কি কি আইনের বিধিনিষেধ আছে তা জেনে নেয়া খুবই দরকারী বিষয়।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>বিঃ দ্রঃ - এটি কোন আইনি উপদেশ না, এটি শুধু মাত্র সাধারণ জ্ঞানের জন্য। এখানের কিছু লেখা অন্য জায়গা থেকে নেওয়া হয়ে থাকতে পারে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><br></p>\n<!-- /wp:paragraph -->","img":"https://wbinfo.in/public/images/blogs/1699042993.jpg","title":"জমি কেনা বেচার জন্য ভারতের আইন ব্যবস্থা ব্যাপারে জানুন।"},"105":{"description":"<!-- wp:paragraph -->\n<p>আমাদের মাঝে অনেকেই বুঝতে পারি না, কোনটি নকল দলিল আর কোনটি আসল দলিল। এই সুযোগ নিয়ে প্রতারক চক্র নকল দলিল বানিয়ে আমাদেরকে ধোঁকা দিয়ে থাকে। আমরা যদি বুঝতে পারি, কোনটি নকল দলিল আর কোনটি আসল দলিল, তাহলে আমাদের আর এভাবে ধোঁকা খাবার সুযোগ কমে যায়।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>এজন্য আমাদের সবারই জমির আসল দলিল চেনার উপায় জানতে হবে। তা না হলে যে কোন সময় আপনি বা আপনার পরিচিতজন প্রতারনার স্বীকার হয়ে নকল দলিলের জমি কিনে কষ্টার্জিত অর্থ হারাতে হবে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>জমি নকল দলিল সনাক্ত করার জন্য কয়েকটি বিষয় চেক করতে হয়। নিচে আপনাদের জন্য এই বিষয়গুলি আলোচনা করছি।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>১) জমির মূল দলিল আছে কিনা?</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>জমি কেনার সময় আপনি অবশ্যই এই জমি কেনার সময়কার মূল দলিল দেখে নিতে হবে। সেই সাথে দেখে নিতে হবে, সেই দলিলে এই জমি কার মালিকানায় আছে। বর্তমান বিক্রেতার সাথে দলিল অনুযায়ী মালিকের কি সম্পর্ক।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>২) দলিলের কাগজ কেমন ?</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>জমির দলিল হাতে পাবার পর দেখতে হবে জমির দলিলের কাগজটি কিসে তৈরি। সারা&nbsp;ভারতে এই কাগজই ব্যবহার হয়ে থাকে। এই আসল কাগজের শতকরা ৫০ ভাগ Cotton এবং শতকরা ৫০ ভাগ Chemical Wood দিয়ে তৈরি করা হয়। তাই আপনি সহজেই এই কাগজ আলাদা করতে পারবেন। দলিলের কাগজ চেনার মাধ্যমে আপনি আসল দলিল ও নকল দলিল আলাদা করতে পারবেন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>৩) দলিলের নাম্বার দেখে</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>জমির দলিলের নাম্বার দেখে সঠিক দলিল চেনা যায়। আসল দলিলে নাম্বারের শেষ ২ টা সংখ্যা রেজিস্ট্রেশন বইয়ের পাতার সাথে মিল থাকে। রেজিস্ট্রেশন বইয়ের পাতার নাম্বার দলিলের উপরের ডান পাশে লেখা থাকে। এই দুই নাম্বার মিলিয়ে দেখে নকল দলিল চেনা যায়।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>৪) দলিলের সকল পাতা ভালো করে মিলিয়ে দেখুন</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>জমির দলিলের সকল পাতায় তারিখ, ক্রেতার নামের বানান, বিক্রেতার নামের বানান, সম্পত্তির বিবরন, স্বাক্ষর ইত্যাদি বিষয় ভালোভাবে মিলিয়ে দেখুন। বিভিন্ন পাতায় ব্যতিক্রম তথ্য পাওয়া গেলে নকল দলিল হিসেবে সন্দেহের তালিকায় রাখুন। ভালোভাবে আবার চেক করুন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>৫) দলিলের কাগজের নাম্বার ভালো করে লক্ষ করুন</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>দলিলের কাগজের নাম্বার নকল দলিল চেনার একটি উপায়। আসল দলিলের কাগজে সরকারী নাম্বার থাকবে, যা লাল কালিতে লেখা থাকে। নকল দলিলে কাগজের নাম্বার সাধারনত কালো কালিতে হয়ে থাকে। এভাবে অনেক সময় নকল দলিল চেনা যায়।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>৬) দলিলের কাগজের সিলিয়াল নাম্বার</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>দলিলের কাগজের সিলিয়াল নাম্বার ঐ দলিল প্রিন্ট হবার সময়ের সাথে মিল রেখে কথা হয়। কেউ নকল দলিল বানাতে চাইলে অনেক সময় সিরিয়াল নাম্বার আসল দলিলের মত হয় না। এভাবে দলিলের সিরিয়াল নাম্বার দেখে নকল দলিল চেনা যায়।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>৭) দলিলের মাঝে সিল ও স্বাক্ষর</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>দলিলের সিল ও স্বাক্ষর দেখে অনেক সময় নকল দলিলে চিনে ফেলা যায়। আসল দলিলে সরকারী সিল লাল কালিতে মার্জিনের বাম পাশে থাকে। আর নকল দলিলে অনেক সময় এসব সঠিক জায়গায় থাকে না।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>বিঃ দ্রঃ - এটি কোন আইনি উপদেশ না, এটি শুধু মাত্র সাধারণ জ্ঞানের জন্য। এখানের কিছু লেখা অন্য জায়গা থেকে নেওয়া হয়ে থাকতে পারে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->","img":"https://wbinfo.in/public/images/blogs/1699042995.jpg","title":"নকল দলিল ও ডকুমেন্ট কিভাবে চিনবেন?"},"106":{"description":"<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>পশ্চিমবঙ্গের জমি সংক্রান্ত&nbsp;আইন:</strong>&nbsp;ভূমি আইন নিয়ে আমাদের সবার মাঝেই কৌতুহল আছে। আমরা সবাই অন্য অনেক আইন নিয়ে কথা বললেও ভূমি আইন নিয়ে কথা উঠলেই মুখে কলুপ এটে থাকে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>কারণ আমাদের সবারই ভূমি আইন নিয়ে অনেক কিছুই অজানা রয়েছে। আমাদের দেশের ভূমি আইন অনেক পুরোনো হওয়ায় অনেক সময় এই ভূমি আইন নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়ে থাকে।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>আমাদের দেশে সেই বৃটিশ শাষন থেকেই ভূমি নিয়ে নানা আইন হয়ে আসছে, আর নানাবিধ পরিবর্তন হলেও ভূমি আইনের ক্ষেত্রে এখনও অনেক সময় সেই ব্রিটিশ আমলের আইন অনুসরন করা হয়ে থাকে। ভূমি নিয়ে কোন জটিলতা দেখা দিলে আমাদের আইনজীবির শরণাপন্ন হতে হয়।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>অনেক সময় ভূমি আইন সম্পর্কে ধারনা না থাকায় আমরা অনেক প্রতারক&nbsp;চক্রের পাল্লায় পড়ে অর্থহানী ঘটে। তাই আমাদের সবারই ভূমি আইন জানা উচিত। তা না হলে আমরা বিভিন্ন সময় ভূমি সংক্রান্ত জটিলতায় পড়তে হবে। এজন্য আমরা ভূমি আইন সম্পর্কে জানবো।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>আজ আমরা আপনাদের সাথে পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত ভূমি আইন নিয়ে আলোচনা করবো। এর ফলে আপনারা পশ্চিমবঙ্গের ভূমি আইন নিয়ে সবকিছু জানতে পারবেন, সেই সাথে ভূমি আইন নিয়ে না জানার কারনে প্রতারক চক্র আপনার সাথে প্রতারনা করতে পারবে না।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>জমিতে গর্ত করার ক্ষেত্রে আইন</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>জমিতে কোন গর্ত করতে চাইলেই আপনি তা করতে পারবেন না। আপনি জমি ২.৫ মিটারের চাইতে বেশী গর্ত করতে চাইলে অবশ্যই কমপক্ষে ৩ মিটার জায়গা খালি থাকতে হবে। তাই আপনি আপনার জমির সীমানা থেকে কমপক্ষে ৩ মিটার জায়গা খালি রেখে গর্ত করতে হবে।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>আইনের ভাষায় স্থানীয় কারা? &nbsp;</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>পশ্চিমবঙ্গের আইন অনুযায়ী কোন ব্যক্তির মালিকানাধীন জমির উত্তর পশ্চিম কর্নার হতে ৮ (আট) বর্গ কিলোমিটার এলাকায় ঐ ব্যক্তিকে স্থানীয় হিসেবে গন্য করা হবে।&nbsp;শুধু তাই নয়, কোন জমি থেকে ব্যক্তির বাড়ি ৮ কিলোমিটারের চাইতে বেশি দূরে হলেও, ঐ মৌজার কোন অংশ তার বাড়ির ৮ কিলোমিটারের দূরুত্বে হলে সেই ব্যক্তি স্থানীয় হিসেবে গন্য হবে।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>ভূমি থেকে মাটি, বালি, পাথর উত্তোলন আইন</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>কোন ব্যক্তি তার মালিকানাধীন জমির ভূগর্ভস্থ হতে মাটি, বালি, কাদা, পাথর ইত্যাদি সরকারের লিখিত অনুমতি ছাড়া উত্তোলন করতে পারবে না। এই ক্ষেত্রে বালি, মাটি, পাথর উত্তোলন করতে হলে জেলা ভূমি কর্মকর্তার নিকট আবেদন করতে হবে। জেলা ভূমি অফিস থেকে লিখিত অনুমতি পেলেই কেবল জমির ভূগর্ভস্থ হতে বালু, পাথর উত্তোলন করা যাবে।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>রাস্তা, রেলওয়ে লাইনের পাশের জমির ক্ষেত্রে আইন</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>কোন জমি রাস্তা হতে ৪৫ মিটার দূরুত্বে হলে অথবা রেল লাইনের নিকটবর্তী হলে ঐ জমিতে কোন স্থাপনা তৈরি করতে নির্ধারিত কতৃপক্ষের অনুমতি নিতে হবে। অনুমতি না নিয়ে স্থাপনা তৈরি করলে, কর্তৃপক্ষ ঐ স্থাপনার ব্যপারে যে কোন ব্যবস্থা নিতে পারে। তাই জমিতে স্থাপনা করার আগেই রাস্তা থেকে কত দূরে আছে তা দেখে নিতে হবে।&nbsp;এভাবে আজ আমরা পশ্চিমবঙ্গের ভূমি আইন নিয়ে জানতে পারলাম। এতে করে আমরা সহজেই ভূমি সংক্রান্ত কিছু বিষয় জেনে নিলাম। পরবর্তীতে এ সংক্রান্ত সমস্যায় পড়লে আমাদের আর হয়রানীর স্বীকার হতে হবে না।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>কৃষি জমি বানিজ্যিকভাবে ব্যবহার করন আইন</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>কোন কৃষি জমিতে বছরে ২ বার ফসল ফলন হলে সেই কৃষি জমিতে মাটি ভরাট করে বানিজ্যিকভাবে ব্যবহার করা যাবে না। বানিজ্যিকভাবে ব্যবহার করলে ঐ জমি ব্যবহারের জন্য কৃষি অধিদপ্তর থেকে অনুমতি নিতে হবে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>বিঃ দ্রঃ - এটি কোন আইনি উপদেশ না, এটি শুধু মাত্র সাধারণ জ্ঞানের জন্য। এখানের কিছু লেখা অন্য জায়গা থেকে নেওয়া হয়ে থাকতে পারে। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->","img":"https://wbinfo.in/public/images/blogs/1699042998.jpg","title":"পশ্চিমবঙ্গে ভূমি সংক্রান্ত বিভিন্ন আইন"},"108":{"description":"<!-- wp:paragraph -->\n<p>পৈতৃক সম্পত্তি আইনগতভাবে তার উত্তরাধিকারীরা প্রাপ্য হলেও পূর্বসুরির মৃত্যুর পরে খুব সহজেই এই সম্পত্তির মালিকানা পরিবর্তন হয় তা নয়। এই সম্পত্তির মালিকানা পরিবর্তনের সময় বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করতে হয়। তাই আমাদের সবারই জেনে নিতে হবে, কিভাবে এই পৈতৃক সম্পত্তি আইনগতভবে আপনার নামে করা যায়। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>পৈতৃক সম্পত্তি কি নিজের অর্জিত সম্পদ? নাকি পূর্ব পুরুষ হতে প্রাপ্ত সম্পদ? সম্পত্তির মালিনাকানা নির্ধারনের জন্য কোন উইল করা আছে কিনা? সম্পত্তির বৈধ উত্তরাধিকার কতজন? ইত্যাদি নানা বিষয়ের উপরে নির্ভর করে পৈতৃক সম্পত্তির উত্তরাধিকার নির্ভর করে থাকে।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>শুধু তাই নয়, উত্তরাধিকারীগন শুধুমাত্র মালিকানা লাভ করাটাই যথেষ্ট নয়, জমির সরকারী নিবন্ধনে নতুন মালিক হিসেবে নিবন্ধন করতে হয়। একই সাথে, উত্তরাধিকারীগন সম্পত্তির মালিকানার সাথে সাথে অন্য বিষয়গুলি যেমন, উক্ত জমি সংক্রান্ত পূর্বের ঋন পরিশোধ করা, সরকারী কোন ট্যাক্স বকেয়া থাকলে তা পরিশোধ করা। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>হিন্দু আইন ও অন্যান্য ধর্ম</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>ভারতীয় আইনে সকল ধর্মের উত্তরাধিকার আইন একই নয়। হিন্দু ধর্মের অনুসারীগন ভারতীয় উত্তরাধিকার আইন (হিন্দু) অনুযায়ী উত্তরাধিকারীদের মাঝে সম্পত্তি বন্টন হবে। তেমনিভাবে অন্য ধর্ম অনুসারীগনও তার নিজ নিজ ধর্মের আইন অনুযায়ী উত্তরাধিকার সম্পদ বিভাজিত হবে। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>হিন্দু আইন অনুযায়ী সম্পত্তির সকল বৈধ উত্তরাধিকারী তার জম্নের ফলেই সম্পত্তিতে অধিকার লাভ করে থাকে। পূর্বসুরী উইল না করে গেলে, মৃত্যুর পর তার সকল অর্জিত সম্পত্তি ও পৈতৃক সম্পত্তির মালিকানা তার বৈধ উত্তরসুরিগন লাভ করবেন। হিন্দু উত্তরাধিকারী আইন ১৯৫৬ অনুযায়ী, কন্যা সন্তান পুত্র সন্তানের সমানভাবে সম্পত্তির উত্তরাধিকার লাভ করবেন, এমনকি কন্যা সন্তানের বিবাহের পরও এই উত্তরাধিকার দাবি বিবেচিত হবে।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>সম্পত্তি কিভাবে আইনগতভাবে নিজের নামে আনবেন?&nbsp;</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>পূর্বসুরির মৃত্যুর পর সম্পত্তি আইনগতভাবে নিজের নামে আনার জন্য কিছু কাগজপত্র জমা দিতে হয়।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>মৃতব্যাক্তি উইল করে গেলে উইল অনুযায়ী মালিকানা পেতে নিম্নলিখিত কাগজপত্র প্রয়োজন হয়ে থাকে।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>১) মৃত্যুসনদ।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>২) উইলের কপি।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>৩) সম্পত্তির বিবরন সংক্রান্ত কাগজপত্র।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>এই উইলে কোন দূর্বলতা থাকলে অন্য কেউ এই উইল নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারবে। তাই উইলকে অবশ্যই সরকারীভাবে নিবন্ধন করতে হবে, এবং কোন দক্ষ আইনজীবীর মাধ্যমে এই উইলের সকল শর্তগুলি লিখিতভাবে উল্লেখ করতে হবে। তা না হলে, উইলের কার্যকারীতা নাও হতে পারে।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>সম্পত্তি উইল না করা থাকলে উত্তরধিকারীগন, একটি সমঝোতা চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে হবে। উইল না করা থাকলে এবং সমঝোতা চুক্তিও না থাকলে, উত্তরাধিকারী আইন অনুযায়ী সকল সম্পত্তি বন্টন করা হবে।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>সম্পত্তিকে&nbsp;মিউটেশনের&nbsp;মাধ্যমে আইনগতভবে আপনার নিজের নামে সরকারীভাবে নিবন্ধিত করে নিতে হবে। মিউটেশান করা হলে কোন ব্যাক্তি সম্পত্তি বিক্তি বা মালিকানা হস্তান্তরের অধিকার লাভ করবে।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>আজ আমরা পৈতৃক সম্পত্তি আইনগতভাবে কিভাবে নিজের নামে করা যায়, তা নিয়ে অনেক আলোচনা করলাম। জমি বিভক্ত করার বিভিন্ন নিয়মগুলি জানতে পারলাম। এতে করে আপনারা পরবর্তী সময়ে জমি বিভক্তি নিয়ে নানা সমস্যার মোকাবেলা করতে পারবেন। পরবর্তী লেখায় আরো বিস্তারিত লেখা থাকবে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><br>তাই আমাদের পেজে নিয়মিত চোখ রাখুন। এই লেখাটি অনেকের কাজে লাগতে পারে তাই লেখাটি যতটুকু সম্ভব শেয়ার করুন, যাতে করে অনেকে এই লেখা থেকে শিক্ষা নিয়ে জমি সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারবেন। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->","img":"https://wbinfo.in/public/images/blogs/1699043003.jpg","title":"পৈতৃক সম্পত্তি আইনত ভাবে নিজের নামে করার উপায়।"},"109":{"description":"<!-- wp:paragraph -->\n<p>কন্যা সন্তান তার পূর্বপুরুষের সম্পত্তির অধিকার পায় কিনা এটা নিয়ে আমাদের অনেকেরই প্রশ্ন আছে। আমাদের অনেকেরই জানা নেই, কন্যা সন্তানের সম্পত্তির অধিকার কি? কিভাবে পায় বা আদৌ পায় কিনা।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>এটা না জানার ফলে অনেক কন্যা সন্তান নিজেও বুঝতে পারে না, সে তার পিতার মৃত্যুর পর সম্পদের মালিকানা পাবে কিনা। তাই আমাদের সবারই জানা উচিত যে,&nbsp;ভারতের&nbsp;আইনে কন্যা&nbsp;সন্তানের সম্পত্তিতে অধিকার&nbsp;আছে কিনা। তাহলে আপনি খুব সহজেই ভবিষ্যতে এই কন্যা সন্তানের অধিকার সম্পর্কে বুঝতে পারবেন।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>কন্যা সন্তানের সম্পত্তিতে অধিকার নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায় -</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>২০০৫ সালে ভারতীয় হিন্দু উত্তরাধিকার আইনের সংশোধনী রায় প্রদান করা হয়। এই রায়ে বলা হয় যে, কন্যা সন্তানও পিতার সম্পত্তিতে পুত্রের সাথে সমান অধিকার লাভ করবে। এই রায়ের ফলে রায় প্রকাশের পরবর্তী সময় থেকে কন্যা সন্তান এই সম্পত্তিতে অধিকার লাভ করবে। তবে রায় প্রকাশের পূর্বের সময়ে এই আইন কার্যকর হবে না। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>২০২০ সালের ১১ ই আগষ্ট ভারতের সুপ্রিম কোর্ট এই কন্যা সন্তানের অধিকার নিয়ে এক যুগান্তকারী রায় দেন। এই রায়ের ফলে ভারতের হিন্দু উত্তরাধিকারী আইন সংশোধনী অনুযায়ী কন্যা সন্তান তার উত্তরাধিকারী অধিকার বলে সম্পত্তির মালিকানা লাভ করবে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>এতে করে সম্পত্তিতে কন্যা সন্তান ও পুত্র সন্তান সমান অধিকার লাভ করবে। সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী কন্যা সন্তার জন্মের ফলেই সম্পত্তিতে অধিকার লাভ করবে। তদুপরি, কন্যা সন্তানের পিতা আইনের সংশোধনীর ২০০৫ এর পূর্বে মারা গেলেও এই আইনের আওতায় সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হবেন। শুধু তাই নয়, কন্যা সন্তান বিবাহিত হলেও এই আইনের কোন বাধা থাকবে না। কন্যা সন্তান বিবাহিত হলেও সম্পত্তির অধিকার লাভ করবে।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>উত্তরাধিকার হিসেবে সম্পত্তিতে কন্যা সন্তানের অধিকার কি কি ?</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>আসুন জেনে নিই কন্যা সন্তান উত্তরাধিকার হিসেবে কি কি অধিকার লাভ করে থাকে।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>১) জন্মসূত্রে হিন্দু যৌথ পরিবার সম্পত্তি লাভ।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>২) হিন্দু যৌথ পরিবারের সম্পত্তি ভাগ করে বুঝে নেয়ার অধিকার।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>৩) কন্যা সন্তান পরিবারের কর্তা হতে পারবেন, যদি সে পরিবারের বড় সন্তান হন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>৪) কন্যা সন্তান মারা গেলেও তার পৈত্তিকসূত্রে পাওয়া সম্পত্তি তার উত্তরাধিকারীরা পাবার অধিকার পাবেন।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>শশুরের সম্পত্তিতে পুত্রবধুর অধিকার কি ?&nbsp;</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>ভারতীয় হিন্দু আইন অনুসারে পুত্রবধু ঐ পরিবারের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবেন, কিন্তু সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হবেন না। তবে পুত্রে মৃত্যুর পর পুত্রবধু তার স্বামীর সম্পত্তিতে অধিকার লাভ করবে। পুত্রবধু তার শশুর ও শাশুড়ীর সম্পত্তির অধিকার পাবেন না, তিনি শুধুমাত্র তার স্বামী মৃত্যুর পর স্বামীর সম্পত্তির অধিকার লাভ করবেন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>পিতার অর্জিত সম্পত্তিতে অধিকার</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>কন্যা সন্তান ও পুত্র সন্তান উভয়েরই পিতার অর্জিত সম্পত্তির অধিকার পাবেন না। শুধুমাত্র পিতার মৃত্যুর পর পুত্র ও কন্যা ভারতীয় হিন্দু উত্তরাধীকার আইন অনুসারে সম্পত্তির অধিকার লাভ করবে। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>বিঃ দ্রঃ - এটি কোন আইনি উপদেশ না, এটি শুধু মাত্র সাধারণ জ্ঞানের জন্য। এখানের কিছু লেখা অন্য জায়গা থেকে নেওয়া হয়ে থাকতে পারে। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->","img":"https://wbinfo.in/public/images/blogs/1699043006.jpg","title":"ভারতে কন্যা সন্তানের সম্পত্তির অধিকার সম্পর্কে জানুন"},"110":{"description":"<!-- wp:paragraph -->\n<p>ভারতে একজন ব্যক্তির সম্পত্তি ভাগ অথবা বিভাজন করা হ্য পার্টিশন অ্যাক্ট (১৮৯৩) অনুযায়ী। একজন&nbsp;উত্তরাধিকার আইন&nbsp;অনুযায়ী তার সম্পত্তির মালিকানা দাবি করতে পারেন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>কিন্তু একজন ব্যক্তি তার সম্পত্তি কার কার ভিতর কিভাবে বটন করবেন তা তার ব্যক্তিগত ইচ্ছার উপরও নির্ভর করে। ধর্ম এবং বর্ণ বিভেদেও&nbsp;সম্পত্তি বিভাজন&nbsp;প্রক্রিয়া ভিন্ন হয়ে থাকে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>সাধারণ নিয়মে সম্পত্তি ভাগ করা ছাড়াও কিছু পেটেন্ট, স্বত্ত্ব, আবিষ্কারের মালিকানা ও স্বত্ত্ব ও&nbsp;ভারতীয় সম্পত্তি বিভাজন&nbsp;আইনানুযায়ী ভাগ করা হয়ে থাকে। এসব ক্ষেত্রে আইন অনুসারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>ভারতে সম্পত্তি বিভাজন আইন</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>রায়চাঁদ বনাম দত্ত মামলার রায়ের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে যে, “সম্পদ শব্দটির সর্বাধিক বিস্তৃত অর্থ হচ্ছে, ব্যক্তির ব্যক্তিগত অধিকার ব্যতীত সকল আইনী অধিকার যা তার অবস্থান বা ব্যক্তিগত অবস্থা গঠন করে”।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>ভারতের মাননীয় সুপ্রিম কোর্ট আরসি কুপার বনাম ইউনিয়ন অফ ইন্ডিয়া মামলার রায়ের ক্ষেত্রে সম্পত্তি ধারণাটির ব্যাখ্যা দিয়েছেন, সম্পত্তি বলতে স্থাবর জিনিস যেমন জমি, আসবাব, যত্রপাতি যেমন অন্তর্ভুক্ত তেমনি অনুলিপি,কপিরাইট এবং পেটেন্ট এর মতো অস্থাবর বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>ভারতে, বিভিন্ন আইন রয়েছে যা ভারতে সম্পত্তি বিভাজন নিয়ে কাজ করে। সম্পত্তি বিভাজনের বিখ্যাত আইনগুলো হল সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২, পার্টিশন অ্যাক্ট, ভারতীয় উত্তরাধিকার আইন ইত্যাদি।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>পার্টিশন অ্যাক্ট- ১৮৯৩</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>ভারতে পার্টিশন অ্যাক্টের অধীনে কোন কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা যদি কোম্পানি বিলোপের সময় মামলা করে যদি, আদালতে উপস্থিত হয়ে দাবি করে যে, সম্পত্তি বিভাজন যুক্তিসঙ্গতভাবে করা সম্ভব হচ্ছে না, বা সম্পত্তি বিক্রয় আরও বেশি সুবিধাজনক হবে যদি তার দায়িত্ব আদালত গ্রহন করে তবে আদালত আগ্রহী শেয়ারহোল্ডারদের অনুরোধে, সম্পত্তি বিক্রয় এবং লভ্যাংশ বিতরণের দায়িত্ব সরাসরি গ্রহন করে থাকে। এই আইনে বিধান করা হয়েছে যে শেয়ারহোল্ডার পক্ষের শেয়ারের ন্যয়সঙ্গত বন্টন, শেয়ারের মূল্য, অন্যান্য সম্পত্তির ন্যায্যমূল্য প্রথমে শেয়ারহোল্ডাররা ঠিক করবেন, পরে আদালত ন্যায্যমূল্য নির্ধারণ করে শেয়ারের পুনঃমূল্য ধার্য করবেন যাতে এ নিয়ে শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে কোন বিবাদের অবকাশ না থাকে। এছাড়া উক্ত আইনের অধীনে দুইজন শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দিলে কিভাবে সেই বিরোধ নিষ্পত্তি করা হবে সে সম্পর্কে বিস্তারিত বিধান রয়েছে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>ভারতীয় উত্তরাধিকার আইন- ১৯২৫</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>ভারতীয় উত্তরাধিকার আইন দুটি ধরণের উত্তরাধিকারের সাথে সম্পর্কিত: টেস্টামেন্টারি বা উইলের মাধ্যমে উত্তরাধিকার এবং ধর্মীয় উত্তরাধিকার। টেস্টামেন্টারি উত্তরসূরি নির্ধারণ করা হয় যেখানে কোনও ব্যক্তি ‘উইল’ নামে একটি লিখিত দলিল তৈরি করেন সেখানে উল্লেখ থাকে উক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার সম্পত্তি কে বা কারা পাবে অথবা অন্য কোথায় যাবে। অনেকেই তার সম্পত্তি ওয়ারিশগণের মধ্যে বন্টন না করে বিভিন্ন চ্যারিটেবল ফান্ড অথবা অন্য কোন অর্গানাইজেশন এ দান করে যান উইলের মাধ্যমে। তবে উইল জাতীয় লিখিত দলিল না থাকলে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি তাঁর ধর্মীয় আইন অনুসারে বিভাজন করা হয় এবং এটি ধর্মীয় উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী সম্পন্ন হয়, যা কিনা ধর্ম অনুযায়ী বিভিন্ন হয়ে থাকে। যদি কোনও ব্যক্তির ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত বা ধর্মীয় উত্তরাধিকার আইন প্রয়োগ না হয় তবে ভারতীয় উত্তরাধিকার আইন প্রযোজ্য হবে। এটা হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সব ধর্মের মানুষের ক্ষেত্রেই সমানভাবে প্রযোজ্য।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>খ্রিস্টধর্মের ক্ষেত্রে, উত্তরাধিকারীদের ধর্ম বিবেচ্য নয়, তবে যে ব্যক্তি মারা গেছে অর্থ্যাৎ যিনি উইল করেছেন তাকে অবশ্যই তার মৃত্যুর তারিখে খৃষ্টান হিসেবে মৃত্যুবরণ করতে হবে। খ্রিস্টিয় নিয়মে সম্পত্তি ভাগের ক্ষেত্রে দত্তক নেওয়া সন্তানেরা জৈবিক সন্তানের মতো সম্পত্তির ভাগ পাবেনা।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>হিন্দু উত্তরাধিকার আইন</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>ধর্ম অনুসারে হিন্দু উত্তরাধিকার আইন হিন্দুদের সম্পত্তি বিভাজনের নিয়ম নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। আইন অনুসারে,হিন্দু ধর্মের অনুসারী যে ব্যক্তি অন্য কোনও ধর্মে ধর্মান্তরিত হন তিনি এরপরেও পৈতৃক সম্পত্তিতে তার অংশ দাবি করতে পারেন। তবে পূর্বে এমন পরিস্থিতি ছিল না। পূর্বে, যদি কোনও ব্যক্তি হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে বা অন্য ধর্মে ধর্মান্তরিত হতেন তবে তিনি পৈতৃক সম্পত্তিতে তার অধিকার দাবি করতে পারতেন না। তবে পরবর্তীতে সকলের সমঅধিকারের বিষয়টি চিন্তা করে আইনে পরিবর্তন আনা হয়েছে। তাই এখন ধর্মান্তরিত ব্যক্তিরাও আইনানুযায়ী সম্পত্তির উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে সুরক্ষিত এবং সমঅধিকারপ্রাপ্ত হবেন। তবে ধর্মান্তরিত ব্যক্তির বংশধরদের বিষয়ে আইনে আছে তারা যদি উত্তরাধিকার সূচনার সময় হিন্দু না থাকেন তবে হিন্দু আইনে তারা পিতৃসম্পত্তির উপর তাদের অধিকার পাবেন না।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>মুসলিম সম্পত্তি আইন (শরীয়ত) আইন-&nbsp; ১৯৩৭</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>মুসলিম সম্পত্তি আইনে পিতার সম্পদের উপর পুত্র-কন্যা উভয়ের দাবি রয়েছে। পুত্র পাবেন পিতার সম্পদের অর্ধেক, কন্যা পাবেন ৪ ভাগের একভাগ। স্ত্রী জীবিত থাকলে তিনিও স্বামীর সম্পদের কিছু অংশ পাবেন। ধর্মান্তরিত হলেও পুত্র বা কন্যা পিতার সম্পদের ভাগ দাবি করতে পারবেন। সন্তান বিবাহিত হলেও সম্পদের দাবি করতে পারবে। কোন কারণে সন্তান মারা গেলে তার পুত্র-কন্যারা সম্পত্তির ভাগিদার হবেন। এছাড়া যার কোন ওয়ারিশ নেই তার সম্পদ নিকটাত্মীয়দের মধ্যে বন্টন হবে। তবে ব্যক্তিগত উইল করে গেলে তখন উইল অনুসারে সম্পত্তি বন্টন করা হবে। অথবা উইল না করে গেলে ভারতীয় উত্তরাধিকার আইন অনুসারে সম্পত্তি ভাগ করা হবে ওয়ারিশগণের মধ্যে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>বিঃ দ্রঃ - এটি কোন আইনি উপদেশ না, এটি শুধু মাত্র সাধারণ জ্ঞানের জন্য। এখানের কিছু লেখা অন্য জায়গা থেকে নেওয়া হয়ে থাকতে পারে। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->","img":"https://wbinfo.in/public/images/blogs/1699043010.jpg","title":"ভারতে সম্পত্তি বিভাজন আইন"},"111":{"description":"<!-- wp:heading -->\n<h2>আইনগতভাবে বৈধ উত্তরাধিকারী সার্টিফিকেট কিভাবে পাবেন?&nbsp;</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>উত্তরাধিকার সার্টিফিকেট ২ ধাপে নেয়া যায়।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>১</strong><strong>ম</strong><strong> </strong><strong>ধাপঃ</strong>&nbsp;আপনাকে জেলা কোর্টের মাধ্যমে তহসিল অফিসারের কাছে উত্তরাধিকার সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করতে হবে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>২</strong><strong>য়</strong><strong> </strong><strong>ধাপঃ</strong>&nbsp;মাঠ পর্যায়ের সকল তদন্ত শেষে District Authority এর মাধ্যমে আপনার নামে উত্তরাধিকার সার্টিফিকেট ইস্যু করা হবে। কর্তৃপক্ষ উল্লিখিত ব্যক্তির সকল উত্তরাধিকারীর নামেই সার্টিফিকেট ইস্যু করা হবে।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>উত্তরাধিকারী সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য কি কি কাগজপত্র দরকার?&nbsp;</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>আসুন দেখে নি উত্তরাধিকার সার্টিফিকেট পেতে কি কি কাগজপত্র জমা দিতে হয়।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>১) মৃত ব্যক্তির নাম</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>২) পরিবারের সকল সদস্যের নাম ও সম্পর্ক।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>৩) আবেদনকারীর নাম।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>৪) আবেদনকারীর ঠিকানা।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>ভারতের উত্তরাধিকার আইনে স্ত্রীর অধিকার কি?&nbsp;</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>আমরা অনেকেই জানি না, ভারতের উত্তরাধিকার আইনে স্ত্রীর অধিকার কতটুকু। আসুন দেখে নিই, এ সম্পর্কিত তথ্য। ভারতের উত্তরাধিকার আইনে স্বামী পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া সম্পদের উপর স্ত্রীর কোন মালিকানা থাকে না। তবে স্বামীর কেনা সম্পত্তি বা অন্য কোন সূত্রে পাওয়া সম্পত্তিতে অধিকার রয়েছে। সেই সাথে বিধবা মা, তার পুত্রের সম্পদেরও উত্তরাধিকার হবার বিধান রয়েছে।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>ভারতের উত্তরাধিকার আইনে দত্তক নেয়া সন্তানের অধিকার কি?&nbsp;</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>ভারতীয় উত্তরাধিকার আইনে দত্তক নেয়া সন্তানের সম্পদের অধিকার অন্যান্য সন্তানের মতই থাকে। এতে করে সে স্বাভাবিক সন্তানের মতই সকল সম্পত্তির উত্তরাধিকারীর অধিকার পায়।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>ভারতের উত্তরাধিকার আইনে কন্যা সন্তানের অধিকার নিয়ে কি বলা হয়েছে?&nbsp;</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>অতীতে ভারতের উত্তরাধিকার আইনে কন্যাদের অধিকার ছিলো না। শুধুমাত্র অবিবাহিত কন্যাগন সম্পত্তির ভাগিদার হতো। কিছু ২০০৫ সালের আইনের পর থেকে কন্যা সন্তান ও পুত্রদের মতই সম্পদের ভাগীদার হয়ে থাকে।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>ভারতের উত্তরাধিকার আইনে শিশুদের অধিকার কি?&nbsp;</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>ভারতের উত্তরধিকার আইনে কোন ছেলের বাবার মৃত্যু হলে, সে তার বাবার উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া সম্পদের মালিকানা পাবে।&nbsp; উক্ত মৃত ব্যাক্তির নিজে ক্রয় করা সম্পত্তি থাকলে সেই সম্পত্তিতে তার মা, বোনদের সমান অধিকার থাকবে।&nbsp;তবে, দত্তক নেয়া সন্তান তার জন্ম দেয়া বাবা মায়ের সম্পদের উত্তরাধিকার হবে না। সেই সাথে দত্তক নেয়ার আগেই যদি কোন সন্তান সম্পদের মালিক হয়ে যায়, তাহলে সেই সম্পদের মালিকনা বহাল থাকবে।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>ভারতের আইনে ব্যক্তির কি কি ধরনের সম্পত্তি থাকতে পারে?&nbsp;</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>ভারতের আইনে ব্যক্তির সম্পত্তিকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়েছে।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>১) নিজের অর্জিত সম্পত্তিঃ ব্যক্তির পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া নয় এমন সম্পত্তিকে নিজের অর্জিত সম্পত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>২) যৌথ পরিবার সূত্রে পাওয়া সম্পত্তিঃ পরিবার থেকে পাওয়া সম্পত্তি।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>৩) ভিন্ন সূত্রে পাওয়া সম্পত্তিঃ পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া নয়, অন্য বংশের সম্পদ পাওয়াকে ভিন্নসূত্রে পাওয়া সম্পত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>বিঃ দ্রঃ - এটি কোন আইনি উপদেশ না, এটি শুধু মাত্র সাধারণ জ্ঞানের জন্য। এখানের কিছু লেখা অন্য জায়গা থেকে নেওয়া হয়ে থাকতে পারে। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->","img":"https://wbinfo.in/public/images/blogs/1699043012.jpg","title":"ভারতের উত্তরাধিকার আইনের ব্যাপারে জানুন"},"112":{"description":"<!-- wp:paragraph -->\n<p>সম্পত্তির কাগজ হারিয়ে গেলে ঐ সম্পত্তি বিক্রি করা বা হস্তান্তর করা অত্যন্ত কঠিন ব্যপার হয়ে দাঁড়ায়। তাই আমাদের সবাইকে এ ব্যপারে জেনে রাখতে হবে। আমাদের সবারই জেনে রাখা উচিত যে, সম্পত্তির কাগজপত্র হারিয়ে গেলে তা কিভাবে ফিরে পাওয়া যায়। তা না হলে, হঠাৎ করে কেউ এমন পরিস্থিতিতে পড়লে তাকে দিশেহারা হয়ে পড়তে হবে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>এতে করে আপনাদের সবাই এই সম্পত্তির কাগজপত্র হারিয়ে যাওয়ার জটিলতা থেকে কিভাবে সহজেই পরিত্রান পাওয়া যায়, তা নিয়ে জানতে পারবেন এবং খুব সহজেই এই সমস্যার মোকাবেলা করতে পারবেন। আসুন জেনে নিই, সম্পত্তির কাগজপত্র হারিয়ে গেলে কিভাবে তা ফিরে পাওয়া যায়।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>সম্পত্তির কাগজপত্র হারিয়ে গেলে করনীয়</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>সম্পত্তির কাগজ ছাড়া ঐ সম্পত্তি বিক্রি করা বা হস্তান্তর করা যায় না। তাই এই সম্পত্তির কাগজের নকল কপি বের করতে হয়, এই নকল কপি বের করা কখনোই সহজ ব্যপার নয়। এই নকল কপি বের করা অনেক ব্যয় সাপেক্ষ এবং এর প্রক্রিয়া অনেক জটিল। আজ আপনাদের জন্য খুব সহজভাবে কিভাবে কিছু ধাপের মাধ্যমে এই কাগজপত্রে নকল কপি বের করা যায় তা আলোচনা করবো। এতে করে অনেক সম্পত্তির কাগজপত্র হারিয়ে ফেলা ভুক্তভোগী এই সকল প্রক্রিয়ায় নকল কপি বের করে, সম্পত্তি বিক্রি বা হস্তান্তরের ব্যবস্থা করতে পারে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>আসুন দেখে নি, কি কি প্রক্রিয়ায় সম্পত্তির হারানো কাগজপত্রের নকল কপি বের করা যায়।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>তাৎক্ষনিকভাবে থানায় জানান</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>আপনার সম্পত্তির কাগজপত্র হারিয়ে গেলে আপনার প্রথম কাজই হবে নিকটস্থ থানায় আপনার হারিয়ে যাওয়া কাগজপত্রের কথা জানিয়ে ফাইল করা। থানায় গিয়ে FIR(First Investigation Report) এর মাধ্যমে সম্পত্তির মালিক কোন কোন কাগজপত্র হারিয়েছে তা লিখিতভাবে জানিয়ে রাখতে হবে। এই FIR শুধুমাত্র যার সম্পত্তির কাগজপত্র হারিয়েছে, শুধুমাত্র তিনিই করতে পারবেন। FIR এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে, আপনার কোন কোন কাগজপত্র হারিয়েছে, কিভাবে হারিয়েছে। FIR করার পর FIR এর কপি খুব যত্ন করে আপনার কাছে সংরক্ষন করতে হবে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেয়া</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>FIR নিবন্ধন করার পর, আপনার হারানো কাগজপত্রের বিষয়ের আপনাকে স্থানীয় পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতে হবে। বিজ্ঞাপনে হারানো কাগজপত্রের সকল তথ্য উল্লেখ করতে হবে। বিজ্ঞাপন প্রকাশের পর কেউ হারানো কাগজপত্র নিয়ে রিপোর্ট করে কিনা তার জন্য ১৫ দিন অপেক্ষা করতে হবে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>নোটারি পাবলিক করা</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রকাশের ১৫ দিন পর নোটারি পাবলিক করা হারানো কাগজপত্র বিষয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন বিষয়। আপনার করা FIR এর কপি এবং পত্রিকার বিজ্ঞাপন সংযুক্ত করে আপনাকে নির্ধারিত স্টাম্প ফি জমা দিয়ে নোটারি পাবলিকের জন্য আবেদন করতে হয়। নোটারির মাধ্যমে আপনার আবেদন নিবন্ধিত হবে এবং&nbsp;আইনি ভিত্তি লাভ করবে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>কাগজপত্রের নকল কপি নেয়া</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>এটি হারানো কাগজপত্র ফিরে পাবার সর্বশেষ প্রক্রিয়া। আপনি আপনার হারানো কাগজপত্র সংক্রান্ত FIR এর কপি, পত্রিকায় বিজ্ঞাপনের কপি, নোটারী পাবলিকের নিবন্ধিত স্টাম্প সহকারে কাগজপত্রের নকল কপি উঠানোর জন্য রেজিস্টার অফিসে আবেদনপত্র জমা দিতে হবে। এই আবেদনপত্রের সাথে নকল কাগজপত্র তোলার জন্য নির্ধারিত ফি জমা দিতে হবে। এই সকল প্রক্রিয়া অনেকটা ব্যয়বহুল ও সময় সাপেক্ষ্য হলেও এই পদ্ধতিতে আপনি আপনার সম্পত্তির হারানো কাগজপত্রের নকল কপি পেতে পারেন। যাতে করে আপনি পরবর্তীতে এই সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে কোন প্রকার হয়রানি মুক্ত থাকবেন। যদিও এইরুপ কাগজপত্র দিয়ে ব্যাংক লোন করা কঠিন, তবুও অন্যান্য সকল কাগজপত্র সাথে থাকলে ব্যাংক কতৃপক্ষ ও এই সম্পত্তিতে লোন দেয়া মঞ্জুর করে থাকে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>বিঃ দ্রঃ - এটি কোন আইনি উপদেশ না, এটি শুধু মাত্র সাধারণ জ্ঞানের জন্য। এখানের কিছু লেখা অন্য জায়গা থেকে নেওয়া হয়ে থাকতে পারে। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->","img":"https://wbinfo.in/public/images/blogs/1699043015.jpg","title":"সম্পত্তির কাগজপত্র হারিয়ে গেলে কি করবেন?"},"496":{"description":"<!-- wp:paragraph -->\n<p>জমি বা প্লট&nbsp;কেনার আগে কিছু বিষয় মাথায় রাখলে আপনি খুব সহজেই প্রতারণার থেকে হাত থেকে রক্ষা পেতে পারবেন। আজ আমরা আপনাদের সাথে জমি কেনার ব্যাপারে কি কি বিষয় দেখে নিতে হবে তার বিস্তারিত নিয়ে আলোচনা করবো।&nbsp;&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>জমি কেনার আগে কি কি টিপস জানা দরকার?</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>আমরা বসবাসের জন্য বা কাজের প্রয়োজনে জমি বা ফ্ল্যাট কিনে থাকি। তাই ওই স্থানটি যেন ঝামেলাবিহীন হয়, সে দিকেও খেয়াল রাখতে হয়। কারণ এতে পরিবারে সুখ-সমৃদ্ধি বা দুঃখ-দুর্দশা জড়িত থাকে। তাই জমি বা ফ্ল্যাট কেনার আগে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় খেয়াল রাখা অতি জরুরি। আসুন দেখে নিই জমি কেনার আগে কি কি বিষয় খুবই দরকারী।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>১. বিক্রেতার আইনসঙ্গত&nbsp;দখল এবং তা হাতেনাতে&nbsp;তদন্ত করে যাচাই করাঃ</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>এটাই মিলিয়ন ডলার কোশ্চেন।&nbsp; জমির মালিকানার জন্য শুধুমাত্র নিছক দখল অথবা মৌখিক দাবিই যথেস্ট নয়।&nbsp; নানানভাবে আপাতদৃষ্টিতে সঠিক মালিকানাও সঠিক নাও হতে পারে। জমির মালিকানা জনিত সমস্যার কয়েকটি উদাহরণ হলঃ</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>– প্রকৃতপক্ষে মালিক হলেও মালিকানার স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ঘাটতি</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>– প্রকৃতপক্ষে মালিক কিন্তু সরকারী রেকর্ডে ভুল তথ্য</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>– মালিকানার অন্য উত্তরাধীকারী রয়েছে।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>– সঠিক মালিক কিন্তু পূর্ববর্তী বিক্রেতা ঝামেলা করেছিল</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>– সরকারি বা দখল করা জমি</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>– সীমানা নিয়ে বিরোধ আছে</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>– জমি কোন&nbsp;ব্যাংকে বন্ধক রাখা আছে&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>– জমি ইতিমধ্যে আরেক ক্রেতার কাছে বায়না বা বেচা হয়ে গেছে</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>– কাউকে না জানিয়ে বিক্রি করে দিচ্ছে</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>জমি কেনার আগে অবশ্যই এই বিষয়গুলো যাচাই করবেন। কোন&nbsp;সমস্যা&nbsp;পেলে সেই জমি কিনবেন না।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>২. সরকারি ভূমি অফিসের রেকর্ড অনুসারে&nbsp;প্রকৃত মালিকানার স্বচ্ছতাঃ</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>জমির মালিকানা প্রমাণের জন্য খুবই ছোট একটা স্লিপ লাগে। এটা হলো খাজনা রশিদ বা ল্যান্ড&nbsp;ট্যাক্স&nbsp;রিসিপ্ট। ভূমি ও জমির মালিকরা তহশীলদার অফিসে গিয়ে প্রতি বছরে একবার করে সরকারি রাজস্বে খাজনা দেন। এ রশিদ তারই প্রমাণ।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>একটি জেলা ভূমি অফিসের আন্ডারে ১০ থেকে ১২ টি ইউনিয়ন ভূমি অফিস থাকে। সেখানে তহশীলদার বসে। সকল ইউনিয়নের ট্যাক্সের জমা রাখা এবং হালনাগাদ তার হাতেই। সিটি এলাকায় কর্পোরেশনের হোল্ডিং ট্যাক্স রিসিপ্ট মালিকানার বড় দলিল।&nbsp; তবে এ রিসিপ্টই শেষ কথা না। এটার সূত্র ধরে আপনি জমির ইতিহাসও জানতে পারবেন।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>৩. রেজিস্ট্রেশন অফিসের তালিকায় মালিকানার চেইন দলিলঃ&nbsp;</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>সকল ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত বিক্রেতা তিনভাবে জমির মালিক হতে পারে। এগুলো হল – নিজে ক্রয়, কারো দান বা সম্পদের বাটোয়ার। আর এই ৩ টি ক্ষেত্রেই যথাযথ দলিল ও তার রেজিস্ট্রেশন থাকা লাগবেই। বাবার বা ভাই বোনের বাটোয়ারার দলিল না থাকার সম্ভাবনাই বেশি। আপনার উচিত এগুলো এড়িয়ে চলা।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>বিক্রেতাকে জিজ্ঞাসা করে এগুলো নিয়ে অবশ্যই যাচাই করবেন। সকল&nbsp;জমির তথ্য&nbsp;সরকারি রেজিস্ট্রি অফিসে থাকে। একটি জেলার ভিতরে উপজেলা, উপজেলার ভিতরে মৌজা এবং জমির দাগ নাম্বার।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>একটি মৌজায় একজন মালিকে্র এক বা একাধিক দাগে সকল জমির পরিমানের সনদই হল খতিয়ান। সকল ঝামেলা শেষে জমির মালিককে সরকারীভাবে মালিকানার ব্যাপারে এটা এক ধরনের ডিক্লারেশন সনদ। জমির কেনার আগে এটাও যাচাই করে নিতে ভুলবেন না।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>৪. জমির অবস্থান এবং আশেপাশের পরিবেশঃ</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>জমি কেনার সময় অবশ্যই আশেপাশের পরিবেশেও খেয়াল রাখবেন। আপনার জমিটা যাতে রাস্তার উপরেই হয়। জমির চারদিকে কত দূরত্বের মাঝে&nbsp;বাজার, স্কুল, দোকান,&nbsp;হাসপাতাল, ইত্যাদি আছে, খুব ভাল করে খোঁজ নিবেন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>উঁচু দেখে জমি কিনবেন যাতে বর্ষায় ডুবে না যায়। জমির অবস্থান যাতে কোন কল কারখানার পাশে না হয়, যাচাই করবেন।<br></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>জমি কিনতে গিয়ে আমরা প্রায়ই বিভ্রান্ত হই। অথচ এই সামান্য টিপসগুলো মাথা রাখলেই আমরা এগুলো সহজেই এড়াতে পারি।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>বিঃ দ্রঃ - এটি কোন আইনি উপদেশ না, এটি শুধু মাত্র সাধারণ জ্ঞানের জন্য। এখানের কিছু লেখা অন্য জায়গা থেকে নেওয়া হয়ে থাকতে পারে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p></p>\n<!-- /wp:paragraph -->","img":"https://wbinfo.in/public/images/blogs/1699100710.jpg","title":"নতুন জমি কেনার আগে এই তথ্যগুলি জেনে রাখুন।"},"841":{"description":"<!-- wp:paragraph -->\n<p>কমদামে কেনা জমি একটা সময়ের পর অনেক বেশি দামে বিক্রি করে মানুষ&nbsp;টাকা&nbsp;আয় করতে পারে। এভাবে অনেকেই জমি কিনে লাভবান হয়ে থাকেন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>কিন্তু&nbsp;সমস্যা&nbsp;হলো&nbsp;ভারতের&nbsp;আইন&nbsp;অনুযায়ী জমি বিক্রি করে সরকারকে একটা নির্দিষ্ট পরিমানে&nbsp;ট্যাক্স&nbsp;দিতে হয়।&nbsp;আপনি জমি বিক্রি করে লাভবান হলে আপনাকে ভারতীয় সরকারকে ট্যাক্স দিতে হবে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>কি কি উপায়ে আমরা জমি কেনার সময় ট্যাক্স দেয়া থেকে বাঁচতে পারি?</strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>বিভিন্ন উপায়ে জমি কেনার সময় ট্যাক্স দেয়া থেকে বাঁচতে পারি। এসকল উপায় ব্যবহার করে আমরা বিপুল পরিমান ট্যাক্সের হাত হতে রক্ষা পেতে পারি।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>নিচে আপনার এসকল কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করছি।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>জমি বিক্রির টাকায় বন্ড কিনে বিনিয়োগ করা</strong><br>আপনি জমি বিক্রির টাকায় বন্ড কিনে বিনিয়োগ করতে পারবেন। ভারতীয় আয়কর আইন ১৯৬১ অনু্যায়ী আপনি বন্ডে বিনিয়োগ করলে ট্যাক্স মার্জনা পাবেন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>তবে মনে রাখতে হবে যে আপনি প্রতিবছর সর্বোচ্চ ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বন্ড কিনে এই ট্যাক্স ছাড় সুবিধা নিতে পারবেন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>সেকশন 54F অনুযায়ী কোন আবাসিক সম্পত্তি কেনা বা নির্মান করা হলে</strong><br>পুরোনো বাড়ি বিক্রি করে নতুন বাড়ি কেনা একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। অনেকেই নতুন বাড়ি কেনার সময় তার পুরোনো বাড়ী বিক্রি করে থাকেন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>এতে করে পুরোনো বাড়ি বিক্রি করে অর্থ পাওয়া যায়। তাই বাড়ি বিক্রি করার সময় কিছু নিয়ম মেনে চললেই আপনি ট্যাক্স দেয়া হতে রক্ষা পেতে পারেন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>১) জমি বিক্রি থেকে পাওয়া টাকায় অন্য বাড়ি কিনলে বা নির্মান করলে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>২) পুরোনো বাড়ি বিক্রির ১ বছর আগে অথবা ২ বছর পরে নতুন বাড়ি ক্রয় করলে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>৩) নতুন বাড়িটি পুরোনো বাড়ি বিক্রির ৩ বছরের মাঝে ক্রয় করতে হবে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>৪) জমি বিক্রির টাকা দিয়ে মাত্র একটি বাড়ি কেনা বা নির্মান করতে হবে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>৫) নতুন বাড়ি কেনার পর ৩ বছর পর্যন্ত ঐ বাড়ি বিক্রি করা যাবে না।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>৬) জমির বিক্রয় মূল্য থেকে নতুন বাড়ির ক্রয় মূল্য কম হলে বাকি টাকা আপনি ভারতের আয়কর অনুযায়ী (54EC) ৬ মাসের মধ্যে অন্য কোথাও বিনিয়োগ করতে হবে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>৭) আপনার ক্রয়কৃত সম্পদ অবশ্যই ভারতের সীমানার অভ্যন্তরে হতে হবে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>জমি বিক্রি করা টাকা ব্যাংকে বিনিয়োগ করা যেতে পারে</strong><br>আপনি যদি আপনার জমি বিক্রি করার পর পরই কোথাও বাড়ি কিনতে না পারেন, তাহলে আপনি ঐ টাকা ভারতের কোন পাবলিক সেক্টরের ব্যাংকে রাখতে পারেন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>তবে সর্বোচ্চ ৩ বছর আপনি ঐ টাকা হতে ট্যাক্স ছাড় পাবেন। এই ৩ বছরের মাঝে আপনি নতুন বাড়ি নির্মান শুরু করতে পারলে ঐ টাকায় আর ট্যাক্স দিতে হবে না।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>অন্যথায় বাড়ি নির্মান করতে না পারলে আপনাকে ২০% ট্যাক্স দিতে হবে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>কৃষিজমি বিক্রি করা আয় ট্যাক্সের আওতামুক্ত</strong><br>আপনি কৃষি জমি বিক্রি করে আয় করলে তা ভারতের আয়কর আইন ১৯৬১ অনুযায়ী ট্যাক্সের আওতা মুক্ত থাকবে তবে তা সিটি কর্পোরেশন, ক্যান্টেনম্যান্ট বা পৌরসভা থেকে সর্বনিম্ন ৮ কিলোমিটার দূরে হতে হবে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>এভাবে নানা পদ্ধতি অনুসরন করেই আমরা আমাদের জমি বিক্রির টাকা থেকে প্রাপ্ত আয় ট্যাক্স ছাড় পেতে পারি। আগামীতে আরো কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো, তাই আমাদের পেজে নিয়মিত চোখ রাখুন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>বিঃ দ্রঃ - এটি কোন আইনি উপদেশ না, এটি শুধু মাত্র সাধারণ জ্ঞানের জন্য। এখানের কিছু লেখা অন্য জায়গা থেকে নেওয়া হয়ে থাকতে পারে। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p></p>\n<!-- /wp:paragraph -->","img":"https://wbinfo.in/public/images/blogs/1699102404.jpg","title":"জমি বিক্রি করার সময়  ট্যাক্স কিভাবে বাঁচাবেন? Save taxes when selling a land"},"842":{"description":"<!-- wp:paragraph -->\n<p>এরই ধারাবাহিকতায় আজ আমরা আপনাদের সাথে ভাড়াটে কখনো সম্পত্তির মালিক হতে পারে কিনা তা নিয়ে আলোচনা করবো। এর ফলে আপনারা ভাড়াটিয়ার অধিকার সম্পর্কে ভালো ভাবে জানতে পারবেন। সেই সাথে কি কি কারণে ভাড়াটিয়া সম্পত্তির মালিকানা দাবি করতে পারবে, তা সম্পর্কে জানতে পারবেন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>আসুন দেখে নিই, ভারতীয় আইনে ভাড়াটিয়ার কি কি অধিকার রয়েছে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading {\"level\":6} -->\n<h6><strong>মৌখিক চুক্তি না করা</strong></h6>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>কোন বাড়ির মালিক যদি, শুধুমাত্র মৌখিক চুক্তিতে বাড়ি ভাড়া দিয়ে চায় তাহলে ভাড়াটিয়ার ঐ মৌখিক&nbsp;চুক্তি&nbsp;না করা অধিকার আছে। বাড়ি ভাড়ার চুক্তি লিখিত হওয়া এবং ওই চুক্তিতে বাড়ি ভাড়ার সময়সীমা উল্লেখ থাকা বাঞ্চনীয়।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading {\"level\":6} -->\n<h6><strong>বাড়িতে শান্তিপূর্ন ভাবে দখল পাওয়া</strong></h6>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>ভাড়াটিয়া তার ভাড়া করা বাড়িতে শান্তিপূর্নভাবে দখল পাবার অধিকার রাখেন। ভাড়া দেয়ার পর ঐ বাড়িতে বাড়ির মালিক প্রবেশ করতে চাইলেও অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করা উচিত। ভাড়া করা বাড়িতে কেউ অযথা বিরক্ত করা ঠিক না। এমনকি বাড়ির মালিকও ভাড়াটিয়াকে বিরক্ত করতে পারবে না।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading {\"level\":6} -->\n<h6><strong>সময়ের আগেই ভাড়াটিয়াকে বাড়ি ছাড়তে বাধ্য না করা</strong></h6>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>বাড়ির মালিক চাইলেই ভাড়াটিয়াকে বাড়ি ছাড়তে বাধ্য করতে পারবে না। বাড়ি ভাড়ার চুক্তি অনুসারে, ভাড়াটিয়াকে নির্দিষ্ট সময়ের আগেই বাড়ি ছাড়টে বাধ্য করা বেআইনি। বাড়ির মালিকের বাড়ির প্রয়োজন হলে, ভাড়াটিয়াকে নতুন বাড়ি খুঁজে নেয়ার জন্য কমপক্ষে ১ মাস সময় দিতে হবে।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading {\"level\":6} -->\n<h6><strong>ভাড়াটিয়ার জমাকৃত অর্থ ফেরত পাওয়া</strong></h6>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>অনেক সময় বাড়ি ভাড়া করার সময় বাড়ির মালিকের কাছে অর্থ জমা রাখতে হয়। বাড়ি ছেড়ে চলে যাবার সময় বাড়ির মালিক অবশ্যই তার জমাকৃত অর্থ ফেরত দিতে হবে। কোন ভাবেই এই&nbsp;টাকা&nbsp;রাখা যাবে না।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading {\"level\":6} -->\n<h6><strong>ইচ্ছামত বাড়িভাড়া না বাড়ানো</strong></h6>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>বাড়ির মালিক চাইলেই প্রতিবছর বাড়ি ভাড়া বাড়াতে পারবেনা। বাড়ি ভাড়া নিয়ে চুক্তিবদ্ধ সময়ের মাঝে বাড়ি ভাড়া বাড়ানো যাবে না। বাড়ি ভাড়া বাড়ানো নিয়ে সরকার নির্ধারিত আইন অনুসারে ভাড়া বাড়ানো যেতে পারে।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading {\"level\":6} -->\n<h6><strong>বাড়ি ভাড়ার সময় চুক্তির সময়সীমা বাড়ানো</strong></h6>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>কোন বাড়ির মালিক চুক্তিবদ্ধ সময় শেষ হবার পরেও আবার চুক্তি করার জন্য চাপ প্রয়োগ করতে পারবে না। ভাড়াটিয়ার ইচ্ছা হলে নতুন চুক্তির প্রস্তাব দেবে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading {\"level\":6} -->\n<h6><strong>বাড়ির জল, গ্যাস, ইলেক্ট্রিসিটি সরবরাহ বন্ধ না করা&nbsp;</strong></h6>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>বাড়ির মালিক তার ইচ্ছামত ভাড়াটিয়ার জল, ইলেক্ট্রিসিটি, টেলিফোন ইত্যাদি সেবা বন্ধ করতে পারবে না। কোন কারণে বন্ধ করা লাগলে তা পূর্বেই জানাতে হবে।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading {\"level\":6} -->\n<h6><strong>ভাড়াটিয়া কি বাড়ির মালিকানা দাবি করতে পারে?</strong>&nbsp;</h6>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>ভারতীয় আইন অনুযায়ী বাড়ির ভাড়াটিয়া ঐ বাড়ির মালিকানা দাবি করতে পারবে, যদি গত ১২ বছর সময়ের মাঝে ভাড়াটিয়া ভাড়া না দিয়ে থাকে এমন পরিস্থিতি হয় তাহলে ভাড়াটিয়া ঐ বাড়ির মালিকানা দাবি করতে পারবে। তার মানে, কোন ভাড়াটিয়া ১২ বছর পর্যন্ত ভাড়া না দিলে সে ওই বাড়ির মালিকানা দাবি করতে পারবে।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>বিঃ দ্রঃ - এটি কোন আইনি উপদেশ না, এটি শুধু মাত্র সাধারণ জ্ঞানের জন্য। এখানের কিছু লেখা অন্য জায়গা থেকে নেওয়া হয়ে থাকতে পারে। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->","img":"https://wbinfo.in/public/images/blogs/1699102405.jpg","title":"ভাড়াটে কি কখনও বাড়ির মালিক হয়ে উঠতে পারেন?"},"843":{"description":"<!-- wp:paragraph -->\n<p>কৃষিজমি কেনার ক্ষেত্রে সবকিছু বুঝে শুনে জমি না কিনলে অনেক সময় জমি বেহাত হয়ে যায়।&nbsp;টাকা&nbsp;গচ্ছা যাবার পরেও জমি মেলে না। এর মূল কারণ হলো, জমি কেনার সময় ভালো ভাবে এর&nbsp;আইনি দিকগুলি যাচাই করে না দেখা। এই দূর্বলতার সুযোগ নিয়ে অনেক প্রতারক মানুষকে জমি বিক্রি করে হয়রানির মুখে ফেলে। তাই, আমাদের সবার উচিত কৃষি জমি কেনার আগে এর আইনি সকল বিষয় ভালো ভাবে খতিয়ে দেখা।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2>কৃষি জমি কেনার আগে আগে এই সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখুন। &nbsp;</h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>১) জমির মৌজা, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর, উক্ত দাগে জমির পরিমান জানতে হবে। ঐ মৌজা নাম্বার, খতিয়ান নাম্বার জমির দলিলের সাথে মিলে কিনা খতিয়ে দেখতে হবে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>২) সরকারী&nbsp;নিবন্ধিত রেকর্ড&nbsp;বা খতিয়ান কার নামে আছে।খতিয়ানে অন্য কারো নামে থাকলে ঐ জমি কেনা যাবে না।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>৩) বিক্রেতার কাছ থেকে সংগৃহিত দলিল, খতিয়ান ইত্যাদি কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসে গিয়ে মিলিয়ে দেখতে হবে।অনেক সময় প্রতারক চক্র জাল দলিল বানিয়ে জমি বিক্রি করার চেষ্টা করে থাকে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>৪) বিক্রেতার নামে জমিটি মিউটেশন করা আছে কিনা।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>৫) জমি খতিয়ান অনুযায়ী নকশা ঠিক আছে কিনা।জমির খতিয়ানে উল্লেখিত বিবরন নকশার সাথে না মিললে ঐ জমি কেনায় ঝামেলা হতে পারে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>৬) জমি বিক্রেতা ক্রয়সুত্রে জমির মালিক হয়ে থাকলে তার ক্র্য়দলিল রেকর্ডের সাথে মিলে কিনা দেখে নিতে হবে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>৭) জমি বিক্রেতা উত্তরাধিকার সূত্রে মালিক হয়ে থাকলে সর্বশেষ খতিয়ানে তার যোগসূত্র নিশ্চিত হতে হবে। সর্বশেষ খতিয়ানে পূর্বের মালিকের নাম থাকতে হবে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>৮) উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া জমি বিক্রেতার শরিকদের সাথে সম্পত্তি ভাগাভাগির বন্টননামা দেখে নিতে হবে।বন্টননামায় বিক্রেতা কতটুকু সম্পত্তির মালিক হবে তা বর্তমান জমির সাথে মিলিয়ে দেখতে হবে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>৯) উক্ত জমির সর্বশেষ&nbsp;খাজনা&nbsp;দাখিলের রশিদ যাচাই করতে হবে। জমির খাজনা বকেয়া থাকলে আর বকেয়া খাজনা সহ জমি কেনা হলে পুর্ববর্তী সকল খাজনা মেটানোর দায় ক্রেতার। তাই জমি কেনার আগে খাজনা বকেয়া আছে কিনা দেখে নিতে হবে।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>১০) বিবেচ্য জমিটি সরকারী অধিগ্রহনের জন্য নোটিশকৃত কিনা তা ভূমি অফিস থেকে জেনে নিতে হবে।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>১১) বিবেচ্য জমিটি ঋনের দায়ে কোন&nbsp;ব্যাংকের কাছে দায়বদ্ধ কিনা জেনে নিতে হবে।&nbsp;&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>১২) জমিটি বিক্রেতার দখলে আছে কিনা জেনে নিতে হবে। দখলে না থাকলে ঐ জমি দখল পেতে অনেক ঝক্কি ঝামেলা পোহাতে হয়।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>১৩) জমিটির কোন মামলা আছে কিনা, কখনো নিলাম হয়েছে কিনা তা জেনে নিতে হবে। মামলা চলাকালীন অবস্থায় জমি বিক্রয়যোগ্য নয়।&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>বিঃ দ্রঃ - এটি কোন আইনি উপদেশ না, এটি শুধু মাত্র সাধারণ জ্ঞানের জন্য। এখানের কিছু লেখা অন্য জায়গা থেকে নেওয়া হয়ে থাকতে পারে। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->","img":"https://wbinfo.in/public/images/blogs/1699102406.jpg","title":"কৃষিজমি কেনার ক্ষেত্রে কিছু জরুরী বিষয় যা খতিয়ে দেখা দরকার"},"845":{"description":"<!-- wp:paragraph -->\n<p>আপনাদের সুবিধার জন্য নিচে জমিতে বিনিয়োগের লাভ লোকসান নিয়ে কিছু বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করছি।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>মোট বিনিয়োগের পরিমান কেমন?&nbsp;</strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>আপনাকে জমিতে বিনিয়োগের লাভ লোকসান হিসাব করার সময় সবার আগে বিবেচনায় আনতে হবে মোট কি পরিমান&nbsp;টাকা&nbsp;বিনিয়োগ করা হয়েছে। আপনি যদি কেনা সম্পত্তি হয় তাহলে অবশ্যই বিনিয়োগের পরিমান বেশি হবে, অন্যদিকে ভাড়া&nbsp;সম্পত্তি&nbsp;হলে আপনার বিনিয়োগ কম হবে। তাই আপনার বিনিয়োগ যত বেশী হবে আপনাকে তত বেশী লাভ করতে হবে। এজন্য জমিতে বিনিয়োগে লাভ লোকসান আপনার বিনিয়োগের পরিমানের উপর অনেকটাই নির্ভর করে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading {\"level\":6} -->\n<h6>&nbsp;</h6>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>আপনার বর্তমান অবস্থার সাথে নতুন বিনিয়োগের বিবেচনা করা</strong><br>আপনি হয়তো একটি ভাড়া বাসায় থাকেন। নতুন একটি ফ্লাট কিনলে আপনি ঐ বাসায় থাকতে পারবেন, এতে করে আপনার বিদ্যমান বাসা ভাড়া দরকার হবে না। তাই আপনাকে বিনিয়োগের পরিমান এবং বিনিয়োগের ফলে কত টাকা বাচলো তার হিসেব করতে হবে। এভাবে আপনি আপনার বিনিয়োগের লাভ বা লোকসান হিসেব করতে পারবেন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading {\"level\":6} -->\n<h6></h6>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>অন্য বিনিয়োগের লাভ লোকসান বিবেচনা করা</strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>আপনি একই সময়ে অন্য বিনিয়োগে কি পরিমান লাভবান হচ্ছেন সেটা বিবেচনায় আনতে হবে। আপনি যদি একই পরিমান বিনিয়োগে জমি ও অ্যাপার্টমেন্ট কিনেন, এবং জমি থেকে আয় ৫০,০০০ টাকা ও অ্যাপার্টমেন্ট হতে আয় ৩০,০০০ টাকা। তাহলে জমিতে বিনিয়োগ করে লাভ হলো, ২০,০০০ টাকা। এভাবে অন্য বিনিয়োগের সাথে বিবেচনা করে জমিতে লাভ লোকসান বের করা যায়।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>আয়ের সাথে অন্য ব্যয় বেড়ে যাওয়া</strong><br>অনেক সময় আপনার জমি থেকে প্রাপ্ত আয়ের কারণে আপনার উপর সরকারের আয়করের পরিমান বেড়ে যেতে পারে। আপনার বাড়তি আয়ের কারণে আপনি আয়কর প্রদানের এক শ্রেনী থেকে অন্য শ্রেনীতে চলে যেতে পারেন। এভাবে আপনার ব্যয় বেড়ে যেতে পারে। এতে করে আপনার লসের সম্ভাবনা থাকতে পারে। তাই আপনাকে এই সকল অন্যান্য ব্যয় বিবেচনায় এনে লাভ লোকসানের হিসাব করতে হবে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>জমিতে বিনিয়োগের ফলে খরচ কতটা বাড়লো?</strong><br>আপনি জমিতে বিনিয়োগ করলে অনেক সময় আয় তেমন না বাড়লেও নিয়মিতভাবে সরকারকে ট্যাক্স দিতে হয়। তাই আপনাকে নিয়মিতভাবে ট্যাক্স দেয়ার কথা বিবেচনায় নিয়ে জমিতে বিনিয়োগের লাভ লোকসান হিসাব করতে হবে। আপনাকে হিসাব করতে হবে, কোন জমিতে ট্যাক্স কেমন, জমির বিনিয়োগ কেমন? এসব মাথায় রেখে জমির বিনিয়োগের লাভ ক্ষতি হিসেব করতে হবে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>বিঃ দ্রঃ - এটি কোন আইনি উপদেশ না, এটি শুধু মাত্র সাধারণ জ্ঞানের জন্য। এখানের কিছু লেখা অন্য জায়গা থেকে নেওয়া হয়ে থাকতে পারে। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><br><br></p>\n<!-- /wp:paragraph -->","img":"https://wbinfo.in/public/images/blogs/1699102407.jpg","title":"জমিতে বিনিয়োগ করার ক্ষেত্রে লাভ এবং লোকসান এর ব্যাপারে জানুন।"},"847":{"description":"<!-- wp:paragraph {\"align\":\"left\"} -->\n<p class=\"has-text-align-left\">জমি কেনার সময় সঠিক কাগজপত্র না বুঝে নিতে পারলে অনেক সময় কষ্টের টাকায় কেনা জমি শেষ পর্যন্ত বেহাত হয়ে যায়। তখন সীমাহীন কষ্ট নিয়ে দীর্ঘশ্বাস ফেলতে হয়। এসব দেখে অনেকেই সাধ্য থাকলেও নানা ঝামেলায় পড়ার ভয়ে জমি কিনতে সাহস পান না। তাই আমাদের সবারই জমি কেনার সময় কি কি কাগজপত্র দেখে নিতে হয় সে সম্পর্কে জানা উচিত।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph {\"align\":\"left\"} -->\n<p class=\"has-text-align-left\">১) প্রথমেই দেখে নিতে হবে জমির বিক্রেতা ও জমির দলিলের মালিক একই ব্যক্তি কিনা। যদি একই ব্যক্তি না হয় তবে তাদের মাঝে সম্পর্ক কি ? তাদের মাঝে কোন চুক্তি আছে কিনা? এসব ভালো করে লক্ষ্য করবেন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph {\"align\":\"left\"} -->\n<p class=\"has-text-align-left\">২) জমির রেকর্ড যাচাই করে নিন। জমিটি সরকারে কাছে ঐ বিক্রেতার নামেই লিপিবদ্ধ আছে কিনা সেটা খুবই গুরুত্বপূর্ন বিষয় । তাই দেখে নিন জমির রেকর্ড কার নামে লিপিবদ্ধ রয়েছে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph {\"align\":\"left\"} -->\n<p class=\"has-text-align-left\">৩) বিক্রেতার নামে মিউটেশন করা আছে কিনা দেখে নিতে হবে। জমি মিউটেশন ছাড়া বিক্রেতা সঠিকভাবে রেজিস্ট্রি করে দিতে পারবে না।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph {\"align\":\"left\"} -->\n<p class=\"has-text-align-left\">৪) জমি লিজে নেয়া কিনা তা দেখে নিতে হবে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph {\"align\":\"left\"} -->\n<p class=\"has-text-align-left\">৫) জেনে নিতে হবে ঐ জমি কোথাও বন্ধক আছে কিনা।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph {\"align\":\"left\"} -->\n<p class=\"has-text-align-left\">৬) জমি বিক্রেতার স্বত্ব ভালো ভাবে যাচাই করুন। দেখে নিন তার কাছে জমি কিভাবে এসেছে। বিক্রেতা ক্রয়সূত্রে, উত্তরাধিকার সূত্র বা দানপত্রের মাধ্যমে জমির মালিক হতে পারে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph {\"align\":\"left\"} -->\n<p class=\"has-text-align-left\">৭) জমির আসল দলিল দেখে নিতে হবে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph {\"align\":\"left\"} -->\n<p class=\"has-text-align-left\">৮) জেনে নিন এই জমির উপর সরকারী কোন নিষেধাজ্ঞা আছে কিনা। রেজিস্টার বা সাব রেজিস্টার অফিসে খোজ নিলেই এ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph {\"align\":\"left\"} -->\n<p class=\"has-text-align-left\">৯) সম্প্রতি দেয়া খাজনার রশিদ সংগ্রহ করে নেবেন । দেখে নিন জমির খাজনা কার নামে দেয়া হয়েছে। সঠিক ভাবে এই বিক্রেতার নামে দেয়া হয়েছি কিনা।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph {\"align\":\"left\"} -->\n<p class=\"has-text-align-left\">১০) জমি নিয়ে কোন মামলা আছে কিনা তা ভালো ভাবে জেনে নিতে হবে। এটা কোর্ট সার্স দিয়ে বের করতে হবে। সাধারনত ৩০ বছরের সার্চ করতে হয়।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph {\"align\":\"left\"} -->\n<p class=\"has-text-align-left\">১১) জমি কোন সড়কের পাশে হলে ভালোভাবে জেনে নিতে হবে এই জমিতে সরকারের কোন পরিকল্পনা আছে কিনা।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph {\"align\":\"left\"} -->\n<p class=\"has-text-align-left\">১২) জমি বায়না করা হলে বায়নার শর্তগুলি ভালোভাবে পড়ে নিতে হবে । দেখে নিতে হবে বায়নায় কি কি শর্ত লিখিত আছে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>বিঃ দ্রঃ - এটি কোন আইনি উপদেশ না, এটি শুধু মাত্র সাধারণ জ্ঞানের জন্য। এখানের কিছু লেখা অন্য জায়গা থেকে নেওয়া হয়ে থাকতে পারে। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->","img":"https://wbinfo.in/public/images/blogs/1699102408.jpg","title":"জমি কেনার আগে এই সমস্ত ডকুমেন্ট যাচাই করা জরুরী।"},"1465":{"description":"<!-- wp:paragraph -->\n<p>জমি কেনা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন বিষয়। সঠিক জায়গায় জমি কিনতে না পারলে আপনার পরিকল্পনা মত কিছুই সফল হবে না।তাই আমাদের জমি কেনার আগেই অনেক কিছু বিবেচনা করে জমি কিনতে হবে। দেখে নিতে হবে এই জমির ভবিষ্যতে আমাদের কি দিতে পারে। এই জমির আশেপাশের এলাকাই বা ভবিষ্যতে কি হবে। এসব অনেক বিষয়ের উপর নির্ভর করে জমি কেনার সিদ্ধান্ত নিতে হয়। আসুন দেখে নি জমি কেনা নিয়ে কিছু পরামর্শ। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>১)</strong> <strong>জমির উচ্চতা কেমন তা দেখেনিন</strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>জমি কেনার আগেই আপনাকে দেখতে হবে জমির উচ্চতা কেমন। জমি খুব গভীর হলে আপনার জন্য খুব একটা লাভজনক হবে না। অন্যদিকে জমি উচু হলে আপনি খুব সহজেই সেখানে আপনার পছন্দমত অনেক কিছুই করতে পারবেন। তাই জমির উচ্চতা খুবই গুরুত্বপূর্ন বিষয়। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>২)</strong> <strong>জমিটি কোন জলাভূমির ওপর অবস্থিত কিনা দেখেনিন</strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>জলাভূমির ক্ষেত্রেও পরিবেশের ব্যপারটি প্রযোজ্য হয়। অনেক জলাভূমি ভরাটে সরকারের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, তাই আপনার ইচ্ছামত ঐ জমি বানিজ্যিকভাবে ব্যবহার করতে পারবেন না। তাই জলাভূমি কেনার সময় মাথায় রাখতে হবে যে এখানে চাইলেও ভরাট করতে পারবেন না।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>৩) জমিটি রাস্তার পাশে থাকা জরুরী</strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>আপনার প্রস্তাবিত জমিটি গ্রামে বা শহরে যেখানেই হোক না কেন সে জমিটি অবশ্যই রাস্তার পাশে হতে হবে। আপনার জমিতে যাবার রাস্তা না থাকলে আপনি সেখানে আপনার পরিকল্পনা মত অনেক কিছুই করতে পারেবেন না। কোন বানিজ্যিক স্থাপনা করতে গেলে রাস্তার পাশের জমিতেই করতে হবে। রাস্তার পাশে না হলে আপনার জমিতে আপনি ভারী যন্ত্রপাতি নিয়ে কাজ করতে ও পারবেন না। তাই আপনার জমিটি রাস্তার পাশে অবস্থিত হতে হবে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>৪) জমির আশেপাশে থাকা বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্ব দিন </strong> </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>আপনার জমির আশেপাশের কারা আছে সেটাও গুরুত্বপূর্ন বিষয়। আপনার জমির পাশেই পাথর ভাঙ্গার মেশিন থাকলে আপনি শব্দের কারণে ক্ষতিগ্রস্থ হবেন। আপনার জমির পাশে কেমিক্যাল ফ্যাক্টরি থাকলেও আপানার জমিতে সারাক্ষন বাজে গন্ধ আসার সম্ভাবনা থাকবে। তাই প্রতিবেশি কারা কি করছে সেটাও গুরুত্বপূর্ন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong> ৫) সাধারণ কিছু পরিষেবা উপলব্ধ আছে কিনা দেখুন </strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p> নাগরিকের জীবনের সুবিধার জন্য অনেক কিছুর দরকার হয়। যেমনঃ বিদ্যুত, পানি, ড্রেইনেজ্জ সিস্টেম ইত্যাদি। আপনার জমিতে এসব সকল সুবিধা থাকলে আপনি সহজেই সেখানে আপনার পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করতে পারবেন। অন্যদিকে আপনার জমিতে বিদ্যুত, পানি সুবিধা না থাকলে আপনি সেখানে অনেক সমস্যায় পড়বেন। তাই আপনার জমি কেনার আগে অবশ্যই ইউটিলিটি সার্ভিস আসে কিনা দেখে নিতে হবে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>৬) যোগাযোগ ব্যবস্থা ঠিকঠাক আছে কিনা দেখে নিন </strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>যোগাযোগ ব্যবস্থা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ন বিষয়। আমাদের জমিতে যোগাযোগ ব্যবস্থা কেমন আছে তা দেখে নিতে হবে। সামনের রাস্তা কত ফুট চওড়া? এই রাস্তায় বড় ট্রাক ঢুকতে পারে কিনা? সামনের নদীটি কিভাবে পার হতে হয়, নৌকা নাকি ব্রিজ হয়েছে? এখানে টেলিফোন ব্যবস্থা কেমন? মোবাইন নেটওয়ার্ক ভালো কিনা বা ইন্টারনেট সংযোগ আছে কিনা। এসব বিষয় দেখে নিতে হবে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>৮) সরকারে কোন বিধি নিষেধ আছে কিনা ?</strong>  </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>অনেক এলাকার জমিতে সরকারতে কিছু নিষেধাজ্ঞা থাকে। যেমন বিমান বন্দরের আশেপাশে আপনি উচু দালান করতে পারবেন না। অনেক সংরক্ষিত বন এলাকায় আপনি কলকারখানা করতে পারবেন না। তাই জমি কেনার আগেই এসব খোজ খবর নিতে হবে। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>বিঃ দ্রঃ -  এখানে কিছু লেখা অন্য জায়গা থেকে নেওয়া হয়ে থাকতে পারে। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->","img":"https://wbinfo.in/public/images/blogs/1699103094.jpg","title":"জমি-জায়গা কেনার ক্ষেত্রে কিছু পরামর্শ, যা খুবই উপকারী।"},"1694":{"description":"<p>যদি আপনার কাছে কোন রকম সম্পত্তি থেকে থাকে অথবা আপনি যদি কোনো সম্পত্তির মালিক হয়ে থাকেন, আর যে কোনো রকম পরিস্থিতিতে সেই সম্পত্তি অন্য কোনো ব্যক্তির নামে করার চিন্তাভাবনা করেন, তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনার অনেকখানি সহযোগিতা করতে পারে। এক্ষেত্রে কিন্তু আপনার সম্পত্তির অধিকার ছাড়ার জন্য বিভিন্ন রকমের ডকুমেন্টস অথবা কাগজপত্র তৈরি করতে হবে, এর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে অনেকখানি।</p><p>এই কাগজপত্র তে লেখা থাকবে যে, কোনরকম জমি-জায়গা, ঘর, অন্য কোন সম্পত্তি তে আপনার কোন রকম অধিকার থাকবে না। আপনি সেই অধিকার ত্যাগ করছেন। তার সাথে সাথে অন্য কোন পক্ষকে সেই সম্পত্তি প্রদান করছেন তার নামে।</p><p>এর জন্য আপনাকে একটি অধিকার ছেড়ে দেওয়ার পত্র / ফর্ম ফিলাপ করতে হবে। দুই পক্ষের হস্তাক্ষর অর্থাৎ সই করার মাধ্যমে সেই পত্রকে নোটারি করে তহশিল এর অভিলেখ কার্যালয় জমা করতে হবে।</p><p>অধিকার ছাড়ার কাগজপত্র দ্বারা আপনি আপনার সেই সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ অধিকার গুলি লেখিত করে থাকবেন, যা কিনা আপনি আপনার সেই সম্পত্তির উপর মালিকানার অধিকার দাবী করার ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে, যার কিছু গুরুতর আইনি পরিনাম হতে পারে।</p><p>এই জন্য সব সময় এই&nbsp;পরামর্শ&nbsp;দেওয়া হয়ে থাকে যে, কোনো যোগ্য উকিল এর কাছ থেকে এই সমস্ত পেপার বা কাগজপত্র যাচাই করার পর তারপরেই কিন্তু আপনি অধিকার ত্যাগ করতে পারেন।</p><h3><strong>সম্পত্তি হস্তান্তরিত করার জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস অথবা কাগজপত্র:&nbsp;</strong></h3><p>ভারতে কোন ব্যক্তি যখন নিজের নামে থাকা সম্পত্তি অন্য কোনো ব্যক্তির কাছে হস্তান্তরিত করে থাকেন, সেক্ষেত্রে যে সমস্ত কাগজ পত্র গুলো প্রয়োজন পড়বে সেগুলি হল:-</p><ul><li>দুই পক্ষের পরিচয়-পত্র, আধার কার্ড, প্যান কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স বা আরো অন্যান্য পরিচয় পত্র।</li><li>দুই পক্ষের পাসপোর্ট সাইজের ফটোগ্রাফ।</li><li>বিক্রয় লিখিত পত্র।</li><li>যদি হস্তান্তরিত করার জন্য সম্পত্তির মালিক এর জায়গায় তার কোন প্রতিনিধি যদি থেকে থাকে, তাহলে পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি অর্থাৎ কোন প্রতিনিধিত্ব কাগজপত্র।</li><li>সম্পত্তির বর্গীকরণ এর কাগজপত্র।</li><li>স্টাম্প&nbsp;ট্যাক্স</li><li>রেজিস্ট্রেশন ট্যাক্স এর ভর পাই এর প্রমাণ পত্র।</li></ul><p>যদি আপনি কোন অচল সম্পত্তিকে হস্তান্তরিত করেন বা হস্তান্তরিত করার জন্য উপায় খুঁজছেন তাহলে আপনার কাছে কেবলমাত্র এই তিনটি বিকল্প রয়েছে</p><p><strong>১) ত্যাগ বিলেখ / ত্যাগ সম্পর্কিত লিখিত পত্র:</strong></p><p>কোন একজন ব্যক্তির সম্পত্তি অন্য কোনো ব্যক্তির কাছে স্থানান্তরিত করার জন্য এটি সবথেকে উপযোগী বিধি বলা যেতে পারে। এটাও কিন্তু একটি খুবই ভাল বিকল্প, সংযুক্ত রূপে আয়োজিত সম্পত্তিতে মানুষের মধ্যে বিলিয়ে দেওয়া মধ্য দিয়ে হস্তান্তরিত করার কথা চলে আসে। যখন এই রকম ভাবে হস্তান্তরণ করা হয়, কোন সম্পত্তি এর উপরে কিন্তু স্টাম্প ট্যাক্স লাগানো হয়ে থাকে। এছাড়া এই ধরনের লিখিত প্রমাণ পত্র নিরর্থক হয়ে থাকে, আর এই প্রকারের বিকল্পটি তে কোন রকম ট্যাক্স লাভ হয় না। এটাও খেয়াল রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে, যে সম্পত্তি ত্যাগ করা হচ্ছে, সেই সম্পত্তির উপরে শুল্ক এবং ট্যাক্স দুটোই কিন্তু জারি করা হচ্ছে।</p><p><br><strong>২) বিক্রয় বিলেখ / বিক্রয় সম্পর্কিত লিখিত পত্র:</strong></p><p>সম্পত্তি হস্তান্তরের মধ্যে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র হলো বিক্রয় অর্থাৎ বিক্রয় সংক্রান্ত লিখিত কোন কাগজপত্র। একটি বিক্রয় বিলেখ চুক্তি সম্বন্ধিত সমস্ত রকমের হয়ে থাকে।</p><p>যার মধ্যে রয়েছে দুই পক্ষের নাম-ঠিকানা, সম্পত্তির আকার, তার নির্মাণ এবং তার স্থান, পরিস্থিতি এবং সেই সম্পত্তিতে পৌঁছানোর জন্য রাস্তার বর্ণনা ও শামিল রয়েছে।</p><p>বিক্রয় বিলেখ এর সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য হলো অথবা মুখ্য উদ্দেশ্য হলো এটা প্রমাণিত করা যে, সম্পত্তির সমস্ত রকম&nbsp;বিভাগ&nbsp;থেকে একেবারে মুক্ত। এর মানে হল বিক্রেতা সম্পত্তির বিক্রি করার আগে সম্পত্তি সম্পর্কে সমস্ত কিছু ধারণা রাখতে পারবেন এবং এই সম্পত্তির উপর আরো অন্য কোনো ব্যক্তির অধিকার নেই অথবা থাকবে না।</p><p>যদি সম্পত্তিকে বন্ধক রাখা হয় তাহলে সেই সম্পত্তিকে বিক্রয় বিলেখের উপর হস্তাক্ষর অথবা সই করার আগে বিষয়টি মিটিয়ে ফেলা উচিত।&nbsp;এছাড়া আরো অন্যান্য ট্যাক্স জনিত বিষয় গুলো ভাল ভাবে জেনে নেওয়া দরকার, অন্যান্য সমস্ত রকম বিবরণ যেন এই লিখিত প্রমাণ পত্র তে শামিল থাকে।</p><p><strong>২) উপহার বিলেখ / উপহার সম্পর্কিত লিখিত পত্র:</strong></p><p>এই কাগজপত্র আপনাকে আপনার সম্পত্তি কে উপহার দেওয়া অথবা কোনরকম বিনিময় ছাড়া ক্ষমতাকে হস্তান্তরিত করার অনুমতি দিয়ে থাকে। যদি অচল সম্পত্তি হস্তান্তর করা হয়, তাহলে এই উপহার বিলেখ এর ক্ষেত্রে রেজিস্টার এর সাথে রেজিস্ট্রেশন হওয়ার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। যেখানে এমন স্থানান্তরিত করা হচ্ছে।</p><p>এছাড়া সচল সম্পত্তির মামলাতে একটি উপহার বিলেখ খুবই গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র হয়ে থাকে। কিন্তু এক্ষেত্রে কিন্তু রেজিস্ট্রেশনের কোনরকম প্রয়োজনীয়তা নেই।</p><h2><strong>সম্পত্তি হস্তান্তরিত করার মামলাতে একজন উকিল আপনাকে কিভাবে সহযোগিতা করতে পারেন?</strong></h2><p>আমাদের দেশে ভারতে অধিকাংশ&nbsp;মামলা&nbsp;কিন্তু সম্পত্তি সম্পর্কিত। যার মধ্যে একজন ব্যক্তি দ্বারা কোন অন্য ব্যক্তিকে নিজের সম্পত্তি হস্তান্তর করার মামলাও পড়ে এমন পরিস্থিতিতে কেবল মাত্র একজন প্রোপার্টি উকিলই আপনাকে সহযোগিতা করতে পারেন।</p><p>সমস্ত রকম ধ্যান ধারণার মধ্যে দিয়ে আইন অনুসারে অভিজ্ঞতা দিয়ে এমন জটিল পরিস্থিতি থেকে খুব সহজে আপনার মামলাটি মিটিয়ে ফেলতে পারেন একজন প্রপার্টি উকিল।</p><p>সম্পত্তি সম্পর্কিত আরো অন্যান্য বিভিন্ন জটিল&nbsp;সমস্যা&nbsp;খুবই কম সময়ের মধ্যে কোনরকম বিবাদ ছাড়াই মামলাটি সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে পারেন। এমন পরিস্থিতিতে আপনার উচিত একজন ভালো উকিল কে নিযুক্ত করা। যিনি আপনার এই মামলাটি সমস্ত রকম তথ্য ও আইন অনুসারে ভালোভাবে সামলে দিতে পারবেন।</p><p>বিঃ দ্রঃ - এটি কোন আইনি উপদেশ না, এটি শুধু মাত্র সাধারণ জ্ঞানের জন্য। এখানের কিছু লেখা অন্য জায়গা থেকে নেওয়া হয়ে থাকতে পারে।</p>","img":"https://wbinfo.in/public/images/blogs/1699103293.jpg","title":"সম্পত্তি হস্তান্তার করার পদ্ধতি ও আইন সম্পর্কে জানুন।"}},"new_blogsstatus":1,"noti_land":{"98":{"img":"https://i.imgur.com/vQ0ZS9T.jpg","title":"অবৈধ দখল সরানোর সকল আইনী উপায়"},"100":{"img":"https://i.imgur.com/LlbMj4X.jpg","title":"অ্যাপার্টমেন্ট কেনার আগে যেসব বিষয়গুলি মনে রাখবেন"},"101":{"img":"https://i.imgur.com/2VnC7ag.jpg","title":"উত্তরাধিকার উইল ছাড়া সম্পত্তি কীভাবে ভাগ করা যায়?"},"103":{"img":"https://i.imgur.com/4lHCHZJ.jpg","title":"একি জমি দুবার বিক্রি করার প্রতারনা থেকে কিভাবে বাঁচবেন?"},"104":{"img":"https://i.imgur.com/4bmdyWC.jpg","title":"জমি কেনা বেচার জন্য ভারতের আইন ব্যবস্থা ব্যাপারে জানুন।"},"105":{"img":"https://i.imgur.com/TI88liD.jpg","title":"নকল দলিল ও ডকুমেন্ট কিভাবে চিনবেন?"},"106":{"img":"https://i.imgur.com/N7DGUc9.jpg","title":"পশ্চিমবঙ্গে ভূমি সংক্রান্ত বিভিন্ন আইন"},"108":{"img":"https://i.imgur.com/aeX0DlO.jpg","title":"পৈতৃক সম্পত্তি আইনত ভাবে নিজের নামে করার উপায়।"},"109":{"img":"https://i.imgur.com/WWNlIKa.jpg","title":"ভারতে কন্যা সন্তানের সম্পত্তির অধিকার সম্পর্কে জানুন"},"110":{"img":"https://i.imgur.com/UTzHQIn.jpg","title":"ভারতে সম্পত্তি বিভাজন আইন"},"111":{"img":"https://i.imgur.com/NViwubc.jpg","title":"ভারতের উত্তরাধিকার আইনের ব্যাপারে জানুন"},"112":{"img":"https://i.imgur.com/jETSrNL.jpg","title":"সম্পত্তির কাগজপত্র হারিয়ে গেলে কি করবেন?"},"496":{"img":"https://i.imgur.com/V9w2YyC.jpg","title":"নতুন জমি কেনার আগে এই তথ্যগুলি জেনে রাখুন।"},"841":{"img":"https://i.imgur.com/yJ5e97c.jpg","title":"জমি বিক্রি করার সময়  ট্যাক্স কিভাবে বাঁচাবেন? Save taxes when selling a land"},"842":{"img":"https://i.imgur.com/1m89PhE.jpg","title":"ভাড়াটে কি কখনও বাড়ির মালিক হয়ে উঠতে পারেন?"},"843":{"img":"https://i.imgur.com/6ekC1mb.jpg","title":"কৃষিজমি কেনার ক্ষেত্রে কিছু জরুরী বিষয় যা খতিয়ে দেখা দরকার"},"845":{"img":"https://i.imgur.com/YYPaDmt.jpg","title":"জমিতে বিনিয়োগ করার ক্ষেত্রে লাভ এবং লোকসান এর ব্যাপারে জানুন।"},"847":{"img":"https://i.imgur.com/9YO6Wra.jpg","title":"জমি কেনার আগে এই সমস্ত ডকুমেন্ট যাচাই করা জরুরী।"},"1465":{"img":"https://i.imgur.com/e9rhuWm.jpg","title":"জমি-জায়গা কেনার ক্ষেত্রে কিছু পরামর্শ, যা খুবই উপকারী।"},"1694":{"img":"https://i.imgur.com/tml7aL2.jpg","title":"সম্পত্তি হস্তান্তার করার পদ্ধতি ও আইন সম্পর্কে জানুন।"}},"noti_scheme":{"20":{"img":"https://i.imgur.com/MS0UxUy.jpg","title":"WB Online Ration Card information"},"21":{"img":"https://i.imgur.com/yK7B6bn.jpg","title":"Traffic Sign in Bengali for RTO Exam"},"22":{"img":"https://i.imgur.com/PkZ5YAq.jpg","title":"Online RTO information (RC,DL)"},"24":{"img":"https://i.imgur.com/1xLD3u9.jpg","title":"Voter Card information online"},"25":{"img":"https://i.imgur.com/FERemvm.jpg","title":"PM Awaas Yojona List"},"26":{"img":"https://i.imgur.com/JGIdW7T.jpg","title":"WB Krishak Bandhu Scheme"},"27":{"img":"https://i.imgur.com/3utdMNm.jpg","title":"WB Swastha Sathi Scheme information"},"30":{"img":"https://i.imgur.com/TLQEWdq.jpg","title":"PM Kishan Samman Nidhi Scheme information"},"31":{"img":"https://i.imgur.com/Kzxsxws.jpg","title":"Old age, Widow, Manabik Pensions information"},"36":{"img":"https://i.imgur.com/UKF8HFY.jpg","title":"Online PAN-Aadhar Link and PAN Services"},"57":{"img":"https://i.imgur.com/IGHcTBd.jpg","title":"Online Aadhaar, India Post, PNR Status check information "},"78":{"img":"https://i.imgur.com/0lGLagN.jpg","title":"Duare Sarkar Camp 2023 Details"},"314":{"img":"https://i.imgur.com/gfgRub2.png","title":"All News Paper and Channel in One Place"},"354":{"img":"https://i.imgur.com/aKwR2G9.jpg","title":"Daily Lottery Sambad Result"},"1223":{"img":"https://i.imgur.com/OrBPsY5.jpg","title":"Online Income Sources"},"1373":{"img":"https://i.imgur.com/rFkE81l.jpg","title":"WB Caste Certificate information"},"1470":{"img":"https://i.imgur.com/s4oInA6.jpg","title":"Bangla Shasya Bima"},"1524":{"img":"https://i.imgur.com/WuSqgtB.jpg","title":"Bangla Sahayata Kendra"}},"notice_link":"https://tools.apgy.in/ytl/bBIba0_acVQ","notice_status":1,"notice_title":"বর্তমানে সার্ভারে কিছু সমস্যার জন্য রেকর্ড সার্চ করা যাচ্ছে না। শীঘ্রই এই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। ","online_status":1,"options":{"app":1,"webcustom":1,"webmain":1},"posts":{"302":{"description":"\\n<p>প্যান কার্ডের বিভিন্ন অনলাইন পরিষেবার গুরুত্বপূর্ণ লিংক নিচে দেওয়া হল।</p>\\n\\n\\n\\n<p>১. আধার এবং প্যান কার্ডের লিংক করা আছে কিনা তার নিচের লিংকে ক্লিক করে জেনেনিন। এখানে আপনার প্যান নং ও জন্ম তারিখ দিয়ে দেখতে পারেন। </p>\\n\\n\\n\\n<p>Link &#8211; <a href=\\\"https://www.pan.utiitsl.com/panaadhaarlink/forms/pan.html/panaadhaar\\\" title=\\\"https://www.pan.utiitsl.com/panaadhaarlink/forms/pan.html/panaadhaar\\\"><strong>Check for PAN-Adhaar Link</strong></a></p>\\n\\n\\n\\n<p>২. যদি আপনার  আধার এবং প্যান কার্ডের লিংক করা না হয়ে থাকে তাহলে নিচের লিংক থেকে তা করতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনাদের মনে রাখতে হবে যেন আধার কার্ড এবং প্যান কার্ডের নাম ও অন্যান্য তথ্য একি থাকে। </p>\\n\\n\\n\\n<p>Link &#8211; <strong><a href=\\\"https://eportal.incometax.gov.in/iec/foservices/#/pre-login/bl-link-aadhaar\\\" title=\\\"https://eportal.incometax.gov.in/iec/foservices/#/pre-login/bl-link-aadhaar\\\">Link PAN with Adhaar</a></strong></p>\\n\\n\\n\\n<p>৩. আপনি যদি নতুন প্যান কার্ডের জন্য আবেদন করে থাকেন তাহলে তার স্থিতি বা অ্যাপ্লিকেশন স্ট্যাটাস আপনি নিচের লিংক থেকে জানতে পারবেন। </p>\\n\\n\\n\\n<p>Link &#8211; <strong><a href=\\\"https://tin.tin.nsdl.com/pantan/StatusTrack.html\\\" title=\\\"https://tin.tin.nsdl.com/pantan/StatusTrack.html\\\">PAN Application Status</a></strong></p>\\n\\n\\n\\n<p>৪. e-PAN Card ডাউনলোড করার জন্য নিচে দেওয়া লিংকে ক্লিক করুন।</p>\\n\\n\\n\\n<p>Link &#8211; <strong><a href=\\\"https://www.onlineservices.nsdl.com/paam/requestAndDownloadEPAN.html\\\" title=\\\"https://www.onlineservices.nsdl.com/paam/requestAndDownloadEPAN.html\\\">E-PAN Card</a></strong></p>\\n\\n\\n\\n<p>৫. নিজের প্যান কার্ড ভ্যারিফাই করুন &#8211; <strong><a href=\\\"https://eportal.incometax.gov.in/iec/foservices/#/pre-login/verifyYourPAN\\\" title=\\\"https://eportal.incometax.gov.in/iec/foservices/#/pre-login/verifyYourPAN\\\">Verify PAN</a></strong></p>\\n\\n\\n\\n<p></p>\\n\\n\\n\\n<p>Source &#8211; <a href=\\\"https://www.pan.utiitsl.com\\\">https://www.pan.utiitsl.com</a></p>\\n\\n\\n\\n<p><a href=\\\"https://eportal.incometax.gov.in\\\">https://eportal.incometax.gov.in</a></p>\\n\\n\\n\\n<p><a href=\\\"https://www.nsdl.co.in/\\\">https://www.nsdl.co.in/</a></p>\\n","id":302,"img":"https://i1.wp.com/wbinfo.in/wp-content/uploads/2021/09/PAN-Card-Status.jpg?fit=995%2C621&ssl=1","title":"অনলাইন PAN কার্ডের সমস্ত তথ্য &#8211; Online PAN Card info"},"PAN card":{"description":"\\n<p><strong>অনলাইন রেশন কার্ড সংক্রান্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ লিঙ্ক &#8211; </strong></p>\\n\\n\\n\\n<p> রেশন কার্ড আবেদনের স্থিতি জানতে (Check Ration Card Application Status) &#8211;  <strong><a href=\\\"https://wbpds.wb.gov.in/(S(5jol3xfjx5cjdo3vf0w4tdkk))/CheckApplicationStatus.aspx\\\" title=\\\"https://wbpds.wb.gov.in/(S(5jol3xfjx5cjdo3vf0w4tdkk))/CheckApplicationStatus.aspx\\\">Application Status</a></strong></p>\\n\\n\\n\\n<p></p>\\n\\n\\n\\n<p>নতুন রেশন কার্ডের জন্য আবেদন করতে (Application for new Ration Card) &#8211; <strong><a href=\\\"https://wbpds.wb.gov.in/(S(gez1gmb4tbp5fhs2zefqvya3))/Digitalportal/index.aspx\\\" title=\\\"https://wbpds.wb.gov.in/(S(gez1gmb4tbp5fhs2zefqvya3))/Digitalportal/index.aspx\\\">Apply</a></strong></p>\\n\\n\\n\\n<p></p>\\n\\n\\n\\n<p>রেশন কার্ডে পরিবারের সদস্য যোগ করতে (For add new family members) &#8211; <a href=\\\"https://wbpds.wb.gov.in/(S(znncibuwx0ytwuxlb01jzxqr))/Digitalportal/index.aspx\\\" title=\\\"https://wbpds.wb.gov.in/(S(znncibuwx0ytwuxlb01jzxqr))/Digitalportal/index.aspx\\\"><strong>Add Members</strong></a></p>\\n\\n\\n\\n<p></p>\\n\\n\\n\\n<p>ডুপ্লিকেট রেশন কার্ড করতে (For duplicate Ration Card) &#8211; <a style=\\\"font-weight: bold;\\\" href=\\\"https://wbpds.wb.gov.in/(S(tgrefjgck0oi1bpnumyloypm))/Digitalportal/index.aspx\\\" title=\\\"https://wbpds.wb.gov.in/(S(tgrefjgck0oi1bpnumyloypm))/Digitalportal/index.aspx\\\">Apply for Duplicate Ration Card</a></p>\\n\\n\\n\\n<p></p>\\n\\n\\n\\n<p>এছাড়াও রেশন কার্ড সংক্রান্ত অন্যান্য ফর্ম ডাউনলোড করার জন্য (Offline Form) &#8211; <strong><a href=\\\"https://food.wb.gov.in/HomePage/Offlineforms.aspx\\\" title=\\\"https://food.wb.gov.in/HomePage/Offlineforms.aspx\\\">Offline Forms</a></strong></p>\\n\\n\\n\\n<p>পশ্চিমবঙ্গে বর্তমানে মূলত তিন ধরনের রেশন কার্ড রয়েছে। বিভিন্ন রেশন কার্ডের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের সুযোগসুবিধা রয়েছে। সেগুলি হল &#8211;</p>\\n\\n\\n\\n<p><strong>AAY ( অন্ত্যদয় অন্ন যোজনা) </strong>:- এই ধরনের রেশন কার্ডে &#8211;</p>\\n\\n\\n\\n<div class=\\\"wp-block-image\\\"><figure class=\\\"aligncenter size-full\\\"><img loading=\\\"lazy\\\" width=\\\"224\\\" height=\\\"135\\\" src=\\\"https://i1.wp.com/wbinfo.in/wp-content/uploads/2021/07/aay-ration-card.gif?resize=224%2C135&#038;ssl=1\\\" alt=\\\"\\\" class=\\\"wp-image-130\\\" data-recalc-dims=\\\"1\\\"/></figure></div>\\n\\n\\n\\n<p>প্রতি মাসে পরিবারে চাল -15 কেজি<br>প্রতি মাসে প্রতি পরিবারে সুরক্ষিত আটা -১০ কেজি / প্রতি মাসে প্রতি পরিবার গম 20 কে</p>\\n\\n\\n\\n<p><strong>PHH (প্রায়োরিটি হাউস হোল্ড) / SPHH :-</strong> এই ধরনের রেশন কার্ডে &#8211;</p>\\n\\n\\n\\n<div class=\\\"wp-block-image\\\"><figure class=\\\"aligncenter size-large\\\"><img loading=\\\"lazy\\\" width=\\\"224\\\" height=\\\"104\\\" src=\\\"https://i1.wp.com/wbinfo.in/wp-content/uploads/2021/07/phh-sphh-ration-card.gif?resize=224%2C104&#038;ssl=1\\\" alt=\\\"\\\" class=\\\"wp-image-131\\\" data-recalc-dims=\\\"1\\\"/></figure></div>\\n\\n\\n\\n<p>চাল 2 কেজি প্রতি মাসে, প্রতি রেশন কার্ডে<br>সুরক্ষিত আটা &#8211; প্রতি মাসে রেশন কার্ডে 2.85 কেজি / গম &#8211; প্রতি মাসে রেশন কার্ডে 3 কেজি</p>\\n\\n\\n\\n<p><strong>RKSY-I (রাজ্য খাদ্য সুরক্ষা যোজনা) :- </strong>এই ধরনের রেশন কার্ডে &#8211;</p>\\n\\n\\n\\n<div class=\\\"wp-block-image\\\"><figure class=\\\"aligncenter size-large\\\"><img loading=\\\"lazy\\\" width=\\\"224\\\" height=\\\"120\\\" src=\\\"https://i1.wp.com/wbinfo.in/wp-content/uploads/2021/07/rksy-i-ration-card-1.gif?resize=224%2C120&#038;ssl=1\\\" alt=\\\"\\\" class=\\\"wp-image-133\\\" data-recalc-dims=\\\"1\\\"/></figure></div>\\n\\n\\n\\n<p>চাল &#8211; 2 kg per Card<br>গম &#8211; 3kg per Card</p>\\n\\n\\n\\n<p><strong>RKSY-II (রাজ্য খাদ্য সুরক্ষা যোজনা) :- </strong>এই ধরনের রেশন কার্ডে &#8211;</p>\\n\\n\\n\\n<div class=\\\"wp-block-image\\\"><figure class=\\\"aligncenter size-large\\\"><img loading=\\\"lazy\\\" width=\\\"136\\\" height=\\\"104\\\" src=\\\"https://i0.wp.com/wbinfo.in/wp-content/uploads/2021/07/rksy-ii-ration-card.gif?resize=136%2C104&#038;ssl=1\\\" alt=\\\"\\\" class=\\\"wp-image-134\\\" data-recalc-dims=\\\"1\\\"/></figure></div>\\n\\n\\n\\n<p>চাল &#8211; 1 kg per Card<br>গম &#8211; 1 kg per Card</p>\\n\\n\\n\\n<p></p>\\n\\n\\n\\n<p>Source &#8211; <a href=\\\"https://wbpds.wb.gov.in\\\">https://wbpds.wb.gov.in</a></p>\\n","id":302,"img":"https://i1.wp.com/wbinfo.in/wp-content/uploads/2021/09/PAN-Card-Status.jpg?fit=995%2C621&ssl=1","title":"অনলাইন PAN কার্ডের সমস্ত তথ্য &#8211; Online PAN Card info"}},"scheme_post":{"20":{"description":"<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>অনলাইন রেশন কার্ড সংক্রান্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ লিঙ্ক - </strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>রেশন কার্ডের স্ট্যাটাস দেখুন - <strong><a href=\"https://wbpds.wb.gov.in/(S(si1ajammvpvxvfcx4kt3mh3u))/CheckRationCardStatus.aspx\" title=\"https://wbpds.wb.gov.in/(S(si1ajammvpvxvfcx4kt3mh3u))/CheckRationCardStatus.aspx\">Check Ration Card Status</a></strong> </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>রেশন কার্ড আবেদনের স্থিতি জানতে (Check Ration Card Application Status) -  <strong><a href=\"https://wbpds.wb.gov.in/(S(5jol3xfjx5cjdo3vf0w4tdkk))/CheckApplicationStatus.aspx\" title=\"https://wbpds.wb.gov.in/(S(5jol3xfjx5cjdo3vf0w4tdkk))/CheckApplicationStatus.aspx\">Application Status</a></strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>E-Ration Card ডাউনলোড করুন - <strong><a href=\"https://wbpds.wb.gov.in/(S(3jqlteeu4r42t1wbwhziw2wz))/E_Card_Download.aspx\">E-Card</a></strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>নতুন রেশন কার্ডের জন্য আবেদন করতে (Application for new Ration Card) - <strong><a href=\"https://wbpds.wb.gov.in/(S(gez1gmb4tbp5fhs2zefqvya3))/Digitalportal/index.aspx\" title=\"https://wbpds.wb.gov.in/(S(gez1gmb4tbp5fhs2zefqvya3))/Digitalportal/index.aspx\">Apply</a></strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>রেশন কার্ডে পরিবারের সদস্য যোগ করতে (For add new family members) - <a href=\"https://wbpds.wb.gov.in/(S(znncibuwx0ytwuxlb01jzxqr))/Digitalportal/index.aspx\" title=\"https://wbpds.wb.gov.in/(S(znncibuwx0ytwuxlb01jzxqr))/Digitalportal/index.aspx\"><strong>Add Members</strong></a></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>ডুপ্লিকেট রেশন কার্ড করতে (For duplicate Ration Card) - <a style=\"font-weight: bold;\" href=\"https://wbpds.wb.gov.in/(S(tgrefjgck0oi1bpnumyloypm))/Digitalportal/index.aspx\" title=\"https://wbpds.wb.gov.in/(S(tgrefjgck0oi1bpnumyloypm))/Digitalportal/index.aspx\">Apply for Duplicate Ration Card</a></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>Link Aadhaar Card and Mobile No. with your Ration card -</strong> আপনার রেশন কার্ডের সাথে আধার কার্ড ও মোবাইল নং যুক্ত আছে কিনা তা আপনারা নিচে দেওয়া লিংক থেকে জানতে পারবেন। যদি লিংক না থাকে তাহলে এখান থেকে আপনি নতুন করে লিংকও করতে পারেন। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>Step 1</strong> - প্রথমে নিচে দেওয়া লিংকে করবেন। তারপর পেজটি ওপেন হওয়ার পর প্রথমে আপনার রেশন কার্ডের শ্রেণী ও রেশন কার্ড নং দিতে হবে। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>Step 2 -</strong> সেটি দেওয়ার পর সেখানে আপনাদের নাম ও আধার কার্ড নং দেখতে পারবেন (যদি আধার লিংক আগে থেকে করা থাকে)। যদি আধার কার্ডের জায়গাটি ফাঁকা থাকে, তাহলে নিচে Update Aadhaar Card and Mobile no. অপশনে ক্লিক করবেন। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>Step 3 -</strong> এরপর সেখানে আপনার আধার কার্ড নংটি দিলে আপনার আধার কার্ডের সাথে লিংক করা Mobile No. এ OTP যাবে, যা সেখানে দিলে আপানার আধার কার্ডের সমস্ত তথ্য দেখতে পাবেন। এরপর Confirm করলেই লিংক হয়ে যাবে। এরপর একি রকম ভাবে আপনি মোবাইল নং-টিও লিংক  করতে পারেন। এক্ষেত্রে মনে রাখবেন আপনার আধার কার্ডের সাথে আপনার মোবাইল নং লিংক থাকতে হবে। নিচে লিংক দেওয়া হল।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong><a href=\"https://wbpds.wb.gov.in/(S(qplz010orwfryrf52qkrsbbg))/EKYC_otp.aspx\" title=\"https://wbpds.wb.gov.in/(S(qplz010orwfryrf52qkrsbbg))/EKYC_otp.aspx\">Click here for link Aadhaar Card and Mobile no. with your Ration Card</a></strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>এছাড়াও রেশন কার্ড সংক্রান্ত অন্যান্য ফর্ম ডাউনলোড করার জন্য (Offline Form) - <strong><a href=\"https://food.wb.gov.in/HomePage/Offlineforms.aspx\" title=\"https://food.wb.gov.in/HomePage/Offlineforms.aspx\">Offline Forms</a></strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>পশ্চিমবঙ্গে বর্তমানে মূলত তিন ধরনের রেশন কার্ড রয়েছে। বিভিন্ন রেশন কার্ডের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের সুযোগসুবিধা রয়েছে। সেগুলি হল -</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>AAY ( অন্ত্যদয় অন্ন যোজনা) </strong>:- এই ধরনের রেশন কার্ডে -</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:image {\"align\":\"center\",\"id\":130,\"sizeSlug\":\"full\",\"linkDestination\":\"none\"} -->\n<figure class=\"wp-block-image aligncenter size-full\"><img src=\"https://wbinfo.in/wp-content/uploads/2021/07/aay-ration-card.gif\" alt=\"\" class=\"wp-image-130\"/></figure>\n<!-- /wp:image -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>প্রতি মাসে পরিবারে চাল -15 কেজি<br>প্রতি মাসে প্রতি পরিবারে সুরক্ষিত আটা -১০ কেজি / প্রতি মাসে প্রতি পরিবার গম 20 কে</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>PHH (প্রায়োরিটি হাউস হোল্ড) / SPHH :-</strong> এই ধরনের রেশন কার্ডে -</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:image {\"align\":\"center\",\"id\":131,\"sizeSlug\":\"large\",\"linkDestination\":\"none\"} -->\n<figure class=\"wp-block-image aligncenter size-large\"><img src=\"https://wbinfo.in/wp-content/uploads/2021/07/phh-sphh-ration-card.gif\" alt=\"\" class=\"wp-image-131\"/></figure>\n<!-- /wp:image -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>চাল 2 কেজি প্রতি মাসে, প্রতি রেশন কার্ডে<br>সুরক্ষিত আটা - প্রতি মাসে রেশন কার্ডে 2.85 কেজি / গম - প্রতি মাসে রেশন কার্ডে 3 কেজি</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>RKSY-I (রাজ্য খাদ্য সুরক্ষা যোজনা) :- </strong>এই ধরনের রেশন কার্ডে -</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:image {\"align\":\"center\",\"id\":133,\"sizeSlug\":\"large\",\"linkDestination\":\"none\"} -->\n<figure class=\"wp-block-image aligncenter size-large\"><img src=\"https://wbinfo.in/wp-content/uploads/2021/07/rksy-i-ration-card-1.gif\" alt=\"\" class=\"wp-image-133\"/></figure>\n<!-- /wp:image -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>চাল - 2 kg per Card<br>গম - 3kg per Card</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>RKSY-II (রাজ্য খাদ্য সুরক্ষা যোজনা) :- </strong>এই ধরনের রেশন কার্ডে -</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:image {\"align\":\"center\",\"id\":134,\"sizeSlug\":\"large\",\"linkDestination\":\"none\"} -->\n<figure class=\"wp-block-image aligncenter size-large\"><img src=\"https://wbinfo.in/wp-content/uploads/2021/07/rksy-ii-ration-card.gif\" alt=\"\" class=\"wp-image-134\"/></figure>\n<!-- /wp:image -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>চাল - 1 kg per Card<br>গম - 1 kg per Card</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>Source - <a href=\"https://wbpds.wb.gov.in\">https://wbpds.wb.gov.in</a></p>\n<!-- /wp:paragraph -->","img":"https://wbinfo.in/public/images/blogs/1699042348.jpg","title":"রেশন কার্ডের অ্যাপ্লিকেশন স্ট্যাটাস, আধার-রেশন লিংক ও অন্যান্য - Online Ration Card information"},"21":{"description":"<!-- wp:image {\"align\":\"full\",\"id\":145,\"sizeSlug\":\"full\"} -->\n<figure class=\"wp-block-image alignfull size-full\"><img src=\"https://wbinfo.in/wp-content/uploads/2021/07/IMG_20210722_210928.jpg\" alt=\"\" class=\"wp-image-145\"/></figure>\n<!-- /wp:image -->\n\n<!-- wp:image {\"align\":\"full\",\"id\":142,\"sizeSlug\":\"full\"} -->\n<figure class=\"wp-block-image alignfull size-full\"><img src=\"https://wbinfo.in/wp-content/uploads/2021/07/IMG_20210722_211912.jpg\" alt=\"\" class=\"wp-image-142\"/></figure>\n<!-- /wp:image -->\n\n<!-- wp:image {\"align\":\"full\",\"id\":141,\"sizeSlug\":\"full\"} -->\n<figure class=\"wp-block-image alignfull size-full\"><img src=\"https://wbinfo.in/wp-content/uploads/2021/07/IMG_20210722_211821.jpg\" alt=\"\" class=\"wp-image-141\"/></figure>\n<!-- /wp:image -->\n\n<!-- wp:image {\"align\":\"full\",\"id\":143,\"sizeSlug\":\"full\"} -->\n<figure class=\"wp-block-image alignfull size-full\"><img src=\"https://wbinfo.in/wp-content/uploads/2021/07/IMG_20210722_211800.jpg\" alt=\"\" class=\"wp-image-143\"/></figure>\n<!-- /wp:image -->\n\n<!-- wp:image {\"align\":\"center\",\"id\":144,\"sizeSlug\":\"full\"} -->\n<div class=\"wp-block-image\"><figure class=\"aligncenter size-full\"><img src=\"https://wbinfo.in/wp-content/uploads/2021/07/IMG_20210722_211723.jpg\" alt=\"\" class=\"wp-image-144\"/></figure></div>\n<!-- /wp:image -->\n\n<!-- wp:image {\"align\":\"full\",\"id\":146,\"sizeSlug\":\"full\"} -->\n<figure class=\"wp-block-image alignfull size-full\"><img src=\"https://wbinfo.in/wp-content/uploads/2021/07/IMG_20210722_211655.jpg\" alt=\"\" class=\"wp-image-146\"/></figure>\n<!-- /wp:image -->\n\n<!-- wp:image {\"align\":\"full\",\"id\":149,\"sizeSlug\":\"full\"} -->\n<figure class=\"wp-block-image alignfull size-full\"><img src=\"https://wbinfo.in/wp-content/uploads/2021/07/IMG_20210722_211627.jpg\" alt=\"\" class=\"wp-image-149\"/></figure>\n<!-- /wp:image -->\n\n<!-- wp:image {\"align\":\"full\",\"id\":147,\"sizeSlug\":\"full\"} -->\n<figure class=\"wp-block-image alignfull size-full\"><img src=\"https://wbinfo.in/wp-content/uploads/2021/07/IMG_20210722_211558.jpg\" alt=\"\" class=\"wp-image-147\"/></figure>\n<!-- /wp:image -->\n\n<!-- wp:image {\"align\":\"full\",\"id\":150,\"sizeSlug\":\"large\"} -->\n<figure class=\"wp-block-image alignfull size-large\"><img src=\"https://wbinfo.in/wp-content/uploads/2021/07/IMG_20210722_211523-630x1024.jpg\" alt=\"\" class=\"wp-image-150\"/></figure>\n<!-- /wp:image -->\n\n<!-- wp:image {\"align\":\"full\",\"id\":151,\"sizeSlug\":\"full\"} -->\n<figure class=\"wp-block-image alignfull size-full\"><img src=\"https://wbinfo.in/wp-content/uploads/2021/07/IMG_20210722_211459.jpg\" alt=\"\" class=\"wp-image-151\"/></figure>\n<!-- /wp:image -->\n\n<!-- wp:image {\"align\":\"full\",\"id\":148,\"sizeSlug\":\"full\"} -->\n<figure class=\"wp-block-image alignfull size-full\"><img src=\"https://wbinfo.in/wp-content/uploads/2021/07/IMG_20210722_211432.jpg\" alt=\"\" class=\"wp-image-148\"/></figure>\n<!-- /wp:image -->\n\n<!-- wp:image {\"align\":\"full\",\"id\":152,\"sizeSlug\":\"full\"} -->\n<figure class=\"wp-block-image alignfull size-full\"><img src=\"https://wbinfo.in/wp-content/uploads/2021/07/IMG_20210722_211354.jpg\" alt=\"\" class=\"wp-image-152\"/></figure>\n<!-- /wp:image -->\n\n<!-- wp:image {\"align\":\"full\",\"id\":153,\"sizeSlug\":\"full\"} -->\n<figure class=\"wp-block-image alignfull size-full\"><img src=\"https://wbinfo.in/wp-content/uploads/2021/07/IMG_20210722_211330.jpg\" alt=\"\" class=\"wp-image-153\"/></figure>\n<!-- /wp:image -->\n\n<!-- wp:image {\"align\":\"full\",\"id\":154,\"sizeSlug\":\"full\"} -->\n<figure class=\"wp-block-image alignfull size-full\"><img src=\"https://wbinfo.in/wp-content/uploads/2021/07/IMG_20210722_211241.jpg\" alt=\"\" class=\"wp-image-154\"/></figure>\n<!-- /wp:image -->\n\n<!-- wp:image {\"align\":\"full\",\"id\":155,\"sizeSlug\":\"full\"} -->\n<figure class=\"wp-block-image alignfull size-full\"><img src=\"https://wbinfo.in/wp-content/uploads/2021/07/IMG_20210722_211104.jpg\" alt=\"\" class=\"wp-image-155\"/></figure>\n<!-- /wp:image -->\n\n<!-- wp:image {\"align\":\"full\",\"id\":156,\"sizeSlug\":\"full\"} -->\n<figure class=\"wp-block-image alignfull size-full\"><img src=\"https://wbinfo.in/wp-content/uploads/2021/07/IMG_20210722_211022.jpg\" alt=\"\" class=\"wp-image-156\"/></figure>\n<!-- /wp:image -->","img":"https://wbinfo.in/public/images/blogs/1699042352.jpg","title":"ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষার জন্য এই চিহ্ন গুলো জেনে রাখুন - Traffic Sign in Bengali"},"22":{"description":"<!-- wp:paragraph -->\n<p>বর্তমানে প্রায় সমস্ত ধরনের তথ্য আমরা অনলাইন পেয়ে থাকি। তাই এই সুবিধা গাড়ির এবং গাড়ির রেজিস্ট্রেশনের তথ্যও আমরা অনলাইনে পেয়ে থাকি। শুধু তাই নয়, অনলাইন আমরা ড্রাইভিং লাইসেন্সেরও বিভিন্ন ধরনের তথ্যও পেয়ে থাকি। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>অনলাইন গাড়ির এবং গাড়ির রেজিস্ট্রেশনের তথ্য - </strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>এই ধরনের তথ্য জানার জন্য আপনাকে প্রথমে আপনার মোবাইল নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। তারপর আপনি গাড়ির নম্বর দিয়ে তথ্য জানতে পারবেন। কিন্তু গাড়ির মালিকের গোপনীয়তার কারনে মালিকের পুরো নাম দেখানো হয়না। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p> অনলাইন গাড়ির এবং গাড়ির রেজিস্ট্রেশনের তথ্য জানার জন্য নিম্নে দেওয়া লিংকে ক্লিক করুন। এই পেজটি খোলার পর প্রথমে Create Account  -এ ক্লিক করে মোবাইল নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করে নেবেন। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>লিংক - <strong><a href=\"https://vahan.parivahan.gov.in/nrservices/faces/user/citizen/citizenlogin.xhtml\" title=\"\">Check Vehicle information</a></strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্সের বর্তমান স্ট্যাটাস (স্থিতি) জানুন</strong> - </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>এখানে আপনি আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্সের নম্বর আবং জন্ম তারিখ দিয়ে আপনি আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্সের বর্তমান স্থিতি জানতে পারবেন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p> আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্সের বর্তমান স্ট্যাটাস (স্থিতি) জানার জন্য - <strong><a href=\"https://parivahan.gov.in/rcdlstatus/?pur_cd=101\" title=\"https://parivahan.gov.in/rcdlstatus/?pur_cd=101\">Check Driving license status</a></strong> </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>আপনি যদি এই বিষয়ে কোনরকম পেমেন্ট করে থাকেন, তাহলে তার স্ট্যাটাস দেখুন - <strong><a href=\"https://vahan.parivahan.gov.in/vahanpgi/faces/ui/transactionStatus.xhtml\" title=\"Payment Status\">Payment Status</a></strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>আপনি যদি কোনরকম সার্ভিসের জন্য আবেদন করে থাকেন তাহলে তার স্ট্যাটাস দেখুন - <strong><a href=\"https://vahan.parivahan.gov.in/vahanservice/vahan/ui/appl_status/form_Know_Appl_Status.xhtml\" title=\"Know Your Application Status\">Know Your Application Status</a></strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করুন -</strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>এখানে আপনি আপনার অ্যাপ্লিকেশন নম্বর দিয়ে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করতে পারেন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>বুক করার জন্য - <strong><a href=\"https://vahan.parivahan.gov.in/appointment/vahan/ui/userpanel/bookappoinment.xhtml\" title=\"https://vahan.parivahan.gov.in/appointment/vahan/ui/userpanel/bookappoinment.xhtml\">Book Appointment</a></strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>আপনার গাড়ির রেজিস্ট্রেশন অ্যাপ্লিকেশনের স্ট্যাটাস(স্তিথি জানুন) -</strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>এখানে আপনি অ্যাপ্লিকেশন/ রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে বর্তমান স্থিতি জানতে পারেন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>অ্যাপ্লিকেশন-এর স্থিথি জানার জন্য - <strong><a href=\"https://vahan.parivahan.gov.in/vahanservice/vahan/ui/appl_status/form_Know_Appl_Status.xhtml\" title=\"https://vahan.parivahan.gov.in/vahanservice/vahan/ui/appl_status/form_Know_Appl_Status.xhtml\">Check status of your vehicle registration application </a></strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>Source of these links - <a href=\"https://vahan.parivahan.gov.in/\" title=\"https://vahan.parivahan.gov.in/\">https://vahan.parivahan.gov.in/</a></p>\n<!-- /wp:paragraph -->","img":"https://wbinfo.in/public/images/blogs/1699042354.jpg","title":"গাড়ির রেজিস্ট্রেশন তথ্য(RC),  ড্রাইভিং লাইসেন্সের অ্যাপ্লিকেশন স্ট্যাটাস, অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক ও অন্যান্য তথ্য  - Know your RC and DL information."},"24":{"description":"<!-- wp:paragraph -->\n<p>অনেক সময় আমরা ভোটার কার্ড সংক্রান্ত বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকি অথবা বিভিন্ন ধরনের তথ্য আমাদের জানা প্রয়োজন হয়ে পড়ে। যার ফলে আমরা পার্শ্ববর্তী ব্লক, মহকুমা অফিসে ছুটে যায়। কিন্তু এখন ভারতের নির্বাচন কমিশন বিভিন্ন ধরনের পরিষেবা আমাদের অনলাইন প্রদান করে থাকেন তাঁদের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে। তাহলে চলুন সেগুলি জেনে নেওয়া যাক - </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>১) ভোটার কার্ডের সাথে আধার কার্ড লিংক করার জন্য প্রথমে নিচে দেওয়া লিংকে ক্লিক করুন। তারপর সেখানে আপনার অ্যাকাউন্ট লগইন করুন। অ্যাকাউন্ট  করা না থাকলে প্রথমে আপনার মোবাইল নং দিয়ে Register করে নিন। তারপর Forms মেনুতে গিয়ে Form 6B ফর্মে  আপনার Details দিয়ে আধার লিংক করুন। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>লিংক - <strong><a href=\"https://www.nvsp.in/\" title=\"https://www.nvsp.in/\">Link Aadhaar with Voter Card</a></strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>১) আপনি যদি আপনার ভোটার কার্ডের বর্তমান স্থিতি জানতে চান তাহলে নিচে দেওয়া লিংকে ক্লিক করুন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>এখানে আপনি প্রথমে District wise অপশনে ক্লিক করে উপযুক্ত স্থানে নিজের নাম অথবা নিজের ভোটার (এপিক) কার্ডের নম্বর দিয়ে আপনার কার্ডের বর্তমান স্থিতি জানতে পারবেন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>লিঙ্ক - <strong><a href=\"https://wberms.gov.in/web_searchengine\" title=\"https://wberms.gov.in/web_searchengine\">Check Your Voter Card Status</a></strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>২) আপনি যদি আপনার Online Application Status জানতে চান তাহলে নিচে দেওয়া লিংকে ক্লিক করে সেখানে Reference ID নং দিয়ে আপনি দেখতে পারেন। এই পেজটি খোলার পর নিচে Track Application Status -এ ক্লিক করবেন। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>লিংক- <strong><a href=\"https://www.nvsp.in/Forms/trackstatus\" title=\"https://www.nvsp.in/Forms/trackstatus\">Online Application Status</a></strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>৩) আপনি যদি আপনার স্থানীয় বুথের ভোটারদের লিস্ট দেখতে চান তাহলে   নিচে দেওয়া লিংকে ক্লিক করুন। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>এখানে আপনি আপনার জেলা, AC Name (লোকসভা বা বিধানসভা কেন্দ্র) সিলেক্ট করে বুথ অনুযায়ী ভোটার লিস্ট পেয়ে যাবেন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>লিংক - <strong><a href=\"http://ceowestbengal.nic.in/DistrictList\" title=\"http://ceowestbengal.nic.in/DistrictList\">Check Voter List</a></strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>৪) আপনি যদি আপনার পার্শ্ববর্তী ভোটার বুথ খুজে পেতে চান তাহলে আপনি এই লিঙ্কে<strong><a href=\"https://wbceo.in/wb-pssearch/\" title=\"https://wbceo.in/wb-pssearch/\">(Check Nearest booth details)</a></strong> ক্লিক করুন। এখানে আপনি বুথের ছবি সহ ঠিকানা পেয়ে যাবেন। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>৫) এছাড়াও আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবা যেমন নতুন ভোটার কার্ডের জন্য আবেদন, ভোটার কার্ডের সংশোধন করা, ই-ভোটার কার্ড ডাউনলোদ এবং আরও অনেক পরিষেবা আপনি এই লিঙ্কে<strong><a href=\"https://www.nvsp.in/\" title=\"https://www.nvsp.in/\">(Different Voter Card related options)</a></strong> পেয়ে যাবেন। কিন্তু এখানে এই সমস্ত পরিষেবা পেতে হলে আপনাকে প্রথমে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে, যা খুবিই সহজ। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>এছাড়াও অফলাইনে ভোটার কার্ড সংক্রান্ত বিভিন্ন ফর্ম ডাউনলোড করার জন্য - <strong><a href=\"http://ceowestbengal.nic.in/RollRevision\" title=\"http://ceowestbengal.nic.in/RollRevision\">Voter card related forms</a></strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>Source of these links - </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><a href=\"http://ceowestbengal.nic.in\" title=\"http://ceowestbengal.nic.in\"><span class=\"has-inline-color has-cyan-bluish-gray-color\">http://ceowestbengal.nic.in</span></a></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><a href=\"https://www.nvsp.in/\"><span class=\"has-inline-color has-cyan-bluish-gray-color\">https://www.nvsp.in/</span></a></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><a href=\"https://wberms.gov.in\"><span class=\"has-inline-color has-cyan-bluish-gray-color\">https://wberms.gov.in</span></a></p>\n<!-- /wp:paragraph -->","img":"https://wbinfo.in/public/images/blogs/1699042358.jpg","title":"ভোটার-আধার লিংক, ভোটার কার্ড স্ট্যাটাস ও অন্যান্য তথ্য দেখুন  - Voter Card information online"},"25":{"description":"<!-- wp:paragraph -->\n<p>বর্তমান সময়ে সঠিক তথ্য না পাওয়ায় অনেকের এই প্রকল্পে নাম থাকা সত্ত্বেও জানতে পারেন না। কিন্তু আপনি চাইলেই সরাসরি অনলাইনের মাধ্যমে আবাস যোজনার লিস্ট দেখে নিতে পারেন। সেখানে আপনার নাম আছে কি না জানতে পেরে যাবেন। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা সাধারণত দুই ধরনের হয়ে থাকে - প্রথমটি শহরের জন্য এবং অপরটি গ্রামের জন্য। এই দুটি ছাড়াও আর একটি রয়েছে, যেটি হল ইন্দ্রা গান্ধী আবাস যোজনা। এটি মূলত আবাস যোজনার গ্রামীণের অন্তর্ভুক্ত। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক কিভাবে লিস্ট দেখবেন- </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph {\"fontSize\":\"medium\"} -->\n<p class=\"has-medium-font-size\"><strong>১) প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা শহর - </strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>এই আবাস যোজনায় প্রথমে নিম্নে দেওয়া ওয়েবসাইটের লিংকে যেতে হবে। তারপর সেখানে আপনার আধার নম্বর দিতে হবে তাহলে আপনি সেখানে আপনার বর্তমান স্থিতি (Status) জানতে পারবেন। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>লিংক - <strong><a href=\"https://pmaymis.gov.in/Open/Find_Beneficiary_Details.aspx\" title=\" PM Awaas Yojona (Urban-শহর)\">PM Awaas Yojona (Urban-শহর)</a></strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>এছাড়া যদি আপনার নাম এই প্রকল্পে নথিভুক্ত হয়ে গেছে এবং বাড়ি বানানোর কাজ চলছে, তাহলে তাঁর স্ট্যাটাস বা বর্তমান স্থিতি কি তা আপনি জানতে পারেন। তার জন্য নিচের লিংকে ক্লিক করে সেখানে আপনার নাম, মোবাইল নং দিয়ে অথবা Assessment No. দিয়ে জানতে পারেন। লিংক - <strong><a href=\"https://pmaymis.gov.in/Track_Application_Status.aspx\" title=\"এছাড়া যদি আপনার নাম এই প্রকল্পে নথিভুক্ত হয়ে গেছে এবং বাড়ি বানানোর কাজ চলছে, তাহলে তাঁর স্ট্যাটাস বা বর্তমান স্থিতি কি তা আপনি জানতে পারেন। তার জন্য নিচের লিংকে ক্লিক করে সেখানে আপনার নাম, মোবাইল নং দিয়ে অথবা Assessment No. দিয়ে জানতে পারেন। লিংক - Track Your Assessment Status\">Track Your Assessment Status</a></strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph {\"fontSize\":\"medium\"} -->\n<p class=\"has-medium-font-size\"><strong>২) প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা গ্রামীণ - </strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>আপনি যদি কোন গ্রাম বা পঞ্চয়েতের সম্পূর্ণ লিস্ট দেখতে চান তাহলে নিচের দেওয়া লিংকে ক্লিক করে উপযুক্ত ডেটা দিয়ে সার্চ করবেন।  লিংক - <strong><a href=\"https://rhreporting.nic.in/netiay/SECCReport/report_categorywiseseccverification.aspx\" title=\"https://rhreporting.nic.in/netiay/SECCReport/report_categorywiseseccverification.aspx\">গ্রাম বা পঞ্চায়েতের সম্পূর্ণ লিস্ট</a></strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>আপনার আবেদনের বর্তমান স্ট্যাটাস বা ডিটেলস জানুন - <strong><a href=\"https://rhreporting.nic.in/netiay/benificiary.aspx\" title=\"https://rhreporting.nic.in/netiay/benificiary.aspx\">Search Beneficiary Details</a></strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>এছাড়া যদি ইন্দ্রাগান্ধী আবাস যোজনায় নাম দেখতে চান তাহলে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা গ্রামীণ ওয়েবসাইটের লিংকে গিয়ে একি পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে। শুধু উপযুক্ত স্থানে PM Awaas Yojona Gramin এর জাইগাই IAY সিলেক্ট করতে হবে। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>Source - <a href=\"https://rhreporting.nic.in\">https://rhreporting.nic.in</a></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><a href=\"https://pmaymis.gov.in\">https://pmaymis.gov.in</a></p>\n<!-- /wp:paragraph -->","img":"https://wbinfo.in/public/images/blogs/1699042361.jpg","title":"প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার (গ্রামীণ/শহর/ ইন্দ্রাবাসের) লিস্ট ও স্ট্যাটাস দেখুন - PM Awaas Yojona List"},"26":{"description":"<!-- wp:paragraph -->\n<p>নথিভুক্ত কৃষকদের তথ্য বা বর্তমান স্থিতি জানতে হলে – <strong><a href=\"https://krishakbandhu.net/farmer_search\">Application Status</a></strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 2018 সালে কৃষকদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ডব্লিউবি কৃষক বন্ধু স্কিম চালু করেছেন। 17 ই জুন 2021 এ ঘোষণা করা হয়েছিল যে এই স্কিমের অধীনে আর্থিক সহায়তা দ্বিগুণ করা হবে। আগে কৃষকরা এক একর বা তার বেশি জমির জন্য প্রতি বছর 5000 টাকা পেতেন। এখন কৃষকরা তার সুবিধা দ্বিগুণ করে বছরে ১০ হাজার টাকা পাবে এবং এক একরের কম হলে দুটি কিস্তিতে মোট ৪ হাজার দেওয়া হবে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>পশ্চিমবঙ্গ </strong><strong>রাজ্যের </strong><strong>মুখ্যমন্ত্রী </strong><strong>মমতা </strong><strong>বন্দ্যোপাধ্যায় </strong><strong>ঘোষিত </strong><strong>কৃষক </strong><strong>বন্ধু </strong><strong>প্রকল্পের </strong><strong>অনেক </strong><strong>সুবিধা </strong><strong>রয়েছে। </strong><strong>কিছু </strong><strong>সুবিধা </strong><strong>নিচে </strong><strong>দেওয়া </strong><strong>হল:-</strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>১) স্কিম অনুসারে প্রতিটি উপকারভোগীকে ২ লক্ষ্য &nbsp;টাকার জীবন বীমা দেওয়া হবে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>২) এই প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ায় দুর্ঘটনাক্রমে মারা যাওয়া সমস্ত কৃষকদের বীমা কভার প্রদান করা হবে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>৩) এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ৩ হাজার কোটি টাকার বাজেট নির্ধারণ করা হয়েছে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>৪) ভিকটিমের মৃত্যুর ১৫ দিনের মধ্যে বীমা কভার প্রদান করা হবে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>৫) শস্য বীমার প্রিমিয়ামও রাজ্য সরকার এই প্রকল্পের আওতায় সমস্ত সুবিধাভোগীদের প্রদান করবে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>৬) দুই কিস্তিতে প্রতি একরে ৫ হাজার টাকা করে মোট ১০ হাজার &nbsp;উপকারভোগীদের দেওয়া হয়, একটি খরিফে এবং অন্যটি রবি মৌসুমে এবং যাঁদের ১ একরের কম জমি আছে তাঁদের দুটি কিস্তিতে ২ হাজার করে মোট ৪ হাজার টাকা দেওয়া হবে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>এই প্রকল্পটি ১৮ থেকে ৬০ বছর পর্যন্ত কৃষকদের জন্য এই বিমাতি প্রযোজ্য। এই সংক্রান্ত ফর্ম আপনি এই লিংকে (<a href=\"https://wbinfo.in/wp-content/uploads/2021/07/application-form-for-claim-death-benefits.pdf\" title=\"https://wbinfo.in/wp-content/uploads/2021/07/application-form-for-claim-death-benefits.pdf\"><strong>Different forms) </strong></a>পেয়ে যাবেন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>কিভাবে রেজিস্ট্রেশন করবেন?</strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>অনলাইন রেজিস্ট্রেশনের জন্য প্রথমে আপনাকে নিম্নে দেওয়া ওয়েবসাইট লিংকে ক্লিক করে আপনার উপযুক্ত তথ্য এবং উসার নেম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে আপনাকে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>এরপর আপনাকে আর একটি নিম্নে দেওয়া লিংকে ক্লিক করে উসার নেম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে হবে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>এরপর কৃষকবন্ধু স্কিম অপশনে ক্লিক করলে একটি ফর্ম ওপেন হবে। সেখানে আপনার তথ্য এবং উপযুক্ত ডকুমেন্ট আপলোড করে সাবমিট করে দিতে হবে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>রেজিস্ট্রেশন করার জন্য – <strong><a href=\"https://krishakbandhu.net/users/sign_up\" title=\"https://krishakbandhu.net/users/sign_up\">Registration Link </a></strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>লগইন করার জন্য –<strong><a href=\"https://krishakbandhu.net/users/sign_in\" title=\" Click Here\"> Login Link</a></strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>অথবা</strong> আপনারা নিজেদের নাম নথিভুক্ত করার জন্য নিকটবর্তী কৃষি বিভাগ দপ্তরে যোগাযোগ করুন। অফলাইন ফর্ম আপনি <strong><a href=\"https://wbinfo.in/wp-content/uploads/2021/07/application-form-krishibandhu-scheme.pdf\" title=\"https://wbinfo.in/wp-content/uploads/2021/07/application-form-krishibandhu-scheme.pdf\">Application Form</a></strong> থেকে পেয়ে যাবেন। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>Source - <a href=\"https://krishakbandhu.net\">https://krishakbandhu.net</a></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p></p>\n<!-- /wp:paragraph -->","img":"https://wbinfo.in/public/images/blogs/1699042364.jpg","title":"কৃষক বন্ধু প্রকল্পের লিস্ট ও নিজের স্ট্যাটাস দেখুন- WB Krishi Bandhu Scheme"},"27":{"description":"<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>নিচে কিছু গুরুত্ব পূর্ণ লিংক দেওয়া হল যার মাধ্যমে আপনারা অনলাইনে বিভিন্ন তথ্য পেয়ে যাবেন -</strong> </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>১) আপনার কার্ডের স্ট্যাটাস চেক করুন -</strong>  অনলাইনে নিজের পরিবারের সদস্যদের নাম  স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে আছে কিনা তা দেখার জন্য নিম্নে দেওয়া লিংকে ক্লিক করবেন। এখানে আপনি URN No. বা  স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের নং দিয়ে দেখতে পারেন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p> লিংক -<strong><a href=\"https://helpline.swasthyasathi.gov.in/SearchURN.aspx\" title=\"Swastha Sathi URN Search\"> URN Search</a></strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>২) হাসপাতালের ব্যাপারে জানুন -</strong>  কোন কোন হসপিটাল বা নার্সিংহোম -এ এই কার্ডের সুবিধা পাওয়া যায় তা আপনি এই লিংক(<strong><a href=\"https://helpline.swasthyasathi.gov.in/ssHospitalDdetails.aspx\" title=\"https://helpline.swasthyasathi.gov.in/ssHospitalDdetails.aspx\">Swasthya Sathi Active Hospital details</a></strong>) থেকে সার্চ করতে পারবেন। বর্তমানে এই স্কিমের অধিনে থাকা হসপিটাল গুলির বর্তমান অবস্থা (কতগুলি বেড, কি কি পরিষেবা ইত্যাদি) জানার জন্য এই লিংকে(<strong><a href=\"https://helpline.swasthyasathi.gov.in/ViewHospitalServiceDetails.aspx\" title=\"https://helpline.swasthyasathi.gov.in/ViewHospitalServiceDetails.aspx\">Status Of Hospital Service Under Swasthya Sathi</a></strong>) ক্লিক করুন।  </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের ব্যাপারে বর্তমানে প্রায় সবাই জানেন। তাই এই প্রকল্পের পরিচয় না দিয়ে সরাসরি জেনে নেওয়া যাক এই প্রকল্পের কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য - </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>১) এই স্কিমের মাধ্যমে প্রতিটি পরিবার বার্ষিক ৫  লক্ষ্য টাকার স্বাস্থ্য বীমা পাবেন। এক্ষেত্রে পরিবারের সদস্য সংখ্যার কোন সীমা নেই। এখানে একটি জিনিস মনে রাখতে হবে যে পরিবারের সমস্ত সদস্যদের নিয়ে এই ৫ লক্ষ্য টাকার বীমা দেওয়া হয়। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>২) মাঝারি ধরনের রোগের চিকিৎসার ক্ষেত্রে ইনস্যুরেন্স মোডে ১.৫ লক্ষ্য টাকা এবং গুরুতর অসুস্থতার চিকিৎসার জন্য অ্যাসুরেন্স মোডে ৫ লক্ষ্য টাকা পর্যন্ত বীমা পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে যদি আপনার আগে থেকে কোন শারীরিক অসুস্থতা থেকে থাকে তাহলে তা এই প্রকল্পের অন্তর্গত হয়ে যাবে। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>৩) স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের ক্ষেত্রে সমস্ত লেনদেন ডিজিটাল মাধ্যমে হবে। অর্থাৎ এক্ষেত্রে আপনি হাতে টাকা পাবেন না। হাসপাতাল বা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে কারো চিকিৎসা হলে তার খরচ যদি স্বাস্থ্যসাথী বহন করে তাহলে সমস্ত লেনদেন ক্যাশলেস হবে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>৪) স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে ছুটি পাওয়ার পর সেই ব্যক্তি যাতায়াতের ভাড়া বাবাদ ২০০ টাকা পেয়ে থাকেন। যদি উনি কোন সরকারী স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে ছুটি পায় তাহলে ২০০ টাকার অতিরিক্ত টাকা যাতায়াত বাবদ পাবেন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>৫) এছাড়া এই সংক্রান্ত যদি কোন ধরনের সহায়তা বা অভিযোগ থাকে তাহলে আপনি 18003455384 -এই নম্বরে ফোন করতে পারেন। যা 24x7 উপলব্ধ থাকে। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>নতুন  স্বাস্থ্যসাথী কার্ড, নতুন সদস্য যুক্ত করা, ভুল থাকলে তা ঠিক করার জন্য আপনার পার্শ্ববর্তী ব্লক বা জেলা স্তরীয়  স্বাস্থ্যসাথী কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। নতুন কার্ডের জন্য আবেদন করার জন্য এই ফর্মটি (<strong><a href=\"https://swasthyasathi.gov.in/Content/HomeTabItems/FormB_NEW_02-12-2020.pdf\" title=\"https://swasthyasathi.gov.in/Content/HomeTabItems/FormB_NEW_02-12-2020.pdf\">Swastha Sathi form B</a></strong> ) প্রয়োজন লাগবে। এছাড়াও দুয়ারে সরকার প্রকল্পতেও করা হয়ে থাকে। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>একটি বিশেষ অনুরোধ যদি আপনাদের  স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে কোনরূপ ভুল বা ত্রুটি থাকে তাহলে তা আপনি সময় থাকতে থাকতে ঠিক করিয়ে নেবেন। নাহলে প্রয়োজনের সময় খুবই অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়ে। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>Source - <a href=\"https://swasthyasathi.gov.in/\">https://swasthyasathi.gov.in/</a></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>  </p>\n<!-- /wp:paragraph -->","img":"https://wbinfo.in/public/images/blogs/1699042367.jpg","title":"স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে পরিবারের সদস্যদের তথ্য, হাঁসপাতাল লিস্ট ও অন্যান্য তথ্য জানুন - WB Swastha Sathi Scheme"},"30":{"description":"<!-- wp:paragraph -->\n<p>কিছু গুরুত্বপূর্ণ লিংক - </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>নিজের অ্যাকাউন্টের স্থিতি জানুন - <strong><a href=\"https://pmkisan.gov.in/BeneficiaryStatus_New.aspx\">Beneficiary Status</a></strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>এই প্রকল্পের আপনার রেজিস্ট্রেশান নং দেখুন - <a href=\"https://pmkisan.gov.in/KnowYour_Registration.aspx\" title=\"\"><strong>Know Your Registration</strong></a><a href=\"https://pmkisan.gov.in/KnowYour_Registration.aspx\"> <strong>Number</strong></a> </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>গ্রামের উপভোক্তার লিস্ট দেখুন - <strong><a href=\"https://pmkisan.gov.in/Rpt_BeneficiaryStatus_pub.aspx\" title=\"\">Beneficiary List</a></strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>নতুন রেজিস্ট্রেশন করুন (এক্ষেত্রে যাঁদের আধার নং -এ মোবাইল  নং যুক্ত আছে কেবল তারাই আবেদন করতে পারবেন )- <strong><a href=\"https://pmkisan.gov.in/RegistrationFormNew.aspx\" title=\"\">New Registration</a></strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>নিজের আধার নং আপডেট বা পরিবর্তন করুন - <strong><a href=\"https://pmkisan.gov.in/UpdateAadharNoByFarmer.aspx\" title=\"https://pmkisan.gov.in/UpdateAadharNoByFarmer.aspx\">Updation</a></strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>কিষান ক্রেডিট কার্ডের (KCC) অফলাইন ফর্ম - <strong><a href=\"https://pmkisan.gov.in/Documents/Kcc.pdf\" title=\"\">KCC Form</a></strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>Source - <a href=\"https://pmkisan.gov.in/\">https://pmkisan.gov.in</a></p>\n<!-- /wp:paragraph -->","img":"https://wbinfo.in/public/images/blogs/1699042373.jpg","title":"প্রধানমন্ত্রী কৃষক সম্মান নিধির লিস্ট ও স্ট্যাটাস দেখুন -PM Kishan Samman Nidhi Scheme info"},"31":{"description":"<!-- wp:paragraph -->\n<p>বার্ধক্য, বিধবা, মানবিক পেনশনের লিস্ট দেখার জন্য নিম্নে দেওয়া লিংকে ক্লিক করবেন। সেখানে প্রথমে স্কিম সিলেক্ট করবেন -    বার্ধক্য ভাতার জন্য - IGNOAPS, বিধবা ভাতার জন্য - IGNWPS, মানবিক পেনশনের জন্য - IGNDPS । তারপর সাবমিট করলে নিচে জেলার লিস্ট দেখাবে। সেখানে জেলা সিলেক্ট করলে নিচে ব্লক দেখাবে। এরপর একিরকম ভাবে গ্রাম পঞ্চায়েত সিলেক্ট করলে আপনাদের সামনে পেনশন লিস্টটি প্রদর্শিত হবে।  আপনারা ঐ লিস্টটি বেরনোর পর সেখানের সার্চ বক্সে নিজের নাম সার্চ করে দেখতে পারেন ।  </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>Link - <strong><a href=\"https://nsap.nic.in/statedashboard.do?method=intialize\" title=\"https://nsap.nic.in/statedashboard.do?method=intialize\">Pension List</a></strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>যদি আপনাদের Application ID জানা থাকে তাহলে আপনারা ওই নং দিয়ে সরাসরি Application Status জানতে পারেন নিচে দেওয়া লিংকের সাহায্যে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>Link - <strong><a href=\"https://wbswpension.gov.in/admin_pages/wcd_application_track.php\" title=\"https://wbswpension.gov.in/admin_pages/wcd_application_track.php\">Application Status</a></strong> </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>এছাড়াও কর্মচারীদের  পেনশনের স্থিতি বা Application Status জানার জন্য নিম্নে দেওয়া লিংকে ক্লিক করবেন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>Link - <strong><a href=\"https://wbepension.gov.in/e_PensionHome/PensionStatusEnquiry\" title=\"https://wbepension.gov.in/e_PensionHome/PensionStatusEnquiry\">Pension Status</a></strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>এছাড়াও নতুন ভাবে   র্ধক্য, বিধবা, মানবিক পেনশনের আবেদনের জন্য আপনাদের এই ফর্ম (<strong><a href=\"https://wbswpension.gov.in/readwrite/miscellaneous/form-P.pdf\" title=\"https://wbswpension.gov.in/readwrite/miscellaneous/form-P.pdf\">Form-P</a></strong>) ফিলাপ করে নিকটবর্তী ব্লক, পৌরসভাতে জমা দিতে হবে। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>Source - <a href=\"https://nsap.nic.in/\">https://nsap.nic.in/</a></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><a href=\"https://wbswpension.gov.in/\">https://wbswpension.gov.in/</a></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><a href=\"https://wbepension.gov.in/\">https://wbepension.gov.in/</a></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p></p>\n<!-- /wp:paragraph -->","img":"https://wbinfo.in/public/images/blogs/1699042376.jpg","title":"বার্ধক্য, বিধবা, মানবিক এবং অন্য পেনশনের লিস্ট ও স্ট্যাটাস দেখুন - Old age, Widow, Manabik pensions information"},"36":{"description":"<!-- wp:paragraph -->\n<p>প্যান কার্ডের বিভিন্ন অনলাইন পরিষেবার গুরুত্বপূর্ণ লিংক নিচে দেওয়া হল।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>১. আধার এবং প্যান কার্ডের লিংক করা আছে কিনা তার নিচের লিংকে ক্লিক করে জেনেনিন। এখানে আপনার প্যান নং ও জন্ম তারিখ দিয়ে দেখতে পারেন। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>Link - <a href=\"https://eportal.incometax.gov.in/iec/foservices/#/pre-login/link-aadhaar-status\" title=\"https://eportal.incometax.gov.in/iec/foservices/#/pre-login/link-aadhaar-status\"><strong>Check for PAN-Adhaar Link</strong></a></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>২. যদি আপনার  আধার এবং প্যান কার্ডের লিংক করা না হয়ে থাকে তাহলে নিচের লিংক থেকে তা করতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনাদের মনে রাখতে হবে যেন আধার কার্ড এবং প্যান কার্ডের নাম ও অন্যান্য তথ্য একি থাকে। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>Link - <strong><a href=\"https://eportal.incometax.gov.in/iec/foservices/#/pre-login/bl-link-aadhaar\" title=\"https://eportal.incometax.gov.in/iec/foservices/#/pre-login/bl-link-aadhaar\">Link PAN with Adhaar</a></strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>৩. আপনি যদি নতুন প্যান কার্ডের জন্য আবেদন করে থাকেন তাহলে তার স্থিতি বা অ্যাপ্লিকেশন স্ট্যাটাস আপনি নিচের লিংক থেকে জানতে পারবেন। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>Link - <strong><a href=\"https://tin.tin.nsdl.com/pantan/StatusTrack.html\" title=\"https://tin.tin.nsdl.com/pantan/StatusTrack.html\">PAN Application Status</a></strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>৪. e-PAN Card ডাউনলোড করার জন্য নিচে দেওয়া লিংকে ক্লিক করুন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>Link - <strong><a href=\"https://www.onlineservices.nsdl.com/paam/requestAndDownloadEPAN.html\" title=\"https://www.onlineservices.nsdl.com/paam/requestAndDownloadEPAN.html\">E-PAN Card</a></strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>৫. নিজের প্যান কার্ড ভ্যারিফাই করুন - <strong><a href=\"https://eportal.incometax.gov.in/iec/foservices/#/pre-login/verifyYourPAN\" title=\"https://eportal.incometax.gov.in/iec/foservices/#/pre-login/verifyYourPAN\">Verify PAN</a></strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>Source - <a href=\"https://www.pan.utiitsl.com\">https://www.pan.utiitsl.com</a></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><a href=\"https://eportal.incometax.gov.in\">https://eportal.incometax.gov.in</a></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><a href=\"https://www.nsdl.co.in/\">https://www.nsdl.co.in/</a></p>\n<!-- /wp:paragraph -->","img":"https://wbinfo.in/public/images/blogs/1699042431.jpg","title":"অনলাইন PAN-Aadhar Link করুন ও PAN সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য দেখুন"},"57":{"description":"<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>আধার স্ট্যাটাস</strong> - </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>আপনি যদি নতুন আধারের জন্য আবেদন করে থাকেন তাহলে তার বর্তমান স্ট্যাটাস আপনি এই লিংক থেকে দেখতে পারেন। এখানে আপনারা Enrolment No. যেটি আধার অ্যাপ্লিকেশন করার সময় দিয়েছিল সেটি দিয়ে দেখতে পারেন - <strong><a href=\"https://myaadhaar.uidai.gov.in/CheckAadhaarStatus\" title=\"https://myaadhaar.uidai.gov.in/CheckAadhaarStatus\">Check Aadhaar Status</a></strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p> কোন আধার নং বৈধ কিনা তা আপনি এই লিংক থেকে জানতে পারবেন - <strong><a href=\"https://myaadhaar.uidai.gov.in/verifyAadhaar\" title=\"https://myaadhaar.uidai.gov.in/verifyAadhaar\">Verify Aadhar No.</a></strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>এছাড়াও যদি আপনার আধারের সাথে মোবাইল নং যুক্ত করা থাকে তাহলে এই গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবা গুলি পেয়ে থাকবেন - <strong><a href=\"https://myaadhaar.uidai.gov.in/check-aadhaar\" title=\"https://myaadhaar.uidai.gov.in/check-aadhaar\">Important Aadhaar Services</a></strong> </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>রেল টিকিট PNR Status Check - </strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>আপনার ট্রেন টিকিটের PNR এর স্ট্যাটাস চেক করার জন্য এই লিংকে ক্লিক করুন - <strong><a href=\"http://www.indianrail.gov.in/enquiry/PNR/PnrEnquiry.html?locale=en\" title=\"http://www.indianrail.gov.in/enquiry/PNR/PnrEnquiry.html?locale=en\">PNR Status Check</a></strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>India Post এর পার্সেল/ Consignment track - </strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>আপনার India Post -এর যদি কোন পার্সেল বা consignment থেকে থাকে এবং আপনি তার বর্তমান স্থিতি জানতে চান তাহলে এই লিংকে ক্লিক করে জানতে পারেন - <strong><a title=\"https://www.indiapost.gov.in/_layouts/15/dop.portal.tracking/trackconsignment.aspx\" href=\"https://www.indiapost.gov.in/_layouts/15/dop.portal.tracking/trackconsignment.aspx\">Check India Post Consignment </a></strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->","img":"https://wbinfo.in/public/images/blogs/1699042868.jpg","title":"অনলাইন আধার স্ট্যাটাস, PNR স্ট্যাটাস, India Post Track ও অন্যান্য"},"78":{"description":"<!-- wp:paragraph -->\n<p>আগের বছরের মত এবারেও চালূ হয়েছে দুয়ারে সরকার প্রকল্প যেখানে পশ্চিমবঙ্গ সরকার বিভিন্ন সরকারী পরিষেবা আমাদের কাছে পৌঁছে দেন। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>আপনার এলাকার নিকটবর্তী ক্যাম্পের স্থান, তারিখ জানুন - <strong><a href=\"https://ds.wb.gov.in/Search_DS_Camp.aspx\" title=\"Find Your Camp details\">Find Your Camp details</a></strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>দুয়ারে সরকার ক্যাম্পের বিভিন্ন পরিষেবার তথ্য ও প্রয়োজনীয় Documents -এর তথ্য দেওয়া হল<strong> - </strong>  <strong><a href=\"https://ds.wb.gov.in/Check_Eligibility.aspx\" title=\"Get Your Scheme information\">Get Your Scheme information</a></strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->","img":"https://wbinfo.in/public/images/blogs/1699042927.jpg","title":"দুয়ারে সরকার ক্যাম্প ২০২৩-এর গ্রাম ভিত্তিক স্থান, তারিখ ও প্রদত্ত পরিষেবার তথ্য"},"314":{"description":"<!-- wp:paragraph {\"align\":\"center\",\"textColor\":\"white\"} -->\n<p class=\"has-text-align-center has-white-color has-text-color\"><strong>দেখার জন্য নীচের যেকোনো একটিতে ক্লিক করুন। </strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:image {\"align\":\"center\",\"id\":662,\"width\":457,\"height\":160,\"sizeSlug\":\"full\",\"linkDestination\":\"custom\"} -->\n<figure class=\"wp-block-image aligncenter size-full is-resized\"><a href=\"https://www.anandabazar.com/\"><img src=\"https://wbinfo.in/wp-content/uploads/2022/05/Anandabazar_Patrika.webp\" alt=\"\" class=\"wp-image-662\" width=\"457\" height=\"160\"/></a></figure>\n<!-- /wp:image -->\n\n<!-- wp:image {\"align\":\"center\",\"id\":663,\"width\":383,\"height\":159,\"sizeSlug\":\"full\",\"linkDestination\":\"custom\"} -->\n<figure class=\"wp-block-image aligncenter size-full is-resized\"><a href=\"https://bartamanpatrika.com/home\"><img src=\"https://wbinfo.in/wp-content/uploads/2022/05/5bca0c0f679f92e859092c0042c9a08d.png\" alt=\"\" class=\"wp-image-663\" width=\"383\" height=\"159\"/></a></figure>\n<!-- /wp:image -->\n\n<!-- wp:image {\"align\":\"center\",\"id\":664,\"width\":341,\"height\":244,\"sizeSlug\":\"full\",\"linkDestination\":\"custom\"} -->\n<figure class=\"wp-block-image aligncenter size-full is-resized\"><a href=\"https://zeenews.india.com/bengali\"><img src=\"https://wbinfo.in/wp-content/uploads/2022/05/images.png\" alt=\"\" class=\"wp-image-664\" width=\"341\" height=\"244\"/></a></figure>\n<!-- /wp:image -->\n\n<!-- wp:image {\"align\":\"center\",\"id\":667,\"width\":367,\"height\":206,\"sizeSlug\":\"full\",\"linkDestination\":\"custom\"} -->\n<figure class=\"wp-block-image aligncenter size-full is-resized\"><img src=\"https://wbinfo.in/wp-content/uploads/2022/05/105752-image49-1.jpg\" alt=\"\" class=\"wp-image-667\" width=\"367\" height=\"206\"/></figure>\n<!-- /wp:image -->\n\n<!-- wp:image {\"align\":\"center\",\"id\":666,\"width\":398,\"height\":228,\"sizeSlug\":\"full\",\"linkDestination\":\"custom\"} -->\n<figure class=\"wp-block-image aligncenter size-full is-resized\"><a href=\"https://www.sangbadpratidin.in/\"><img src=\"https://wbinfo.in/wp-content/uploads/2022/05/Sangbad-Pratidin-ePaper-e1621960890451.jpg\" alt=\"\" class=\"wp-image-666\" width=\"398\" height=\"228\"/></a></figure>\n<!-- /wp:image -->\n\n<!-- wp:image {\"align\":\"center\",\"id\":668,\"width\":409,\"height\":209,\"sizeSlug\":\"large\",\"linkDestination\":\"custom\"} -->\n<figure class=\"wp-block-image aligncenter size-large is-resized\"><a href=\"https://eisamay.com/\"><img src=\"https://wbinfo.in/wp-content/uploads/2022/05/ei-samay-logo-e1589629826852-1024x526.jpg\" alt=\"\" class=\"wp-image-668\" width=\"409\" height=\"209\"/></a></figure>\n<!-- /wp:image -->\n\n<!-- wp:image {\"align\":\"center\",\"id\":669,\"width\":462,\"height\":162,\"sizeSlug\":\"full\",\"linkDestination\":\"custom\",\"className\":\"is-style-default\"} -->\n<figure class=\"wp-block-image aligncenter size-full is-resized is-style-default\"><a href=\"https://aajkaal.in/\"><img src=\"https://wbinfo.in/wp-content/uploads/2022/05/Aajkal.png\" alt=\"\" class=\"wp-image-669\" width=\"462\" height=\"162\"/></a></figure>\n<!-- /wp:image -->\n\n<!-- wp:image {\"align\":\"center\",\"id\":670,\"width\":417,\"height\":167,\"sizeSlug\":\"full\",\"linkDestination\":\"custom\",\"className\":\"is-style-default\"} -->\n<figure class=\"wp-block-image aligncenter size-full is-resized is-style-default\"><a href=\"https://uttarbangasambad.com/\"><img src=\"https://wbinfo.in/wp-content/uploads/2022/05/Uttarbanga-Sambad-Newspaper.jpg\" alt=\"\" class=\"wp-image-670\" width=\"417\" height=\"167\"/></a></figure>\n<!-- /wp:image -->\n\n<!-- wp:image {\"align\":\"center\",\"id\":671,\"width\":375,\"height\":94,\"sizeSlug\":\"full\",\"linkDestination\":\"custom\",\"className\":\"is-style-default\"} -->\n<figure class=\"wp-block-image aligncenter size-full is-resized is-style-default\"><a href=\"http://bangla.ganashakti.co.in/\"><img src=\"https://wbinfo.in/wp-content/uploads/2022/05/ganashakthi.png\" alt=\"\" class=\"wp-image-671\" width=\"375\" height=\"94\"/></a></figure>\n<!-- /wp:image -->","img":"https://wbinfo.in/public/images/blogs/1699099748.webp","title":"দেখেনিন আপনার পছন্দের প্রিয় খবর গুলি"},"354":{"description":"<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>Nagaland Dear Lottery Result -</strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>Today's Result - আজকের রেসাল্ট - </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong><a href=\"http://www.nagalandlotteries.com/results.php#?morn=pdf\" title=\"\">1 PM (Morning Result)</a></strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong><a href=\"http://www.nagalandlotteries.com/results.php#\" title=\"\">6 PM (Noon/Day Result)</a></strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong><a href=\"http://www.nagalandlotteries.com/results.php#\" title=\"\">8 PM (Evening Result)</a></strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>পুরনো লটারির রেসাল্ট পাওয়ার জন্য এই লিংকে ক্লিক করুন - <strong><a href=\"http://www.nagalandlotteries.com/results.php#\" title=\"\">Old Result</a></strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->","img":"https://wbinfo.in/public/images/blogs/1699099854.jpg","title":"Lottery Sambad Result - জানুন প্রতিদিনের লটারি রেসাল্ট"},"1223":{"description":"<!-- wp:paragraph -->\n<p>বর্তমানে বেকারত্বের হার প্রচুর পরিমাণে বেড়ে গিয়েছে। তাই এখন কোন ভালো চাকরি পেতে গেলে চায় প্রচুর পরিশ্রম এবং তার সাথে প্রয়োজন অপেক্ষা করা এবং ধৈর্য ধরা। কিন্তু সবার ক্ষেত্রে খুব বেশি অপেক্ষা করা সম্ভব হয়ে ওঠেনা। বাড়ির আর্থিক অবস্থা সঠিক না থাকা, বয়স বেড়ে যাওয়া এবং আরও অনেক কারন থাকে যার জন্য প্রোয়জন হয়ে পড়ে টাকা উপার্জন করার। আবার অনেকে চায়  যে, কিভাবে একটু অতিরিক্ত উপার্জন করা যায়।   অনলাইনে গুগলে গিয়ে প্রতিদিন বহু মানুষ সার্চ করে থাকেন যে কিভাবে অনলাইনে টাকা উপার্জন করা যায়। কেননা সুন্দর ভাবে জীবন যাপন করার জন্য টাকা-পয়সার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা কতখানি তা তো আমরা সকলেই জানি। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>তো এই পরিস্থিতিতে অনলাইনে কিভাবে কিছু সময় অতিবাহিত করে টাকা উপার্জন করা যায়, এমন কিছু সহজ পদ্ধতি নিচে দেওয়া হল, যেগুলোর মধ্যে দিয়ে আপনার পছন্দমত কোন পদ্ধতি নির্বাচন করে তার উপরে কাজ করে উপার্জন করতে পারবেন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph {\"fontSize\":\"medium\"} -->\n<p class=\"has-medium-font-size\"><strong>১. ব্লগিং (Blogging) :- </strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>অনলাইনে উপার্জন করার কথা বলতে গেলে সবার প্রথমে&nbsp;<strong>ব্লগিং</strong>&nbsp;এর কথা বলাটা অবশ্যম্ভাবী। কেননা এটি সবথেকে সহজ পদ্ধতি টাকা উপার্জন করার। সাধারণত ব্লগিং এ আপনাকে আর্টিকেল লিখতে হয় কোন একটি বিষয়ের ব্যাপারে। ব্লগিং করার জন্য দুটি বিষয় এর দিকে খেয়াল রাখা জরুরী।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>১) কোন বিষয়ে অভিজ্ঞ হতে হবে।</strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>২) লেখার পদ্ধতি অথবা স্টাইল জানা থাকতে হবে ।</strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>যখন কোন মানুষ এই দুটি পদ্ধতি ছাড়া ব্লগিং শুরু করে থাকেন তখন কিন্তু অনেকগুলো বাধা বিপদ সামনে আসতে থাকে। আর যদি আপনি বিষয়ে এক্সপার্ট হয়ে থাকেন, সেটাও টেকনোলজি হতে পারে, কুকিং হতে পারে, বিজনেস হতে পারে বা অন্য কিছু।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading {\"level\":3} -->\n<h3>ব্লগিং (Blogging) থেকে টাকা উপার্জন করার পদ্ধতি: </h3>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>১) এডভার্টাইজিং (Advertising):</strong>&nbsp;অনেক অনলাইন এডভারটাইজিং&nbsp;কোম্পানি&nbsp;আছে তাদের&nbsp;বিজ্ঞাপন&nbsp;আপনি আপনার ব্লগে দিয়ে উপার্জন করতে পারবেন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>২) স্পনসর্ড পোস্ট (Sponsored Post):</strong>&nbsp;যখন আপনার ব্লগ একটু পপুলার হতে শুরু করবে তখন অনেক কোম্পানি তাদের প্রডাক্ট এর রিভিউ দেওয়ার জন্য আপনাকে বলতে পারে। রিভিউ দেওয়ার জন্য তারা আপনাকে সেই প্রোডাক্টের সাথে সাথে ভালো মতো একটা উপার্জন করার শর্তে টাকা দেবে। আপনার ব্লগ যে বিষয়ের সম্বন্ধিত হবে আপনাকে সেই বিষয় সম্বন্ধিত প্রডাক্ট দেওয়া হবে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>৩)&nbsp;অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং&nbsp;(Affiliate Marketing):</strong>&nbsp;এক্ষেত্রে অন্য কারো প্রোডাক্ট বিক্রি করার ক্ষেত্রে আপনি তাকে সাহায্য করছেন, যখন আপনি অনলাইনে বিক্রি হওয়া কোন প্রোডাক্ট&nbsp;সেল&nbsp;করার জন্য সাহায্য করে থাকেন তাহলে সেই সেলার আপনাকে কমিশন দিয়ে থাকে প্রতিটি প্রোডাক্ট এর উপরে। আপনি বড় বড় ই-কমার্স ওয়েবসাইট যেমন ধরুন ফ্লিপকার্ট, অ্যামাজন অথবা হোস্টিং কোম্পানির প্রোডাক্ট বিক্রি করে ভালোমতো উপার্জন করতে পারবেন। আপনি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এ এডভারটাইজিং এর থেকেও বেশি টাকা উপার্জন করতে পারবেন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>ব্লগিং শুরু কিভাবে করবেন?</strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>সাধারণত কোন Website এ ব্লগিং পাবলিশ করা হয়ে থাকে। তাই সেক্ষেত্রে আপনার একটি Website এর প্রয়োজন। কিন্তু নিজস্ব Website তৈরি করার জন্য কিছু অর্থের প্রয়োজন হয়। তাই যদি আপনি কোন ইনভেস্টমেন্ট ছাড়া ব্লগিং শুরু করতে চান, সেক্ষেত্রে আপনি Google Blogger ব্যবহার করতে পারেন, যা সম্পূর্ণ ফ্রি। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph {\"fontSize\":\"medium\"} -->\n<p class=\"has-medium-font-size\"><strong>ইউটিউব (Youtube) :- </strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>ইউটিউব হলো টাকা উপার্জন করার একটি দুর্দান্ত প্ল্যাটফর্ম। কনটেন্ট লেখাকে ব্লগিং বলা হয় আর ভিডিও আপলোড করাকে Vlogging বলা হয় যা কিনা ভিডিও ব্লগিং। এক্ষেত্রে দুটি বিষয় খেয়াল রাখাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ:-</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>১) কোন বিষয়ে অভিজ্ঞ হওয়া দরকার। </strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>২) প্রেজেন্টেশন / উপস্থাপন করার দক্ষতা থাকতে হবে। </strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>৩) Video Editing এর দক্ষতা থাকতে হবে। </strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading {\"level\":3} -->\n<h3><strong>ইউটিউব থেকে টাকা উপার্জন করার পদ্ধতি:</strong></h3>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>১) অ্যাডসেন্স (AdSense):</strong> ইউটিউব আর এডসেন্স দুটিই কিন্তু গুগলের প্রোডাক্ট। প্রত্যেক ইউটিউবার বেশিরভাগ টাকা উপার্জন করে থাকেন এই এডসেন্স থেকে। তারা তাদের একাউন্টে ভিডিও আপলোড করার পর সেখানে গুগোল অ্যাডসেন্সের থেকে মনিটরিং করতে পারেন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>২) স্পনসর্ড ভিডিও (Sponsored Video):</strong>&nbsp;একটি পপুলার ইউটিউব চ্যানেল এর অনেক প্রোডাক্টের রিভিউ করার অফার আসে, আর এর মধ্যে দিয়ে ভালোমতো টাকা উপার্জন করা যেতে পারে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>৩) অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং (Affiliate Marketing):</strong>&nbsp;যদি আপনি আপনার চ্যানেলে বিভিন্ন রকমের প্রোডাক্টের রিভিউ করে থাকেন তাহলে সেই ভিডিওর ডিসক্রিপশন এ সেই প্রোডাক্ট কেনার জন্য লিংক ও দিতে পারবেন। যদি কেউ সেই লিঙ্ক থেকে সেই প্রোডাক্ট কিনে থাকেন তাহলে সেই প্রোডাক্টের কমিশন আপনি পাবেন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading {\"level\":3} -->\n<h3><strong>আপনার স্কিল (প্রতিভা) এর দ্বারা অনলাইনে বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস দিয়ে:</strong></h3>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>এখানে স্কিল অথবা প্রতিভা সম্পর্কে যেটা বলা হচ্ছে সেটা হল ইন্টারনেটে যে সমস্ত বিষয়গুলি নিয়ে কাজ করা যায়, সেগুলি সম্পর্কে আপনার দক্ষতা থাকতে হবে। যেমন ধরুন এস ই ও (SEO), এস এম ও (SMO),&nbsp;কোচিং, ওয়েব ডিজাইনিং, লিংক বিল্ডিং, লোগো ডিজাইন ইত্যাদি।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>তার সাথে সাথে প্রতিনিয়ত ইন্টার্নেট মারকেটিং বেড়েই চলেছে। তো মানুষ তাদের নিজের অনলাইন বিজনেস কেও বাড়ানোর জন্য এক্সপার্ট কে খুঁজে থাকেন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>যারা কিনা টাকার পরিবর্তে কাজ করে থাকেন, কেননা সেই ব্যবসায়ী যদি শুধুমাত্র ব্যবসার কাজেই নিযুক্ত থাকেন তাহলে অনেকটা সময় অতিবাহিত হয়ে যায়, অন্য কোন কাজে মনোযোগ দেওয়া যায় না।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>আর যদি আপনি কোন অনলাইন কাজ করতে চান বা আপনি অনলাইন কাজ করার জন্য খুবই দক্ষ তাহলে আপনিও ঘরে বসে টাকা উপার্জন করতে পারবেন আপনার অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও প্রতিভা দিয়ে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>এই ধরনের প্রতিভা থাকলে আপনি Fiver, Upwork এবং আরও অনেক ধরনের প্লাটফর্ম থেকে Project নিতে পারেন। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading -->\n<h2><strong>অনলাইনে জিনিসপত্র বিক্রি করে উপার্জন:</strong></h2>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>এখন অনেকেই হাতে তৈরি অনেক জিনিসপত্র বিক্রি করার জন্য অনলাইন প্লাটফর্ম কে বেছে নিয়েছেন। প্রতিনিয়ত সেই প্লাটফর্মে তাদের জিনিসপত্র এর ছবি আপলোড করে তা থেকে অর্ডার নিয়ে সেগুলো বিক্রি করে থাকেন এবং তা থেকে ভালো মত একটা উপার্জন করে থাকেন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>অনলাইন এ এমন অনেক ওয়েবসাইট আছে যেখানে আপনি জিনিসপত্র বিক্রি করতে পারবেন।যেমন ধরুন eBay, OLX, Quickr, Amazon ইত্যাদির উপরে আপনি আপনার জিনিসপত্র বিক্রি করতে পারেন। সেটা&nbsp; জামাকাপড়ে হতে পারে বা হাতে তৈরি কোন ঘর সাজানোর জিনিস, ফার্নিচার, জুয়েলারি, আরো অনেক কিছু।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph {\"fontSize\":\"medium\"} -->\n<p class=\"has-medium-font-size\"><strong>অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং :-</strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>প্রত্যেক সেলার তাদের প্রডাক্ট কে অনলাইনে সেল করার ক্ষেত্রে সাকসেসফুল থাকেন না, এই জন্য অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে তাদের সেলিং করে থাকেন। মনে করুন আপনার একটি কাপড়ের দোকান আছে, কিন্তু আপনি সেই কাপড়গুলি খুবই ভালভাবে বিক্রি করতে পারছেনই না।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>তাহলে আপনি অন্য কাউকে বলবেন যে যদি সে আপনার কাপড়গুলি বিক্রি করার ক্ষেত্রে সাহায্য করে থাকে তাহলে আপনি তাকে প্রতিটি বিক্রির উপরে অর্থাৎ প্রতিটি প্রোডাক্ট এর বিক্রিয়া উপরে কমিশন দেবেন। আর এটাই হলো&nbsp;<strong>অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং</strong>&nbsp;অর্থাৎ আপনি কোন কোম্পানির হয়ে সেই কোম্পানির প্রোডাক্ট বিক্রি করার ক্ষেত্রে সাহায্য করছেন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:heading {\"level\":3} -->\n<h3><strong>কিভাবে শুরু করবেন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং?</strong></h3>\n<!-- /wp:heading -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করার জন্য আপনাকে কোন&nbsp;ইনভেস্টমেন্ট&nbsp;করতে হবে না। আপনি আপনার প্রথম শ্রেণীর ই – কমার্স সাইট যেমন ধরুন ফ্লিপকার্ট, অ্যামাজন, থেকে অনায়াসেই শুরু করতে পারেন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>এদের অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম&nbsp;এ জয়েন করার পর আপনাকে প্রতিটি প্রোডাক্ট এর একটি এফিলিয়েট লিংক দেওয়া হবে, যা কিনা ইউজার সেই সমস্ত লিংক থেকে যদি প্রোডাক্ট কিনে থাকেন তাহলে আপনি সেই প্রোডাক্টের কিছু পার্সেন্ট কমিশন পাবেন। আপনি এই লিংক আপনার ব্লগ, ভিডিও, সোশ্যাল মিডিয়া, আর ইমেইল থেকে শেয়ার করতে পারেন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph {\"fontSize\":\"medium\"} -->\n<p class=\"has-medium-font-size\"><strong>অনলাইন টিউশন থেকে উপার্জন:&nbsp;</strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>আজকাল বেশিরভাগ মানুষ অফলাইন এর থেকে অনলাইন কোর্স করার আগ্রহ প্রকাশ করছেন। এই অনলাইন কোর্স একটি এমন প্ল্যাটফর্ম যেখানে সবাই টাকা খরচ করে তাদের নিজের পছন্দমত স্কিল শিখতে পারবেন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>মনে করুন আপনি ফটোগ্রাফি তে আগ্রহী, এটি শেখার জন্য আপনাকে একটি একাডেমিতে জয়েন করতে হবে। তাছাড়া এটা তো কখনই সম্ভব হয়ে ওঠেনা যে, যেটা নিয়ে আপনি পড়াশোনা করতে আগ্রহী সেটার অ্যাকাডেমি সব সময়ের জন্য আপনার ঘরের আশে পাশেই হবে? তো আপনাকে হয়তো অনেকটা দূরে যেতে হবে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>এর জন্য বাড়ির বাইরেও আপনাকে বের হতে হবে। কিন্তু যখন অনলাইনে সেই কোর্স করবেন তখন ঘরে বসেই সেই কোর্স করতে পারবেন অনায়াসেই।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>URL Shortner থেকে টাকা উপার্জন:&nbsp;</strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>এর মানে হলো যে কোনো ইউ আর এল&nbsp;<strong>(URL)</strong>&nbsp;কে শর্ট বা ছোট করা। এখন আপনি ভাবতে পারেন ইউ আর এল&nbsp;<strong>(URL)</strong>&nbsp;কে ছোট করার কি প্রয়োজনীয়তা রয়েছে, আর এ থেকে কিভাবে টাকা উপার্জন করা যায়, তাছাড়া এই চিন্তা হওয়াটা খুবই সাধারণ বিষয়।<br /><br /></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>অনেক সময় লম্বা আর বড় ইউ আর এল কারোরই পছন্দ হয় না। এমন পরিস্থিতিতে যদি আপনি কারো সাথে কোন লিংক শেয়ার করেন তো কোনরকম বড় ইউআরএল আপনি কখনোই পছন্দ করবেন না নিশ্চয়ই, কি তাই তো ! তাই URL Shortener খুবই উপকারে আসে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>Google Shortner</strong>&nbsp;নাম আপনি নিশ্চয়ই শুনেছেন, যার ব্যবহার ইউআরএল কে ছোট করার জন্য করা হয়ে থাকে, কিন্তু গুগোল এই সার্ভিসটি বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাছাড়া একটি ফ্রি সার্ভিস ও ছিল, এর জায়গাতে&nbsp;<strong>Shortner</strong>&nbsp;এর ব্যবহার করতে পারেন, যার ফলে আপনি ভালোমতো পকেটমানিও পেয়ে যাবেন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>এর জন্য আপনাকে বড় বড় লিংক যে গুলি আপনি শেয়ার করতে চাইছেন সেগুলি&nbsp;<strong>Shortner Websites</strong>&nbsp;এর সাহায্যে ছোট করতে পারবেন, আর যখন আপনি এটি শেয়ার করবেন তখন কোন ভিজিটর এই লিংক ওপেন&nbsp;করবেন। তখন তাকে প্রথমে একটি বিজ্ঞাপন দেখানো হবে, তারপরেই মেন ওয়েবসাইট কে&nbsp;<strong>migrate</strong>&nbsp;করতে পারবেন। এই বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য আপনি টাকা পাবেন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>ইন্টারনেটে এমন অনেক URL Shortener Website উপলব্ধ আছে যার মধ্যে বেশির ভাগটাই Fake, আর অনেকে খুবই কম পেআউট করে থাকে। এই জন্য বেস্ট ওয়েবসাইট গুলোর একটি লিস্ট নিচে দেওয়া হল, যেগুলি আপনি ব্যবহার করতে পারেন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>১) Shrinkearn.com</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>২) Ouo.io</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>৩) Shorte.st</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>এর মধ্যে সবথেকে গুরত্বপূর্ন ওয়েবসাইট হলো (Shrinkearn.com) এর ইউজার ইন্টারফেস (User Interface) খুবই ভালো আর এতে $2 প্রতি পে আউট এর সুবিধা ও রয়েছে। তার সাথে বিজ্ঞাপন ও বেশি আসে না, যা কিনা ইউজারকে বিরক্ত করে থাকে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>বিঃ দ্রঃ- এখানের কিছু লেখা অন্য জায়গা থেকে নেওয়া হয়ে থাকতে পারে। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><br /><br /><br /><br /></p>\n<!-- /wp:paragraph -->","img":"https://wbinfo.in/public/images/blogs/1699102721.jpg","title":"জানুন বাড়িতে বসে অনলাইনের মাধ্যমে কিভাবে ইনকাম করবেন।"},"1373":{"description":"<!-- wp:paragraph -->\n<p>পশ্চিমবঙ্গের Caste Certificate সংক্রান্ত তথ্য জানার জন্য নিম্নে কিছু গুরুত্বপূর্ণ লিংক দেওয়া হল। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>আপনি যদি নতুন Caste Certificate এর জন্য আবেদন করে থাকেন তাহলে নিম্নে দেওয়া লিংক থেকে তার স্ট্যাটাস জানতে পারবেন -  </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><a href=\"https://castcertificatewb.gov.in/searchapplication/status\" title=\"https://castcertificatewb.gov.in/searchapplication/status\"><strong>Application Status (Link 1)</strong></a></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><a href=\"https://oldsite.castcertificatewb.gov.in/jsp/searchapplication1.jsp?msg=STATUS\" title=\"https://oldsite.castcertificatewb.gov.in/jsp/searchapplication1.jsp?msg=STATUS\"><strong>Application Status (Link 2)</strong></a></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>আপনার যদি Caste Certificate করা থাকে, তাহলে তার অনলাইন তথ্য জানুন নিম্নে দেওয়া লিংক থেকে - </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><a href=\"https://castcertificatewb.gov.in/searchapplication/viewcertificatedetails\" title=\"https://castcertificatewb.gov.in/searchapplication/viewcertificatedetails\"><strong>Check Certificate (Link 1)</strong></a></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><a href=\"https://oldsite.castcertificatewb.gov.in/jsp/search.jsp\" title=\"https://oldsite.castcertificatewb.gov.in/jsp/search.jsp\"><strong>Check Certificate (Link 2)</strong></a></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>আপনি যদি নতুন Caste Certificate এর জন্য আবেদন করে থাকেন তাহলে নিম্নে দেওয়া লিংক থেকে তার স্ট্যাটাস জানতে পারবেন -</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong> <a href=\"https://oldsite.castcertificatewb.gov.in/jsp/DuplicateApplication.jsp\" title=\"https://oldsite.castcertificatewb.gov.in/jsp/DuplicateApplication.jsp\">Get Application Slip or Acknowledgement Slip</a></strong> </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>আপনার Caste Certificate Download করুন - </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong><a href=\"https://castcertificatewb.gov.in/downlaodsigncertificate\" title=\"https://castcertificatewb.gov.in/downlaodsigncertificate\">Get Caste Certificate</a></strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>এছাড়াও আরও অন্যান্য তথ্য জানার জন্য নিম্নে দেওয়া Official Website থেকে জানতে পারেন। </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong><a href=\"https://castcertificatewb.gov.in/\" title=\"https://castcertificatewb.gov.in/\">Official Link</a></strong> </p>\n<!-- /wp:paragraph -->","img":"https://wbinfo.in/public/images/blogs/1699102949.jpg","title":"Caste Certificate সংক্রান্ত অনলাইন তথ্য দেখুন - WB Caste Certificate information"},"1470":{"description":"<!-- wp:paragraph -->\n<p>&nbsp;পশ্চিমবঙ্গ সরকার কৃষকদের সমস্ত রকম সুযোগ-সুবিধা ও কষ্টের কথা চিন্তা করে&nbsp;<strong>শস্য বীমা প্রকল্প (West Bengal Crop Insurance Scheme)</strong>&nbsp;চালু করেছে। অনেক সময় বিভিন্ন রকম প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে কৃষক দের অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়। তার জন্য কত কৃষক আত্মহত্যা পর্যন্ত করতে বাধ্য হয়েছেন তার কোন ঠিক নেই। এরকম পরিস্থিতি যেন ভবিষ্যতে আর না হয়, তার জন্য শস্য বীমা যোজনা অনেকটা আশার আলো দেখাবে আশা করা যায়।&nbsp;বাংলা শস্য বীমা কৃষকদের জীবনে নতুন আলোর দিশা হয়ে আসবে, তা তো জানাই যাচ্ছে।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>সরকার কৃষকের জন্য যে অর্থ ব্যয় করে এক কথায় তাকে&nbsp;<strong>বাংলা শস্য বিমা</strong>&nbsp;বলে। যেটা এই শস্য সংরক্ষণ অথবা ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়া হয়ে থাকে কৃষক দের। সবথেকে খুশীর খবর হলো, এই শস্য বীমার মাধ্যমে কৃষকরা কোন রকম টাকা খরচ না করেই এই বীমার টাকা পেয়ে যাবেন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>বাংলা শস্য বীমা কোন কোন ফসলের উপর হতে পারে:</strong> </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>পশ্চিমবঙ্গ সরকার যে সমস্ত শস্যের উপরে শস্য বীমার নির্দেশ দিয়েছে সেগুলি হল:-&nbsp; ধান, গম, সরিষা, মসুর ডাল,&nbsp; চিনাবাদাম ও&nbsp;আলু&nbsp;চাষের উপরে এই শস্য বীমা করা যেতে পারে। তাহলে বুঝতেই পারছেন এই সমস্ত শস্যের যদি ক্ষতি হয়, তার বীমা করতে পারেন অথবা বীমার টাকা পেতে পারেন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>বাংলা শস্য বীমা প্রিমিয়াম:</strong> </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>আপনি যদি বাংলা শস্য বিমা করান, তাহলে আপনাকে প্রিমিয়াম ভরতে হবে। আপনি যদি আলু ও আখ চাষ করে থাকেন, তাহলে আপনাকে ৪.৯৫% প্রিমিয়াম ভরতে হবে। শুধুমাত্র এই দুটো ফসলের জন্য ধার্য করা হয়েছে প্রেময়াম।&nbsp;&nbsp;</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><strong>নষ্ট হয়ে যাওয়া ফসলের বাংলা শস্য বীমার টাকার পরিমান কত:</strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:list -->\n<ul><!-- wp:list-item -->\n<li>যদি আপনার ফসলের ৭৫% পর্যন্ত নষ্ট হয় তাহলে বীমা অনুযায়ী সর্বাধিক ২৫% পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ পেতে পারেন।</li>\n<!-- /wp:list-item -->\n\n<!-- wp:list-item -->\n<li>আর যদি পাহাড়ি এলাকায় কৃষকরা আবেদন করে থাকেন, সেক্ষেত্রে যদি ৭৫% পর্যন্ত ফসল নষ্ট হয়ে যায়, তাহলে ৫০% পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ পেতে পারেন। কেননা পাহাড়ি এলাকায় চাষাবাদ অনেকটাই ঝুঁকিপূর্ণ।</li>\n<!-- /wp:list-item --></ul>\n<!-- /wp:list -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>যদি আপনার ফসলের ৭৫% পর্যন্ত নষ্ট হয় তাহলে বীমা অনুযায়ী সর্বাধিক ২৫% পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ পেতে পারেন।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>আর যদি পাহাড়ি এলাকায় কৃষকরা আবেদন করে থাকেন, সেক্ষেত্রে যদি ৭৫% পর্যন্ত ফসল নষ্ট হয়ে যায়, তাহলে ৫০% পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ পেতে পারেন। কেননা পাহাড়ি এলাকায় চাষাবাদ অনেকটাই ঝুঁকিপূর্ণ।</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>Helpline Number :-<br>08373094077<br>08336957181<br>08336900632</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>E-mail: banglashasyabima@ingreens.in</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>বাংলার শস্যবীমা সংক্রান্ত সমস্ত ধরনের তথ্য জানার জন্য নিচে কিছু Option দেওয়া হল -</p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>ইনস্যুরেন্সের পরিমাণ হিসাব করুন - <strong><a href=\"https://banglashasyabima.net/insurance_calculations\">Insurance Premium Calculator</a></strong> </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>নিজের ইনস্যুরেন্স কভারেজ চেক করুন - <a href=\"https://banglashasyabima.net/farmer_corner\"><strong>Check Insurance Coverage</strong></a></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>ইনস্যুরেন্স সার্টিফিকেট ডাউনলোড করুন - <strong><a href=\"https://banglashasyabima.net/farmer_corner\" title=\"https://banglashasyabima.net/farmer_corner\">Download Insurance Certific</a>ate</strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>ফসল ক্ষতির ব্যাপারে জানান - <a href=\"https://banglashasyabima.net/\"><strong>Report for Crop Loss</strong></a> </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>আবেদন করা থাকলে তার স্ট্যাটাস দেখুন - <a href=\"https://banglashasyabima.net/application_status\"><strong>Application Status</strong></a></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>খারিফ ফসল 2022 এর অ্যাপ্লিকেশান ফর্ম ডাউনলোড করুন - <strong><a href=\"https://banglashasyabima.net/download_form\" title=\"https://banglashasyabima.net/download_form\">Application form of Kharif 2022</a></strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p><a href=\"https://banglashasyabima.net/insurance_calculations\"> </a></p>\n<!-- /wp:paragraph -->","img":"https://wbinfo.in/public/images/blogs/1699103096.jpg","title":"বাংলার শস্যবীমা সংক্রান্ত অনলাইন তথ্য - WB bangla shasyabima"},"1524":{"description":"<!-- wp:paragraph -->\n<p>বাংলা সহায়তা কেন্দ্রের কিছু পরিসেবা যা আপনারা অনলাইনের মাধ্যমে জানতে পারেন। নিচে কিছু গুরুত্বপূর্ণ লিঙ্ক দেওয়া হল যেগুলি থেকে আপনারা বিভিন্ন পরিসেবা পাবেন - </p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>আপনার পার্শ্ববর্তী বাংলা সহায়তা এই লিঙ্ক থেকে খুঁজেনিন - <strong><a href=\"https://bsk.wb.gov.in/findbsk#15/22.4935/87.0532\" title=\"https://bsk.wb.gov.in/findbsk#15/22.4935/87.0532\">Find your BSK</a></strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>বিভিন্ন পরিষেবার ফর্ম ডাউনলোড করুন - <strong><a href=\"https://bsk.wb.gov.in/formdwn\" title=\"https://bsk.wb.gov.in/formdwn\">APPLICATION FORMS</a></strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>আপনি যদি কোন পরিষেবার জন্য Apply করে থাকেন তাহলে তার স্ট্যাটাস দেখুন এই লিঙ্ক থেকে - <strong><a href=\"https://bsk.wb.gov.in/kyas\" title=\"https://bsk.wb.gov.in/kyas\">Know Your Application Status</a></strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->\n\n<!-- wp:paragraph -->\n<p>এছাড়াও আপনি Citizen Login এ Registration করে রাজ্যের প্রায় সমস্ত পরিষেবা এবং প্রকল্পের জন্য Apply করতে পারেন এই লিঙ্ক থেকে। আপনার রেজিস্ট্রেশন করা না থাকলে আপনি নতুন করে রেজিস্ট্রেশন করে নিতে পারেন - <strong><a href=\"https://bsk.wb.gov.in/citizenlogin\" title=\"https://bsk.wb.gov.in/citizenlogin\">Citizen Login</a></strong></p>\n<!-- /wp:paragraph -->","img":"https://wbinfo.in/public/images/blogs/1699103135.jpg","title":"বাংলা সহায়তা কেন্দ্রের অনলাইন পরিসেবা - Bangla Sahayata Kendra"}},"sp_ad_link":"https://jhargram.gov.in/","sp_ad_value":"https://i.imgur.com/SjQj8mm.jpg","update_priority":1,"updatecode":32,"visibility_options":{"app_s_v":0,"blogs_url_change_value":1,"capcha_login":1,"capcha_record":1,"http_type":1,"land_articles":0,"online_status":1,"sp_ad":0,"update_code":32,"web_cust_v":1,"web_v":1},"weburls":{"deed_status":"https://wbregistration.gov.in/mobile/m_status_of_deed.aspx","login_url":"https://banglarbhumi.gov.in/BanglarBhumi/login.action","mrktv_flat":"https://wbregistration.gov.in/mobile/m_mv_aprt.aspx","mrktv_land":"https://wbregistration.gov.in/mobile/m_mv_land.aspx","payment_status":"https://wbregistration.gov.in/mobile/m_status_of_epayment_new.aspx","query_search":"https://wbregistration.gov.in/mobile/m_index_search_by_queryno_deedno.aspx","salt_url":"https://banglarbhumi.gov.in/BanglarBhumi/putTargetMenuActionName.action","search_by_name":"https://wbregistration.gov.in/mobile/m_index_search_by_name.aspx?SearchingFrom=WS","search_by_prop":"https://wbregistration.gov.in/mobile/m_index_search_by_property.aspx?SearchingFrom=WS","stamp_cal":"https://wbregistration.gov.in/mobile/m_sd_fee_calculator.aspx","url1":"https://banglarbhumi.gov.in/BanglarBhumi/khDetailsAction_LandInfo.action","url2":"https://banglarbhumi.gov.in/BanglarBhumi/plotDetailsAction_LandInfo.action","url3":"https://banglarbhumi.gov.in/BanglarBhumi/plotClassificationPointLayer","url4":"https://banglarbhumi.gov.in/BanglarBhumi/populatePlotMapInWebSide","url5":"https://banglarbhumi.gov.in/BanglarBhumi/trusteeDetailsAction_LandInfo.action","url6":"https://banglarbhumi.gov.in/BanglarBhumi/poseserDetailsAction_LandInfo.action"}}